• search
হোম
 » 
রাজনীতিকরা
 » 
বি এস ইয়েদুরাপ্পা

বি এস ইয়েদুরাপ্পা

জীবনি

কর্ণাটকের রাজনীতিতে বিজেপিকে প্রাসঙ্গিক করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বি.এস ইয়েদুরাপ্পা। ২০০৮ সালের আগে তিনি সাতবার শিখরপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন, সেই সময় কর্ণাটকের রাজনীতিতে বিজেপি কেবলমাত্র উপস্থিত ছিল, কোনও নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর কর্ণাটকে বিজেপির ভাগ্য পরিবর্তন হয়, ইয়েদুরাপ্পার নেতৃত্বে রাজ্যে ঐতিহাসিক জয় পায় বিজেপি আর ২০০৮ সালের ৩০ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তিনি। ২০০৭ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ধরম সিং-এর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার থেকে বেরিয়ে আসেন জনতা দল (সেকুলার)-এক নেতা এইচ.ডি.কুমারস্বামী, যাতে মদত জুগিয়ে ছিলেন ইয়েদুরাপ্পা – এরপর বিজেপির সঙ্গে বিকল্প সরকার গঠন করেন কুমারস্বামী। জেডি(এস) এবং বিজেপির মধ্যে একটি চুক্তি হয়, যাতে উল্লেখ করা হয় যে প্রথম ২০ মাস মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন কুমারস্বামী, তারপর অবশিষ্ট ২০ মাস মুখ্যমন্ত্রী হবেন ইয়েদুরাপ্পা। কুমারস্বামীর সরকারে উপমুখ্যমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী হন ইয়েদুরাপ্পা। কিন্তু কুমারস্বামী তাঁর কথা না রাখায় কর্ণাটকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের একবার সমঝোতার পথ খুঁজে বার করা হয়, এবং ২০০৭ সালের ১২ নভেম্বর প্রথমবারের মত মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ইয়েদুরাপ্পা। যদিও এই জোট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি, মন্ত্রীত্বের ভাগ নিয়ে দুই তরফের মধ্যে বিবাদের কারণে চুক্তি ভেঙে যায়, যার ফল হিসাবে ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর মুখমন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ করেন ইয়েদুরাপ্পা। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীত্ব নিয়ে দড়ি টানাটানির পর তাঁর বিরুদ্ধে আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, ব্যাঙ্গালোর এবং শিমোগায় অবৈধভাবে জমি দখল ও ফায়দা তোলার অভিযোগ আনা হয় ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে। এই নিয়ে দলীয় সদস্যদের চাপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে, তিনি দল থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে দলের সঙ্গে সমঝোতা করেন, ২০১৮ সালে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ১০৪টি আসন দখল করে এবং তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন ইয়েদুরাপ্পা। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য বাকি সমর্থন জোগাড় করতে না পারায় শপথগ্রহণের দুদিন পরই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ইয়েদুরাপ্পা।

ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম বি এস ইয়েদুরাপ্পা
জন্ম-তারিখ 27 Feb 1943 (বয়স 76)
জন্মস্থান মাণ্ড্য, কর্ণাটক
রাজনৈতিক দলের নাম Bharatiya Janta Party
শিক্ষা 12th Pass
পেশা কৃষিবিদ, শিক্ষাবিদ
পিতৃ পরিচয় প্রয়াত শ্রী সিদ্দালিঙ্গাপ্পা
মাতৃ পরিচয় প্রয়াত শ্রীমতী পুতাতায়াম্মা
জীবনসঙ্গীর নাম প্রয়াত শ্রীমতী মিতেরা দেবী
পুত্র সন্তান 2
কন্যা সন্তান 3

যোগাযোগ

স্থায়ী ঠিকানা নম্বর ৩৮১,
বর্তমান ঠিকানা ৩, সাউথ অ্যাভিনিউ লেন, নতুন দিল্লি-১১০০২১
যোগাযোগ নম্বর 08187-22277/222286
ইমেল info@yeddyurappa.in
সোশ্যাল মিডিয়া

আকর্ষণীয় তথ্য

২০০৯ সালে পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচনে তাঁর ছেলে রাঘবেন্দ্র ইয়েদুরাপ্পা শিমোগা আসন থেকে জয়ী হন। ২০১৪ সালে একই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইয়েদুরাপ্পা।

রাজনৈতিিক টাইম-লাইন

  • 2018
    তৃতীয়বারের জন্য কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। যদিও শপথ নেওয়ার পর আস্থাভোটের জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন যোগার করতে না পারার কারণে মাত্র দুই দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ।
  • 2014
    শিমোগা কেন্দ্র থেকে ষোড়শ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন, পান মোট ৬,০৬,২১৬ ভোট।
  • 2008
    সপ্তমবারের জন্য শিখরপুর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন, পরাজিত করেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বঙ্গারপ্পাকে ৪৫,০০০ ভোটের ব্যবধানে।
  • 2008
    কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
  • 2007
    কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন, যদিও ২ সপ্তাহ পর পদত্যাগ করেন।
  • 2004
    ষষ্ঠবারের জন্য বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী, কংগ্রেসের শেখরাপ্পাকে পরাজিত করেন ১৯,৭৬০ ভোটের ব্যবধানে।
  • 1994
    পঞ্চমবারের জন্য বিধানসভায় পুনর্নির্বাচিত, ফের পরাজিত করেন নাগরাজ মহাদেবাপ্পাকে, পান মোট ভোটের ৫০.১৩%।যদিও ১৯৯৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন কংগ্রেসের মহালিঙ্গাপ্পার কাছে।
  • 1989
    তৃতীয়বারের জন্য বিধানসভায় নির্বাচিত, এবার পরাজিত করেন কংগ্রেসের নাগরাজ মহাদেবাপ্পাকে, ভোট পান ৪১.৪২%।
  • 1985
    দ্বিতীয়বারের জন্য বিধানসভায় পুনর্নির্বাচিত, ৫৩.৫২% ভোট পেয়ে পরাজিত করেন এম পাতিলকে।
  • 1983
    শিখরপুর আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন, মোট ৬৪.২০% ভোটে পেয়ে পরাজিত করেন কংগ্রেসের ভেঙ্কেটপ্পাকে।
মোট সম্পদ মূল্য6.92 CRORE
সম্পদ6.97 CRORE
দায়বদ্ধতা5 LAKHS

Disclaimer: The information relating to the candidate is an archive based on the self-declared affidavit filed at the time of elections. The current status may be different. For the latest on the candidate kindly refer to the affidavit filed by the candidate with the Election Commission of India in the recent election.

সোশ্যাল

চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more