Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

অরবিন্দ কেজরিওয়াল

অরবিন্দ কেজরিওয়াল
ভারতের রাজনীতিতে অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একজন সমাজকর্মী হিসাবেও তিনি জনপ্রিয়। হরিয়ানার এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম কেজরিওয়ালের। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন, প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েই তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইআইটি খড়গপুরে পড়ার সুযোগ পান, বিষয় হিসাবে বেছে নেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-কে। ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি অর্জন করার পর টাটা স্টিলে চাকরি পান কেজরিওয়াল, তবে নিজের হৃদয়ের কথা শুনে সেই চাকরি ছেড়ে দেন এবং সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। কালীঘাটের আশ্রমে মাদার টেরিজার সঙ্গে দু'মাস কাজ করার সুযোগও পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে কেজরিওয়াল বিয়ে করেন ১৯৯৩ সালে তাঁর আইআরএস-এর ব্যাচমেট সুনিতাকে।
১৯৯৯ সালে জাল রেশন কার্ড কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করতে তিনি পরিবর্তন নামে একটি আন্দোলন শুরু করেন, এই আন্দোলন তাঁকে সামাজিক পরিচিতি এনে দেয়। আয়কর, বিদ্যুৎ এবং খাদ্য রেশনের মত বিষয়ে দুর্নীতি রুখতে দিল্লিবাসীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন কেজরিওয়াল। বেশি করে সামাজিক কাজে মনোনিবেশ করতে ২০০৬ সালে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন এবং পাবলিক কস রিসার্চ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।

২০১০ সালের প্রথমের দিকে জন লোকপাল বিল পাস করাতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী আন্না হাজারে। এই আন্দলনে যুক্ত হয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিলেন কেজরিওয়াল। তবে ইন্ডিয়া এগেইনস্ট করাপশন আন্দোলনের রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে আন্না হাজারের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য দেখা দেয়। তিনি নিজের রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টি (আপ) প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭০টি আসনের মধ্যে ২৮টি আসনে জেতে আপ। ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের শর্ত সাপেক্ষ সমর্থনে সরকার গড়েন কেজরিওয়াল ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। কিন্তু জন লোকপাল বিল আলোচনার টেবিলে রাখতে না পারার ব্যর্থতার কারণে মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন কেজরিওয়াল।দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি শাসন চলাকালীন ১৬তম লোকসভায় তিনি বারাণসী কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যদিও তিনি এই নির্বাচনে হেরে যান। ২০১৫ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ফের তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জিতে সরকার গঠন করে। দিল্লির সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফের দায়িত্ব গ্রহণ করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

কেজরিওয়াল রাজনীতিতে তাঁর নিজস্ব মতাদর্শ এবং জনসেবার জন্য বিশেষ পরিচিত এবং ভারতীয় রাজনীতির এক অন্যতম চরিত্র।. .
By Zainab Ashraf | Saturday, March 30, 2019, 10:04:15 AM [IST]

অরবিন্দ কেজরিওয়াল জীবনি

ভারতের রাজনীতিতে অন্যতম বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একজন সমাজকর্মী হিসাবেও তিনি জনপ্রিয়। হরিয়ানার এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম কেজরিওয়ালের। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছাত্র ছিলেন, প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েই তিনি পশ্চিমবঙ্গের আইআইটি খড়গপুরে পড়ার সুযোগ পান, বিষয় হিসাবে বেছে নেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-কে। ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি অর্জন করার পর টাটা স্টিলে চাকরি পান কেজরিওয়াল, তবে নিজের হৃদয়ের কথা শুনে সেই চাকরি ছেড়ে দেন এবং সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। কালীঘাটের আশ্রমে মাদার টেরিজার সঙ্গে দু'মাস কাজ করার সুযোগও পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে কেজরিওয়াল বিয়ে করেন ১৯৯৩ সালে তাঁর আইআরএস-এর ব্যাচমেট সুনিতাকে।
১৯৯৯ সালে জাল রেশন কার্ড কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করতে তিনি পরিবর্তন নামে একটি আন্দোলন শুরু করেন, এই আন্দোলন তাঁকে সামাজিক পরিচিতি এনে দেয়। আয়কর, বিদ্যুৎ এবং খাদ্য রেশনের মত বিষয়ে দুর্নীতি রুখতে দিল্লিবাসীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন কেজরিওয়াল। বেশি করে সামাজিক কাজে মনোনিবেশ করতে ২০০৬ সালে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন এবং পাবলিক কস রিসার্চ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।

২০১০ সালের প্রথমের দিকে জন লোকপাল বিল পাস করাতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী আন্না হাজারে। এই আন্দলনে যুক্ত হয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিলেন কেজরিওয়াল। তবে ইন্ডিয়া এগেইনস্ট করাপশন আন্দোলনের রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে আন্না হাজারের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য দেখা দেয়। তিনি নিজের রাজনৈতিক দল আম আদমি পার্টি (আপ) প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭০টি আসনের মধ্যে ২৮টি আসনে জেতে আপ। ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের শর্ত সাপেক্ষ সমর্থনে সরকার গড়েন কেজরিওয়াল ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। কিন্তু জন লোকপাল বিল আলোচনার টেবিলে রাখতে না পারার ব্যর্থতার কারণে মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন কেজরিওয়াল।দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি শাসন চলাকালীন ১৬তম লোকসভায় তিনি বারাণসী কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যদিও তিনি এই নির্বাচনে হেরে যান। ২০১৫ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ফের তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জিতে সরকার গঠন করে। দিল্লির সপ্তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফের দায়িত্ব গ্রহণ করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

