কল্বকুন্তলা চন্দ্রশেখর রাও ( কেসিআর) হলেন তেলেঙ্গানা রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। অন্ধ্রপ্রদেশের থেকে তেলেঙ্গানা রাজ্য পৃথক হওয়ার পর তিনি ক্ষমতায় আসেন। তিনি আঞ্চলিক দল তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির নেতা এবং সভাপতি। সিদ্দিপেট জেলার গাজওয়েল আসনের বিধায়ক তিনি। পূর্বে তিনি সিদ্দিপেট থেকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিধায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, পাশাপাশি মেহেবুবনগর, করিমনগর এবং মেদক থেকে সাংসদও হয়েছিলেন।হায়দরাবাদের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্যে এমএ করার পর তিনি যুব কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। সেই সময় কংগ্রেসের অবস্থা ভাল ছিল না, কিন্তু তিনি সঞ্জয় গান্ধীর পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৮৩ সালে কেসিআর টিডিপি-তে যোগ দেন, কিন্তু ২০০১ সালে টিডিপি থেকে পদত্যাগ করেন এবং পৃথক রাজ্যের দাবি তোলা জনতার পাশে দাঁড়ান। তিনি মনে করতেন পৃথক রাজ্যই একমাত্র সমাধান। ২০০১ সালে তিনি তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) পার্টি গড়ে তোলেন। ২০০৬ সালের অগাস্ট মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন এবং তেলেঙ্গানা রাজ্যের দাবিতে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন আন্দোলনে বসেন। ২০০৯ সালের ২৯ নভেম্বর একই দাবিতে ফের অনশন শুরু করেন কেসিআর, ভারত সরকার পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণার পর ২০০৯ সালের ৯ ডিসেম্বর অনশন আন্দোলন প্রত্যাহার করেন তিনি।
| পুরো নাম | কল্বকুন্তলা চন্দ্রশেখর রাও |
| জন্ম-তারিখ | 17 Feb 1954 (বয়স 72) |
| জন্মস্থান | সিদ্দিপেট, তেলেঙ্গানা |
| রাজনৈতিক দলের নাম | Bharat Rashtra Samithi |
| শিক্ষা | Graduate |
| পেশা | রাজনীতিবিদ |
| পিতৃ পরিচয় | রাঘবর রাও |
| মাতৃ পরিচয় | ভেঙ্কটাম্মা |
| জীবনসঙ্গীর নাম | শোভা |
| সন্তান | 1 পুত্র 1 কন্যা |
| ধর্ম | হিন্দু |
Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.