Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ইন্দিরা গান্ধী

ইন্দিরা গান্ধী
ইন্দিরা গান্ধী দেশের অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তাঁর নেতৃত্ব যেমন ক্যারিশমেটিক ছিল তেমনি বিতর্কও ইন্দিরা গান্ধীর পিছু ছাড়েনি। ১৯৬৬-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি টানা দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর ১৯৮০ সালে তিনি ফের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন, ১৯৮৪ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত এই দায়িত্ব সামলে গিয়েছেন। তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর কন্যা। ইন্দিরার বেড়ে ওঠা খুব একটা সুখের ছিল না, শিশুবয়সে একাকীত্ব তাঁর সঙ্গী ছিল। খুব অল্প বয়সে মাকে হারান ইন্দিরা, আর স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় দেশের কাজে ব্যস্ত থাকতেন নেহেরু, কারাগারেও কাটাতে হয়েছিল নেহেরুকে। ইন্দিরা তাঁর ছোটবেলার বেশিরভাগ সময়টাই বাড়ির ভৃত্যদের সঙ্গে এবং একাধিক বোর্ডিং স্কুলে কাটিয়েছেন। ১৯৪২ সালে ফিরোজ গান্ধীকে বিয়ে করেন ইন্দিরা। জওহরলাল নেহেরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বাবার সহযোগী হিসাবে দেশের কাজ করেছেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। নেহেরুর মৃত্যুর পর লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় ইন্দিরা গান্ধী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।

দলের সমর্থনে ১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ইন্দিরা গান্ধী। অনেকেই ধারণা করেছিলেন ইন্দিরা একজন নমনীয় নেত্রী হবেন, কিন্তু দলের সদস্যদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ সত্বেও তিনি ভারতের ব্যাঙ্কগুলির জাতীয়করণ করে সেই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণিত করেন। দলের মধ্যে ইন্দিরা বিরোধী সুর তৈরি হয় এবং তাঁকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে। যদিও প্রতিবারই তিনি এই বিরোধিতা প্রতিহত করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকেন। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইন্দিরার রাজত্বে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ উঠেছিল যার চরম পরিণতি হিসাবে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল, এর পরিণতিতে একাধিক দল নিয়ে গঠিত জনতা মোর্চার কাছে পরাজিত হতে হয়েছিল ইন্দিরাকে। তিনি সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ১৯৮০ সালে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন এবং পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তবে দ্রুত পদক্ষেপ এবং বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ভুল তাঁর ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যার পরিণতিতে প্রাণ দিতে হয় ইন্দিরাকে। তাঁর অপারেশন ব্লুস্টার অভিযানে শত শত শিখের মৃত্যু হয়েছিল, পাশাপাশি ভোট ব্যাঙ্কের কথা ভেবে হাজার হাজার অভিবাসীকে ভোট প্রদানের অধিকার দেওয়া হয়েছিল, যার পরিণতি ছিল নেলি হত্যাযজ্ঞ, এই বিষয়গুলি তাঁর রাজত্বে সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছিল, তার খেসারত দিতে হয়েছিল শ্রীমতী গান্ধীকে। ১৯৮৪ সালে নিজের দেহরক্ষীরাই ইন্দিরার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়।. .
By Anushree | Thursday, May 30, 2019, 02:00:57 PM [IST]

ইন্দিরা গান্ধী জীবনি

ইন্দিরা গান্ধী দেশের অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তাঁর নেতৃত্ব যেমন ক্যারিশমেটিক ছিল তেমনি বিতর্কও ইন্দিরা গান্ধীর পিছু ছাড়েনি। ১৯৬৬-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি টানা দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর ১৯৮০ সালে তিনি ফের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন, ১৯৮৪ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত এই দায়িত্ব সামলে গিয়েছেন। তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর কন্যা। ইন্দিরার বেড়ে ওঠা খুব একটা সুখের ছিল না, শিশুবয়সে একাকীত্ব তাঁর সঙ্গী ছিল। খুব অল্প বয়সে মাকে হারান ইন্দিরা, আর স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় দেশের কাজে ব্যস্ত থাকতেন নেহেরু, কারাগারেও কাটাতে হয়েছিল নেহেরুকে। ইন্দিরা তাঁর ছোটবেলার বেশিরভাগ সময়টাই বাড়ির ভৃত্যদের সঙ্গে এবং একাধিক বোর্ডিং স্কুলে কাটিয়েছেন। ১৯৪২ সালে ফিরোজ গান্ধীকে বিয়ে করেন ইন্দিরা। জওহরলাল নেহেরু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বাবার সহযোগী হিসাবে দেশের কাজ করেছেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। নেহেরুর মৃত্যুর পর লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মন্ত্রিসভায় ইন্দিরা গান্ধী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।

