• search
হোম
 » 
রাজনীতিকরা
 » 
সেলভি জে জয়ললিতা

সেলভি জে জয়ললিতা

জীবনি

অভিনয়ের জগত থেকে রাজনীতিতে এসেছিলেন জয়ললিতা, তিনি তামিলনাড়ুর (টিএন) ছয়বারের মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৬১ সালে কন্নড় ছবি 'শ্রী শৈল মহাত্মে'তে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে নিজের ফিল্ম কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ১৯৬৫ সালে সি.ভি.শ্রীধরের 'ভেনিরা আদাই' দিয়ে তামিল ছবির জগতে ডেবিউ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি এম.জি. রামচন্দ্রের (এমজিআর) সঙ্গে ২৮টি এবং শিবাজি গণেশনের সঙ্গে ১৭টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের জন্য একাধিক পুরস্কারও জিতেছিলেন জয়ললিতা। এমজিআর প্রতিষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গম পার্টিতে যোগ দিয়ে নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সালে মৃত্যু হয় এমজিআরের, আর ১৯৮৯ সালে এআইএডিএমকে দলের প্রধান হয়ে ওঠেন জয়ললিতা, আর ১৯৯১ সালে তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় বসেন তিনি। জয়ললিতাই তামিলনাড়ুর প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যিনি পুরো মেয়াদ সম্পূর্ণ করেছিলেন। তিনি ছয়বার মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন, হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন জয়ললিতা এবং তাঁকে জেলেও যেতে হয়। ৭৫ দিনেরও বেশি হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় জয়ললিতার, এবং তাঁর মৃত্যু ঘিরেও বিতর্ক দানা বাঁধে।

ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম সেলভি জে জয়ললিতা
জন্ম-তারিখ 24 Feb 1948
প্রয়াণের দিন 05 Dec 2016 (বয়স 68)
জন্মস্থান মেলুকোট, মণ্ডিয়া জেলা, মাইসোর, কর্ণাটক
রাজনৈতিক দলের নাম All India Anna Dravida Munnetra Kazhagam
শিক্ষা 10th Pass
পেশা অভিনেত্রী, রাজনীতিবিদ, লেখক, নৃত্য়শিল্পী
পিতৃ পরিচয় জয়রাম
মাতৃ পরিচয় বেদবল্লী

যোগাযোগ

স্থায়ী ঠিকানা ভেদ নিলায়ম, ৮১ পয়েস গার্ডেন, চেন্নাই - ৬০০০৮৬
বর্তমান ঠিকানা ভেদ নিলায়ম, ৮১ পয়েস গার্ডেন, চেন্নাই - ৬০০০৮৬
যোগাযোগ নম্বর 044-24992121
ইমেল jayalalithaa1948@gmail.com

আকর্ষণীয় তথ্য

চেন্নাইয়ের চার্চ পার্ক কনভেন্ট থেকে ম্যাট্রিকুলেশন সম্পন্ন করার পর জয়ললিতা চলচ্চিত্রকেই নিজের কেরিয়ার হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন, যদিও ১৯৬৪ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তিনি। তামিল, তেলেগু, কন্নড়, মালয়ালাম, হিন্দি এবং ইংরেজি মিলিয়ে ১৪০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। জয়ললিতার মাও এক অভিনেত্রী ছিলেন এবং পর্দায় তাঁর নাম ছিল সন্ধ্যা। রাজ্যসভায় বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখার জন্য পরবর্তীকালে তাঁর প্রশংসা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৯৫ সালে তাঁর পালিত পুত্র সুধাকরণের বিয়েতে প্রায় তিন কোটি টাকা খরচা করেছিলেন জয়ললিতা।

