Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

এম.জে.আকবর

এম.জে.আকবর
বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং লেখক এম জে আকবর রাজনীতিতে প্রথমবার পা রাখেন ১৯৮৯ সালে। তবে রাজনীতির আঙ্গিনায় আসার আগে দেশের বিভন্ন প্রথম সারির সাংবাদপত্রে সম্পাদক হিসাবে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেন, যা তাঁকে রাজনীতির ময়দানে বিশেষ সম্মান পেতে সাহায্য করেছে। ১৯৭১ সালে টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় শিক্ষানবিশ সাংবাদিক হিসাবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন আকবর, তবে নিজের স্বতন্ত্র লেখা/ সাংবাদিকতা দিয়ে সকলের নজর কাড়েন তিনি, এবং কেরিয়ারে দ্রুত উন্নতি করেন। এরপর তিনি মিডিয়া ক্ষেত্রে নিজে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, সেই অনুযায়ী উদ্যোগও গ্রহণ করেন, পরবর্তী সময়ে যা ভারতের মিডিয়া এজেন্সিগুলির অন্যতম হয়ে ওঠে। আকবরের মস্তিষ্ক প্রসূত এশিয়ান এজ ভারতের প্রথম মিডিয়া হাউস যেখানে আন্তর্জাতিক খবরগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত। খুব দ্রুত এটি বিশ্বের সেরা নিউজ এজেন্সিগুলির মধ্যে জায়গা করে নয়ে, ভারত ছাড়াও বিদেশে স্থাপিত হয় এর দফতর। ১৯৮৯ সালে কিসানগঞ্জের সাংসদ হিসাবে রাজনীতিতে প্রবেশ আকবরের। যদিও পরবর্তী নির্বাচনে তিনি হেরে যান এবং রাজনীতিকে সাময়িক বিদায় জানিয়ে ফের ফিরে যান সাংবাদিকতার জগতে। ২০০৯ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়ে ফের একবার রাজনীতিতে ফিরে আসেন, ২০১৬ সালেও তিনি ফের রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন, কিন্তু আকবরের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো, রাগ, নারীবিদ্বেষ, অপব্যবহার এবং কার্যক্ষেত্রে মহিলাদের হয়রানির অভিযোগ ওঠায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। অতীতে বিভিন্ন সংবাদপত্রে সম্পাদক হিসাবে কাজ করার সময় তিনি মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিভিন্ন মহিলা সাংবাদিক। মি টু আন্দোলনে তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন ২০ জন মহিলা।. .
By Anushree | Thursday, May 30, 2019, 02:00:57 PM [IST]

এম.জে.আকবর জীবনি

বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং লেখক এম জে আকবর রাজনীতিতে প্রথমবার পা রাখেন ১৯৮৯ সালে। তবে রাজনীতির আঙ্গিনায় আসার আগে দেশের বিভন্ন প্রথম সারির সাংবাদপত্রে সম্পাদক হিসাবে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেন, যা তাঁকে রাজনীতির ময়দানে বিশেষ সম্মান পেতে সাহায্য করেছে। ১৯৭১ সালে টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় শিক্ষানবিশ সাংবাদিক হিসাবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন আকবর, তবে নিজের স্বতন্ত্র লেখা/ সাংবাদিকতা দিয়ে সকলের নজর কাড়েন তিনি, এবং কেরিয়ারে দ্রুত উন্নতি করেন। এরপর তিনি মিডিয়া ক্ষেত্রে নিজে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন, সেই অনুযায়ী উদ্যোগও গ্রহণ করেন, পরবর্তী সময়ে যা ভারতের মিডিয়া এজেন্সিগুলির অন্যতম হয়ে ওঠে। আকবরের মস্তিষ্ক প্রসূত এশিয়ান এজ ভারতের প্রথম মিডিয়া হাউস যেখানে আন্তর্জাতিক খবরগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত। খুব দ্রুত এটি বিশ্বের সেরা নিউজ এজেন্সিগুলির মধ্যে জায়গা করে নয়ে, ভারত ছাড়াও বিদেশে স্থাপিত হয় এর দফতর। ১৯৮৯ সালে কিসানগঞ্জের সাংসদ হিসাবে রাজনীতিতে প্রবেশ আকবরের। যদিও পরবর্তী নির্বাচনে তিনি হেরে যান এবং রাজনীতিকে সাময়িক বিদায় জানিয়ে ফের ফিরে যান সাংবাদিকতার জগতে। ২০০৯ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়ে ফের একবার রাজনীতিতে ফিরে আসেন, ২০১৬ সালেও তিনি ফের রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন, কিন্তু আকবরের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো, রাগ, নারীবিদ্বেষ, অপব্যবহার এবং কার্যক্ষেত্রে মহিলাদের হয়রানির অভিযোগ ওঠায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। অতীতে বিভিন্ন সংবাদপত্রে সম্পাদক হিসাবে কাজ করার সময় তিনি মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিভিন্ন মহিলা সাংবাদিক। মি টু আন্দোলনে তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন ২০ জন মহিলা।

