এল.কে.আডবাণী ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম বরিষ্ঠ নেতা। মাত্র ১৪ বঠর বয়সে ১৯৪১ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের(আর.এস.এস) স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করেছিলেন আডবাণী।এরপর তিনি করাচি শাখার একজন প্রচারক (পূর্ণসময়ের কর্মী) হয়ে ওঠেন এবং সেখানে আরও কয়েকটি শাখা গড়ে তোলেন। দেশ ভাগের পর আডবানীকে প্রচারক হিসাবে রাজস্থানের মৎস্য-আলওয়ারে পাঠান হয়েছিল, দেশ ভাগের পর এই অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়েছিল। ১৯৫২ সাল পর্যন্ত তিনি আলোয়ার, ভরতপুর, কোটা, বুন্দি এবং ঝালোয়ার জেলার নানা প্রান্তে কাজ করেন।
১৯৫১ সালে আরএসএসের সহযোগিতায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ভারতীয় জন সংঘ নামে একটি রাজনৈতিক দল, যার সদস্য হয়েছিলেন আডবাণী। সংসদীয় বিষয়গুলি দেখভালের জন্য ১৯৫৭ সালে তিনি দিল্লি চলে আসেন। খুব তাড়াতাড়ি তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক হন এবং পরবর্তী সময়ে জন সংঘের দিল্লি শাখার সভাপতি হন।১৯৬৭ সালের নির্বাচনের পর তিনি শহরের মেট্রোপলিটন কাউন্সিলের নেতা হয়েছিলেন। তিনি আরএসএসের সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদনার কাজে সংগঠক কে.আর.মালকানিকে সাহায্য করেন এবং ১৯৬৬ সালে জাতীয় নির্বাহীর সদস্য হন।
১৯৭০ সালে ছয় বছরের মেয়াদে তিনি দিল্লি থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হন। জন সংঘের বিভিন্ন পদে কাজ করার পর ১৯৭৩ সালে তিনি কানপুর অধিবেশনে দলের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি গুজরাট থেকে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরী অবস্থার পর, জন সংঘ এবং আরও বহু বিরোধী দল মিলে জনতা দল গঠন করে। আডবাণী এবং তাঁর সহকর্মী অটল বিহারী বাজপেয়ী ১৯৭৭ সালে লোকসভা নির্বাচনে জনতা দলের সদস্য হিসাবে লড়াই করেছিলেন। নবগঠিত বিজেপির একজন বিশিষ্ট নেতা হয়ে ওঠেন আডবাণী এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে দুবার রাজ্যসভায় (ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ)দলের প্রতিনিধিত্ব করেন, যার শুরুটা হয়েছিল ১৯৮২ সালে।
| পুরো নাম | লালকৃষ্ণ আডবাণী |
| জন্ম-তারিখ | 08 Nov 1927 (বয়স 98) |
| জন্মস্থান | করাচি |
| রাজনৈতিক দলের নাম | Bharatiya Janata Party |
| শিক্ষা | Graduate Professional |
| পেশা | সাংবাদিক, কূটনীতিক, শ্রমিং সংঘের কর্মী |
| পিতৃ পরিচয় | কে.ডি.আডবাণী |
| মাতৃ পরিচয় | জ্ঞানী দেবী |
| জীবনসঙ্গীর নাম | কমলা আডবাণী |
| সন্তান | 1 পুত্র 1 কন্যা |
| ধর্ম | হিন্দু |
| ওয়েবসাইট | http://lkadvani.in/ |
Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.