রাজনৈতিিক টাইম-লাইন

  • 2016
    ষষ্ঠবারের জন্য তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন জয়ললিতা। ধারাবাহিক ভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে তিনি ইতিহাসও তৈরি করেন।
  • 2015
    পঞ্চমবারের জন্য জয়ললিতা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন। তিনি একাধিক জনমুখী প্রকল্প গ্রহণ করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আম্মা মাস্টার হেল্থ চেকআপ প্ল্যান, আম্মা আরোগ্য প্ল্যান, বয়স্ক নাগরিকদের জন্য বিনা পয়সায় বাস যাত্রা প্রকল্প। ২০১৫ সালে তিনি গ্লোবাল ইনভেস্টর সামিটের আয়োজন করেন।
  • 2011
    ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করে এআইএডিএমকে। চতুর্থবারের জন্য ফের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন জয়ললিতা।
  • 2011
    ২০১১ সালের ডিসেম্বরে আম্মা তাঁর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শশিকলা নটরাজন ও আরও ১৩ জনকে এআইএডিএমকে থেকে বহিষ্কার করেন।
  • 2003
    ২০০৩ সালের মার্চ মাসে তৃতীয়বারের জন্য ফের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন জয়ললিতা। ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে সুনামির আঘাতে বিধ্বস্ত হয় তামিলনাড়ু, তিনি পরিস্থিতি যেভাবে সামলান তাতে গোটা বিশ্ব জয়ললিতার প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করে।
  • 2001
    দ্বিতীয়বারের জন্য তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হন জয়ললিতা। পরে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে ক্ষমতা থেকে সরতে হয় তাঁকে।তিনি মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারের দায়িত্ব দিয়ে যান বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ ও.পনিরসেলভমকে।
  • 1998
    প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের অংশ হয়েছিল এআইএডিএমকে। কিন্তু এক বছর পরেই সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন জয়ললিতা যার ফলে সাধারণ নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
  • 1996
    কালার টিভি কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হন জয়ললিতা এবং তিনি ৩০দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন। ২০০০ সালের ৩০ মে এই মামলা থেকে অব্যাহতি পান জয়ললিতা।
  • 1991
    তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয় এআইএডিএমকে – কংগ্রেস জোট আর মুখ্যমন্ত্রী হন জয়ললিতা।
  • 1989
    বোদিন্যাকুণু কেন্দ্র থেকে ভোটে জিতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় প্রবেশ করেন জয়ললিতা। পরবর্তী সময়ে এআইএডিএমকের অপর অংশ জয়ললিতার দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় এবং জয়ললিতাকে তাঁদের অবিসংবাদিত নেত্রী হিসাবে নির্বাচন করা হয়।
  • 1987
    এমজি রামচন্দ্রনের মৃত্যুর পর এআইএডিএমকে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, একদিকে ছিলন রামচন্দ্রনের বিধবা জানকী রামচন্দ্রনের সমর্থকরা, এরা পরিচিত ছিলেন এআইএডিএমক(জা) হিসাবে, অন্যদিকে জয়ললিতার সমর্থকরা পরিচিত ছিলেন এআইএডিএমকে (জ) হিসাবে।জানকী মুখ্যমন্ত্রী হন এবং দল ছাড়েন জয়ললিতা। এই সময় পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন জয়ললিতা।
  • 1984
    রাজ্যভার সদস্য নির্বাচিত হন জয়ললিতা। ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন তিনি। ১৯৮৪ সালে সাধারণ নির্বাচনের সময় তিনি প্রচারে নেতৃত্ব দেন, এই নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল এডিএমকে।
  • 1983
    জয়ললিতা অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কড়গমের (এআইএডিএমকে)প্রচার সম্পাদক হন।
  • 1982
    এআইএডিএমকের সদস্য হিসাবে রাজনীতিতে যোগ দেন জয়ললিতা। জনসমক্ষে তাঁর প্রথম বক্তৃতা 'পেনিন পেরুমাই' নামে বিখ্যাত।

আগের ইতিহাস

  • 1965
    তামিল সিনেমায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে ভেনিরা আদাই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের মধ্যে দিয়ে।
  • 1964
    কন্নড় ছবি চিন্নাদা গোম্বে-তে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে নায়িকা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।
  • 1962
    হিন্দি ছবি মনমৌজি-তে 'কৃষ্ণ' –র ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিতে মাত্র তিন মিনিটের উপস্থিতি ছিল তাঁর।
  • 1961
    শিশুশিল্পী হিসাবে কন্নড় ছবি শ্রী শৈল মহাত্মে-তে অভিনয় করেন জয়া।
  • 1960
    ১৯৬০ সালে তিনি 'টি হাউস অব দ্য আগস্ট মুন' নাটকে অভিনয় করেন এবং ১৯৬৪ সালে তাঁকে দেখা যায় ' আন্ডারসেক্রেটারি'-তে। পরবর্তী সময়ে তিনি মালথী, দ্য হোল ট্রুথ এবং কাভেরি থান্ডা কালাইসেলভি নাটকে অভিনয় করেছিলেন।
মোট সম্পদ মূল্য111.69 CRORE
সম্পদ113.73 CRORE
দায়বদ্ধতা2.04 CRORE

Disclaimer: The information relating to the candidate is an archive based on the self-declared affidavit filed at the time of elections. The current status may be different. For the latest on the candidate kindly refer to the affidavit filed by the candidate with the Election Commission of India in the recent election.

সোশ্যাল

চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more