আরও পড়ুন

এম.জে.আকবর ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম এম.জে.আকবর
জন্ম-তারিখ 11 Jan 1959 (বয়স 67)
জন্মস্থান তেলেনিপাড়া, জেলা - হুগলি (পশ্চিমবঙ্গ)
রাজনৈতিক দলের নাম Bharatiya Janta Party
শিক্ষা
পেশা লেখক এবং সাংবাদিক; এখন জন সেবায় নিয়োজিত
পিতৃ পরিচয় শ্রী শেখ আকবর আলী
মাতৃ পরিচয় শ্রীমতী ইমতিয়াজ আকবর
জীবনসঙ্গীর নাম শ্রীমতী মল্লিকা আকবর
জীবনসঙ্গীর পেশা সাংবাদিক
সন্তান 1 পুত্র 1 কন্যা

এম.জে.আকবর মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
N/A
সম্পদ
N/A
দায়বদ্ধতা
N/A

এম.জে.আকবর সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন সাংবাদিক প্রিয়া রমানি, আকবরের বিরুদ্ধে একই ধরণের অভিযোগ করেন ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সাংবাদিক রুথ ডেভিড, সিএনএন-এর সাংবাদিক মজলিস ডে পুই ক্যাম্প, সাংবাদিক এবং লেখিকা গাজালা ওয়াহাব, সাংবাদিক সুতপা পল এবং সাংবাদিক সুপর্ণা শর্মা ছাড়াও আরও অনেকে। অন্যদিকে তাঁর নামে অপবাদ দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক প্রিয়া রমানির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন আকবর।

এম.জে.আকবর রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 2016 : পরারষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী।
  • 2016 : মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় পুনরায় নির্বাচিত হন।
  • 2016 : পিটিশন কমিটির সদস্য হন।
  • 2016 : শত্রু সম্পতি (সংশোধনী এবং বৈধতা) বিল নিয়ে রাজ্যসভার সিলেক্ট কমিটির সদস্য।
  • 2015 : মার্চ মাসে কয়লা এবং ইস্পাত কমিটির সদস্য হন।
  • 2015 : ঝাড়খণ্ড থেকে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচত হন। (পদত্যাগ করেন ২০১৬ সালের ১৭ জুন)।
  • 1991 : মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের উপদেষ্টা হন। পরবর্তী সময়ে রাজনীতি থেকে বিরতি নিয়ে ফের সাংবাদিকতার জগতে ফিরে যান।
  • 1989 : নবম লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রথমবার জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে বিহারের কিসানগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন।পরাজিত করেন আসরারুল হককে ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে। তবে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে পরাজিত হন আকবর।

আগের ইতিহাস

  • 2002: ইন্ডিয়া টুডের এডিটোরিয়াল ডিরেক্টর
  • 1994: দ্য এশিয়ান এজের সম্পাদক
  • 1982: দ্য টেলিগ্রাফের সম্পাদক
  • 1973: অনলুকারের সম্পাদক
  • 1971: টাইমস অব ইন্ডিয়ায় শিক্ষানবিশ সাংবাদিক

এম.জে.আকবর এর সাফল্য

আকবর একাধিক বই লিখেছেন, যারমধ্যে রয়েছে জওহরলাল নেহেরুর জীবনি, বইয়ের নাম নেহেরু: দ্য মেকিং অফ ইন্ডিয়া, কাশ্মীর নিয়ে লিখেছেন কাশ্মীর বিহাইন্ড দ্য ভেল, রায়ট আফটার রায়ট এবং ইন্ডিয়া: দ্য সিজ উইথইন। এছাড়াও তিনি লিখেছেন দ্য শেড অফ সোর্ডস, আ হিস্ট্রি অফ জিহাদের মত বহু উল্লেখযোগ্য বই।

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+