Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

লালু প্রসাদ যাদব

লালু প্রসাদ যাদব
লালু প্রসাদ যাদব বিহারের একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ। তিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সভাপতি ও বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ইউপিএ সরকারের আমলে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষা চলাকালীন লালু যাদব ছাত্র রাজনীতিতে ঢুকে পড়েন। মাত্র ২৯ বছর বয়সে জনতা পার্টির প্রার্থী হিসাবে তিনি ১৯৭৭ সালের লোকসভার সর্ব কনিষ্ঠ সাংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯৭ সালে দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করেন। ২০১৩ সালে প্রথম মামলায় পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অপরাধে লালু যাদবকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করেছিল সিবিআই আদালত। তৃতীয় মামলাতেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দ্বিতীয় পশুখাদ্য মামলায় ৩. ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি চতুর্থ মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত হন। দুমকা ট্রেজারি থেকে ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় সিবিআই কোর্ট তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। এক্ষেত্রে ১৫ বছরের কারাদণ্ডসহ লালু যাদবকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।.
By Rashmi | Sunday, December 30, 2018, 02:16:11 PM [IST]

লালু প্রসাদ যাদব জীবনি

লালু প্রসাদ যাদব বিহারের একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ। তিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সভাপতি ও বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ইউপিএ সরকারের আমলে রেলমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষা চলাকালীন লালু যাদব ছাত্র রাজনীতিতে ঢুকে পড়েন। মাত্র ২৯ বছর বয়সে জনতা পার্টির প্রার্থী হিসাবে তিনি ১৯৭৭ সালের লোকসভার সর্ব কনিষ্ঠ সাংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯৭ সালে দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করেন। ২০১৩ সালে প্রথম মামলায় পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অপরাধে লালু যাদবকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করেছিল সিবিআই আদালত। তৃতীয় মামলাতেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দ্বিতীয় পশুখাদ্য মামলায় ৩.৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি চতুর্থ মামলাতেও দোষী সাব্যস্ত হন। দুমকা ট্রেজারি থেকে ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় সিবিআই কোর্ট তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। এক্ষেত্রে ১৫ বছরের কারাদণ্ডসহ লালু যাদবকে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন

লালু প্রসাদ যাদব ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম লালু প্রসাদ যাদব
জন্ম-তারিখ 11 Jun 1948 (বয়স 77)
জন্মস্থান ফুলওয়ারিয়া, জেলা-গোপালগঞ্জ
রাজনৈতিক দলের নাম Rashtriya Janata Dal
শিক্ষা Graduate Professional
পেশা সমাজসেবী, আইনজীবী
পিতৃ পরিচয় শ্রী কুন্দন রাই
মাতৃ পরিচয় মারচিয়া দেবী
জীবনসঙ্গীর নাম রাবড়ি দেবী
জীবনসঙ্গীর পেশা রাজনীতিবিদ্
সন্তান 2 পুত্র 7 কন্যা
ধর্ম হিন্দু
ওয়েবসাইট http://rjd.co.in/shri-lalu-prasad-yadav.html

লালু প্রসাদ যাদব মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
₹3.05 CRORE
সম্পদ
₹3.21 CRORE
দায়বদ্ধতা
₹16.27 LAKHS

