সুব্রহ্মণ্যম স্বামী

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী
ডঃ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, পরিসংখ্যানবিদ এবং রাজনীতিবিদ, যিনি ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভারতের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন এবং চন্দ্রশেখর সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন।স্বামী জনতা দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং ২০১৩ সালে দল বিজেপিতে মিশে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে তিনি পাঁচবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন।. .
By Moumi Majumdar | Sunday, January 31, 2021, 01:14:19 PM [IST]

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী জীবনি

ডঃ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, পরিসংখ্যানবিদ এবং রাজনীতিবিদ, যিনি ভারতের সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভারতের পরিকল্পনা কমিশনেরও সদস্য ছিলেন এবং চন্দ্রশেখর সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন।স্বামী জনতা দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং ২০১৩ সালে দল বিজেপিতে মিশে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে তিনি পাঁচবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম সুব্রহ্মণ্যম স্বামী
জন্ম-তারিখ 15 Sep 1939 (বয়স 86)
জন্মস্থান মায়লাপোর, চেন্নাই ( তামিলনাড়ু)
রাজনৈতিক দলের নাম Bharatiya Janta Party
শিক্ষা Doctorate
পেশা অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ
পিতৃ পরিচয় সীতারামন সুব্রহ্মণ্যম
মাতৃ পরিচয় পদ্মাবতী
জীবনসঙ্গীর নাম রোক্সানা
জীবনসঙ্গীর পেশা আইনজীবী /গৃহবধূ
সন্তান 2 কন্যা
ধর্ম হিন্দু
ওয়েবসাইট NIL

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
₹1.75 CRORE
সম্পদ
₹1.75 CRORE
দায়বদ্ধতা
N/A

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

টুজি কেলেঙ্কারি ফাঁস করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। এক বছরের মধ্যে তাঁকে চিনা ভাষা (বিশ্বের অন্যতম কঠিন ভাষা) শেখার চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। ডঃ স্বামী এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন এবং তিন মাসের মধ্যে নিজের পারদর্শিতার প্রমাণ দেন।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয় কারণ মুসলিমরা হিন্দু বংশের অন্তর্ভুক্ত এটা স্বীকার না করা পর্যন্ত তাঁদের ভোটদান থেকে বঞ্চিত করার কথা তিনি বলেন, ডঃ স্বামী যে দুটি সামার ইকোনমিক কোর্স শেখাচ্ছিলেন তা থেকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে বাদ দেয়। তাঁর আইনজীবী স্ত্রী রোক্সানা তাঁকে আইনী ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। স্বামী কোচির স্কুল অফ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজের চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। তিনি ১৯৬৩ সালে রাষ্ট্রসংঘরে অর্থনীতিবিদ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮৬ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের পরামর্শদাতা ছিলেন।

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 2016 : তিনি মনোনীত বিভাগের অধীনে রাজ্যসভার সদস্য হন।
  • 2013 : ২০১৩ সাল পর্যন্ত জনতা পার্টিটর সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পরে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন, সেই সময় বিজেপির সভাপতি ছিলেন রাজনাথ সিং। জনতা দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন স্বামী এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন দলের সভাপতি।
  • 2012 : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট টুজি মামলায় পিএমপির বিরুদ্ধে স্বামীর আবেদন মেনে নিয়েছিল।এই মামলায় রাজা সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন এবং ২০১২ সালের মে মাসে জামিন পান। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর সিবিআই-এর বিশেষ আদালতের বিচারক রাজা সহ অভিযুক্তদের নির্দোষ ঘোষণা করেন।
  • 2008 : সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ২ জি স্পেকট্রাম মামলায় তৎকালীন টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এ রাজার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর কাছে পাঁচটি চিঠি লেখেন।
  • 1998 : তিনি মাদুরাই থেকে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন। পরাজিত করেন টিএমসি(এম)-এর রামবাবু এ.জি.এসকে। পাশাপাশি তিনি অধস্তন আইন কিমিটর সদস্য হন, প্রতিরক্ষা কমিটি এবং এর সাব কমিটি-I এর সদস্য হন, এছাড়াও লাইব্রেরি কমিটির সদস্য, এবং অসামরিক পরিবহন মন্ত্রকের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য হন।
  • 1994 : ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে ডঃ স্বামী লেবার স্ট্যান্ডার্ড এবং ইন্টারন্যাশনাল বাণিজ্য কমিশনের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1990 : ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত স্বামী ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বাণিজ্য ও আইনমন্ত্রী হন। ১৯৯০ সালে জনতা দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি ও চেয়ারম্যান হয়েছিলেন।
  • 1988 : ফের উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন, ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এই পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1980 : মুম্বই উত্তর-পূর্ব আসন থেকে লোকসভায় পুনর্নির্বাচিত হন, জনতা দলের টিকিটে জয়ী হন স্বামী।
  • 1977 : তিনি বম্বে উত্তর-পূর্ব কেন্দ্র থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন। পরাজিত করেন কংগ্রেসের কুলকার্নি রাজারাম ওরফে রাজা গোপালকে।
  • 1974 : জন সংঘ দলের টিকিটে উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হন। দুই বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1960s : সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ১৯৬০-এর দশকের শেষদিকে সর্বোদয়া আন্দলনে যোগ দেওয়ার মধ্যে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু করেন।
  • : দেশে জরুরী অবস্থার সময় সুব্রহ্মণ্যম স্বামী জনতা দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