কেজরিওয়াল রাজনীতিতে তাঁর নিজস্ব মতাদর্শ এবং জনসেবার জন্য বিশেষ পরিচিত এবং ভারতীয় রাজনীতির এক অন্যতম চরিত্র।

আরও পড়ুন

অরবিন্দ কেজরিওয়াল ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম অরবিন্দ কেজরিওয়াল
জন্ম-তারিখ 16 Aug 1968 (বয়স 57)
জন্মস্থান সিওয়ানি, ভিওয়ানি জেলা, হরিয়ানা, ভারত
রাজনৈতিক দলের নাম Aam Aadmi Party
শিক্ষা Graduate Professional
পেশা সমাজকর্মী, রাজনীতিবিদ
পিতৃ পরিচয় গোবিন্দ রাম কেজরিওয়াল
মাতৃ পরিচয় গীতা দেবী
জীবনসঙ্গীর নাম সুনিতা কেজরিওয়াল
জীবনসঙ্গীর পেশা আইআরএস আধিকারিক
সন্তান 1 পুত্র 1 কন্যা
ধর্ম হিন্দু
ওয়েবসাইট http://aamaadmiparty.org/

অরবিন্দ কেজরিওয়াল মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
₹4.24 CRORE
সম্পদ
₹4.24 CRORE
দায়বদ্ধতা
N/A

অরবিন্দ কেজরিওয়াল সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

অতি সাধারণ জীবনযাত্রা পছন্দ করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তিনি নিরামিষাসী। তিনি মেধাবী এবং পড়াশোনায় ভাল হওয়ার পাশাপাশি বলিউড তারকা আমির খানের বড় ভক্ত।তিনি কমেডি ছবি দেখতেও পছন্দ করেন। নিজের কাজ নিজে করতেই ভালবাসেন কেজরিওয়াল। এমনকি কর্মক্ষেত্রেও পিয়নকে দিয়ে কাজ না করিয়ে নিজের ডেস্ক নিজেই পরিষ্কার করেন। নিজের এবং তাঁর সন্তানদের জন্মদিনও পালন করেন না কেজরিওয়াল।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 2015 : তাঁর নেতৃত্বে ২০১৫ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে দুরন্ত জয় পায় আম আদমি পার্টি এবং ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
  • 2014 : ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী কেন্দ্র থেকে তিনি বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তবে প্রায় ৩,৭০,০০০ ভাটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন।
  • 2013 : কেজরিওয়ালের আপ পার্টি প্রথমবার ২০১৩ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেয়। এই নির্বাচনে ৭০টি আসনের মধ্যে ২৮টি আসন জিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে আসে। তবে কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জাতীয় কংগ্রেসের শর্তসাপেক্ষ সমর্থনে আপ সংখ্যালঘু সরকার গড়ে। ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন কেজরিওয়াল। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মাত্র ৪৯দিন ক্ষমতায় ছিলেন কেজরিওয়াল, তিনি ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেন।
  • 2012 : অরবিন্দ কেজরিওয়াল আম আদমি পার্টির প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি ভারতীয় রাজনৈতিক দল, যার অনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল ২০১২ সালের ২ নভেম্বর। ২০১১ সালে জন লোকপাল বিলের দাবিতে ইন্ডিয়া এগেইনস্ট করাপশন আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, কিন্তু জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে মত বিরোধ দেখা দেয় সমাজকর্মী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও আন্না হাজারের মধ্যে, যার থেকেই এই রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি। হাজারে এই আন্দোলনকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিলেন, অন্যদিকে কেজরিওয়াল মনে করেছিলেন আন্দোলনকে সফল করতে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন।

আগের ইতিহাস

  • 2012: তিনি স্বরাজ নামে একটি বই প্রকাশ করেন যেখানে দুর্নীতি এবং ভারতের গণতন্ত্র নিয়ে তাঁর চিন্তাধারা প্রকাশ করেন ও আলোচনা করেন।
  • 2006: তিনি আয়কর দফতরের জয়েন্ট কমিশনারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং পুরস্কার অর্থের সাহায্যে তহবিল গড়ে তোলেন, তিনি পাবলিক কস রিসার্চ ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।
  • 1999: কেজরিওয়াল বিদ্যুৎ, আয়কর ও খাদ্য রেশন সম্পর্কিত বিষয়ে নাগরিকদের সাহায্য করার জন্য পরিবর্তন নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।
  • 1995: ১৯৯৩ সালে তাঁর ব্যাচমেট আইআরএস আধিকারিক সুনিতাকে বিয়ে করেন।
  • 1993: তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসে যোগ দেন।
  • 1989: ১৯৮৯ সালে খড়গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিলিয়ারিং-এ স্নাতক হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল এর সাফল্য

২০০৪: অশোকা ফেলো, সিভিক এনগেজমেন্ট
২০০৫: সত্যেন্দ্র কে দুবে স্মৃতি পুরস্কার, প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনতে তাঁর উদ্যোগের জন্য পেয়েছিলেন আইআইটি কানপুর থেকে
২০০৬: উদীয়মান নেতৃত্বের জন্য রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার
২০০৬: সিএনএন-আইবিএন পাবলিক সার্ভিসে বছরের সেরা ভারতীয়
২০০৯: বিশিষ্ট প্রাক্তনী সম্মান, বিশেষ নেতৃত্বের জন্য আইআইটি খড়গপুর থেকে
২০০৯: অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্ডিয়াস ডেভলপমেন্ট কর্তৃক অনুদান এবং ফেলোশিপ প্রদান
২০১০: পলিসি চেঞ্জ এজেন্ট অব দ্য ইয়ার, ইকোনমিক টাইমস

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+