লালু প্রসাদ যাদব সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি এন কলেজ থেকে এলএলবি এবং মাস্টার্স করার পর লালু যাদব পাটনার বিহার ভেটেরিনারি কলেজে ক্লার্ক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। তাঁর বড় ভাই একই কলেজের পিয়ন ছিলেন। লালু-র মোট ছয় ভাইবোন। লালু ও তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবীর ৯ সন্তান--- দুই ছেলে এবং সাত মেয়ে। ফুটবল, কুস্তি, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টনের মতো ইন্ডোর গেমে তিনি বেশি আগ্রহী। লালু ২০০১ সালে বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি চাপড়া ও পাটনা স্পোর্টস ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯০ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর লালু অযোধ্যার রাম রথযাত্রায় সমস্তিপুরে এল কে আদভানিকে গ্রেফতার করে নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ নেতা হিসেবে তুলে ধরেন।
লালু যাদবের বিরুদ্ধে প্রধান মামলা:
১. ১৯৯৮ সালে লালু এর বেআইনি সম্পত্তির মামলা
২. ২000 ১৯৯৬--- পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি- দেওহারার ট্রেজারি থেকে ২৭ লাখ টাকার ২য় মামলা: ২০১৭ সালে দোষী সাব্যস্ত
৩. ১৯৯৬ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি - চাইবাসার ট্রেজারি থেকে ৩৫.৬২ কোটি টাকার তৃতীয় মামলা: ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত
4. ১৯৯৬ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি - দুমকা ট্রেজারি থেকে ৩.৯৭ কোটি টাকার চতুর্থ মামলা: ২018 সালে দোষী সাব্যস্ত
৬. ১৯৯৬ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি - দোরান্দা ট্রেজারি থেকে ১৮৪ কোটি টাকার ৫ম মামলা: আদালতে মুলতুবি
৬. ২০০৫ ইন্ডিয়ান রেলওয়ের টেন্ডার কেলেঙ্কারি: লালু পরিবার সিবিআইয়ের নজরদারিতে
৭. ২০১৭ বেনামী সম্পত্তি, ৪৫ কোটি টাকা অপর্যাপ্ত সম্পদ ও কর ফাঁকির মামলা: লালুর পরিবারের বিরুদ্ধে ইডির মামলা।
৮. ২০১৭-য় এবি রপ্তানি থেকে ৪০ কোটি টাকা বেনামী সম্পদ ও কর ফাঁকির মামলা: লালুর পরিবারের বিরুদ্ধে ইডির মামলা।
৯. ২০১৭ সালের পাটনা চিড়িয়াখানায় মাটি কেলেঙ্কারি