আগের ইতিহাস

  • 2011: ২০১১ সাল পর্যন্ত হার্ভার্ডে সামার সেশনে তিনি অর্থনীতির পাঠ পড়াতেন।
  • 1980–82: তিনি আইআইটি কাউন্সিলের পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1977–80: তিনি আইআইটি দিল্লির বোর্ড অব গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1969: স্বামী দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে ফিরে আসেন এবং ১৯৬৯ সাল থেকে সত্তর দশকের গোড়ার দিক পর্যন্ত পূর্ণ সময়ের অধ্যাপক হিসাবে গাণিতিক অর্থনীতির অধ্যাপনা করেন।
  • 1966: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় স্বামীর সঙ্গে আলাপ হয় এক ভারতীয় পার্সি রমনী রোক্সানার, সেই সময় রোক্সানাও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে পিএইচডি করছিলেন। দুজনে ১৯৬৬ সালের জুন মাসে বিয়ে করেন।
  • 1965: স্বামী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত হিন্দু কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে তিনি পরিসংখ্যানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে হেন্ডরিক এস. হাইথাক্কার সুপারিশে তিনি পূর্ণ সময়ের রকফেলার স্কলারশিপ নিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যান, সেখানে ১৯৬৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এর সাফল্য

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জনের সময় সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর। জরুরী অবস্থার পর নির্বাচনে জয়ী হওয়া রাজনৈতিক দলের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।বিরোধী দলের নেতা হলেও তাঁকে ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হয়েছিল।
কৈলাশ মানস সরোবরে হিন্দুদের প্রবেশের সুযোগ তৈরির ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। চিন সম্পর্কে ডঃ স্বামীর বিশ্লেষণ এতটাই প্রবল যে মনমোহন সিং হোন অথবা ইন্দিরা গান্ধী, তাঁর মতামত চাইতেন সকলেই।স্বামী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন যে রাম সেতুর আসল পথটি ছেটে ফেলা হয়েছে, সেকারণে প্রকল্পটি বাতিল করা হোক এবং তিনি এই কাজে সফল হন।
তাঁর পেপার "ফ্র্যাক্টাইল গ্রাফিকাল অ্যানালাইসিস" ১৯৬৩ সালে প্রকাশ পায় ইকোনোমেট্রিকায়।তাঁর নাম হার্ভার্ডে সুপারিশ করা হয় এবং স্বামী মাত্র ২৪ বছর বয়সে হার্ভার্ড থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।এরপর ১৯৭৪ সালে পল স্যামুয়েলসনের সঙ্গে মিলে তিনি সূচক সংখ্যা তত্ত্বের উপর একটি পেপার প্রকাশ করেন।
১৯৯৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পি.ভি.নরসিমা রাও স্বামীকে শ্রম মান এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করেন। তিনি কেরলের এসসিএমএস গ্রুপ অফ এডুকেশন ইনস্টিটিউশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভারতের বৈদেশিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছেন, এর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গণ প্রজাতন্ত্রী চিন(পিআরসি), পাকিস্তান এবং ইজরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+