লালু প্রসাদ যাদব রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 2017: লালুর পরিবারের বিরুদ্ধে এবি এক্সপোর্টে ৪০ কোটি টাকা বেনামি অপর্যাপ্ত সম্পত্তি ও কর ফাঁকির অভিযোগে মামলা করে ইডি।
  • 2017: লালু প্রসাদ যাদব ও তার দুই পুত্র তেজ প্রতাপ যাদব ও তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে পাটনা চিড়িয়াখানার মাটি কেলেঙ্কারি সামনে এসেছিল। তেজ প্রাতাপের সাগনা মর মলের বেসমেন্ট নির্মাণ থেকে বেআইনিভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
  • 2015: বিহারে মোট ৮১ টি আসন নিয়ে লালু যাদবের আরজেডি বিহারে সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দল হয়ে উঠেছিল। তাঁর দল বিহারে জেডিইউর সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন নীতিশ কুমার। কিন্তু ২০১৭ সালের জুলাই মাসে এই জোট ভেঙে যায়।
  • 2014: ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে লালু যাদব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। তবে দলের প্রার্থীদের হয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালান। তারপরেও দল মাত্র ৪টি আসনে জিতেছে।
  • 2013: লোকসভার সদস্যপদ থেকে লালু যাদবকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
  • 2009: সরণ ও পাটলিপুত্রের লোকসভা নির্বাচনে লালু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৫ তম লোকসভায় (৫ ম মেয়াদ) পুনর্নির্বাচিত হন সরণ থেকে। আবারও পরাজিত করেন রাজীব প্রতাপ রুডিকে । তবে পাটলিপুত্র কেন্দ্রে লালু পরাজিত হন অধ্যাপক রঞ্জন প্রসাদ যাদবের কাছে। এরপরেই তিনি লোকসভায় রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা নির্বাচিত হন। ৩ আগস্ট ২০০৯-এ তিনি লোকসভার আইন ও বিচার বিভাগের সদস্য নির্বাচিত হন।
  • 2004: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে অন্তর্ভুক্তির পর তিনি রেলমন্ত্রী হন। ২৩ মে ২০০৪ থেকে ২২ মে ২০০৯ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। রেলমন্ত্রী হিসেবে লালুকে সবচেয়ে স্মরণীয় কাজ গরিব রথ ট্রেন ও চা-পানের জন্য স্টেশনে কুলহদ নির্মাণ।
  • 2004: ১৪ তম লোকসভা (চতুর্থ মেয়াদ) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন লালু। বিজেপি প্রার্থী রাজীব প্রতাপ রুডিকে পরাজিত করে। তিনি লোকসভায় রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা নির্বাচিত হন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত জেনারেল কমিটির সদস্য ছিলেন।
  • 2002: রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়ে লালু ২০০৪ সাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে ছিলেন। রাজ্যসভায় থাকাকালীন তিনি সাধারণ উদ্দেশ্য সাধন কমিটির সদস্য, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা, পরামর্শক কমিটির সদস্য, ব্যবসায়ী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রকের সদস্য, এবং স্বরাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য পদে ছিলেন।
  • 2000: লালু আবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন (চতুর্থ মেয়াদ)।
  • 1999: ১৯৯৯ সালে শরদ যাদবের কাছে তিনি লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হন।
  • 1998: মাধেপুর থেকে ১২ তম লোকসভা (তৃতীয় মেয়াদ) নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। তিনি ১ বছরের জন্য লোকসভার সদস্য, স্বরাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য সাব-কমিটি স্বতন্ত্রতা সৈনিক সম্মান পেনশন স্কিমের সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সদস্য হিসাবে কাজ করেন।
  • 1997: ৫ জুলাই ১৯৯৭ সালে লালু যাদব নিজস্ব দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল গঠন করেন। ২০০৮ সালে, আরজেডি জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পায়। কিন্তু ২০১০ সালে এই স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
  • 1997: পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত লালু যাদব জনতা থেকে বেরিয়ে আসেন।
  • 1996: তিনি জনতা দলের জাতীয় সভাপতি হয়েছিলেন। ১৯৯৭-এর জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
  • 1995: আবারও জয়লাভ করে বিহার বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচিত হন। তিনি রাঘোপুর ও দিনাপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রাঘোপুরে তিনি ৫৪৬০৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন (প্রার্থী বিষ্ণু রাইকে পরাজিত করেছিলেন), যেখানে দিনাপুরে ২৩৮৬০ ভোটের ব্যবধানে বিজেপির প্রার্থী বিজয় সিং যাদবকে পরাজিত করেন।
  • 1990: তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বিহার বিধানসভার বিধায়ক ছিলেন। লালু ১৯৯০ থেকে ১৯৯৭-এর জুলাই পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1989: নবম লোকসভা নির্বাচনে (দ্বিতীয় মেয়াদ) তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। তিনি জনতা পার্টির টিকিটে জেএনপি (জেপি) এর তাজীব রঞ্জন সিংকে পরাজিত করেন।
  • 1989: বিহার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, লাইব্রেরি কমিটির চেয়ারম্যান এবং পাবলিক আন্ডারটেকিং কমিটির আহ্বায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • 1985: পাঁচ বছরে লালুর ভোটের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫.৫৬%। এবং তিনি আবার সোনপুর আসন থেকে জয়ী হন। এবারে তিনি কংগ্রেসের রাজ নারায়ণ সিংকে পরাজিত করেছিলেন।
  • 1980: সোনপুর আসন থেকে বিহার বিধানসভার বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। তিনি ৯১৬৭ ভোটে আইএনএ প্রার্থী জওহর প্রসাদ সিংকে পরাজিত করেন। লালু এর ভোটের 48.18% ছিল।
  • 1977: ২৯ বছর বয়সে সবচেয়ে ছোট সাংসদ হিসেবে ছাপরা নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে ষষ্ঠ লোকসভায় সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি কংগ্রেসের রামশেখর প্রসাদ সিংকে পরাজিত করেন।
  • 1974: প্রথমে তিনি জয় প্রকাশ নারায়ণের বিহার আন্দোলনে যোগ দেন। শীঘ্রই তিনি জনতা পার্টিতে যোগ দেন।
  • 1973: তিনি পাটনা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (পিইউএসইউ) এর সভাপতি হন।
  • 1970: পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে লালু যাদব রাজনীতিতে প্রথম যোগ দেন।

লালু প্রসাদ যাদব এর সাফল্য

২০০৪ সালে তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধিতে ভূষিত হন। বিশ্বব্যাংক ১৯৯০ সালে অর্থনৈতিক কাজের জন্য তাঁর দলকে প্রশংসা করে।

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+