দলের সমর্থনে ১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন ইন্দিরা গান্ধী। অনেকেই ধারণা করেছিলেন ইন্দিরা একজন নমনীয় নেত্রী হবেন, কিন্তু দলের সদস্যদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ সত্বেও তিনি ভারতের ব্যাঙ্কগুলির জাতীয়করণ করে সেই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণিত করেন। দলের মধ্যে ইন্দিরা বিরোধী সুর তৈরি হয় এবং তাঁকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে। যদিও প্রতিবারই তিনি এই বিরোধিতা প্রতিহত করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকেন। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইন্দিরার রাজত্বে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বৈরাচারী শাসনের অভিযোগ উঠেছিল যার চরম পরিণতি হিসাবে দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল, এর পরিণতিতে একাধিক দল নিয়ে গঠিত জনতা মোর্চার কাছে পরাজিত হতে হয়েছিল ইন্দিরাকে। তিনি সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ১৯৮০ সালে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন এবং পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তবে দ্রুত পদক্ষেপ এবং বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ভুল তাঁর ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, যার পরিণতিতে প্রাণ দিতে হয় ইন্দিরাকে। তাঁর অপারেশন ব্লুস্টার অভিযানে শত শত শিখের মৃত্যু হয়েছিল, পাশাপাশি ভোট ব্যাঙ্কের কথা ভেবে হাজার হাজার অভিবাসীকে ভোট প্রদানের অধিকার দেওয়া হয়েছিল, যার পরিণতি ছিল নেলি হত্যাযজ্ঞ, এই বিষয়গুলি তাঁর রাজত্বে সাধারণ মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছিল, তার খেসারত দিতে হয়েছিল শ্রীমতী গান্ধীকে। ১৯৮৪ সালে নিজের দেহরক্ষীরাই ইন্দিরার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন

ইন্দিরা গান্ধী ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম ইন্দিরা গান্ধী
জন্ম-তারিখ 19 Nov 1919
প্রয়াণের দিন 31 Oct 1984 (বয়স 64)
জন্মস্থান এলাহাবাদ, আগ্রা এবং অবধ যুক্তপ্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত
রাজনৈতিক দলের নাম Indian National Congress
শিক্ষা
পেশা রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী
পিতৃ পরিচয় জওহরলাল নেহেরু
মাতৃ পরিচয় কমলা নেহেরু
জীবনসঙ্গীর নাম ফিরোজ গান্ধী
সন্তান 2 পুত্র

ইন্দিরা গান্ধী মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
N/A
সম্পদ
N/A
দায়বদ্ধতা
N/A

ইন্দিরা গান্ধী সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

শ্রীমতী গান্ধী উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সেচের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি ঘটান এবং দেশে উদ্বৃত্ত শস্য উৎপাদনে সক্ষম হন। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী পরমাণু কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৭৪ সালে মাটির নীচে পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশকে পারমাণবিক শক্তিধর করে তোলেন, ভারত প্রবেশ করে পরমাণু শক্তির এক নতুন অধ্যায়ে।

ইন্দিরা গান্ধী রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 1980 : ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ।
  • 1971 : ১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্ব নেন।
  • 1970 : ১৯৭০ সালের জুন থেকে ১৯৭৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলান।
  • 1969 : ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১৯৭০ সালের ২৬ জুন অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্বে।
  • 1967 : একসঙ্গে পরমাণু শক্তি ও মহাকাশ মন্ত্রকের দায়িত্বে, ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বর – ১৯৭৭ সালের মার্চ; ১৯৭২ সালের জুন – ১৯৭৭ সালের মার্চ; এবং আবার ১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে; পররাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্বে ১৯৬৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৬৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি।
  • 1966 : ভারতের প্রধানমন্ত্রী , ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি – ১৯৭৭ সালের মার্চ এবং পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন ১৯৮০ সালের ১৪ জানুয়ারি; ১৯৬৬-১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান।
  • 1964 : রাজ্যসভার সদস্য এবং ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।
  • 1955 : কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য।

ইন্দিরা গান্ধী এর সাফল্য

ইন্দিরা গান্ধীর কিছু কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকে হতবাক করেছিল, তবে তিনি দেশবাসীর স্বার্থে বহু সেবামূলক কাজ করেছিলেন। তিনি দেশের প্রথম এবং একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী। নিজের শাসন কালে উদ্ভাবনী শক্তি এবং বিকাশের দিকে জোড় দিয়েছিলেন ইন্দিরা। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই দেশে সবুজ বিপ্লব ঘটে, বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির জাতীয়করণ হয়। তাঁর অন্যতম বড় সাফল্য সিমলা চুক্তি, যার ফলশ্রুতি বাংলাদেশের উদারীকরণ, তাঁর আমলেই ভারত থেকে প্রথম বার মহাকাশে মানুষ পাঠানো হয়েছিল। ইন্দিরার চিত্তাকর্ষক নেতৃত্বের কারণেই দেশের বৈদেশিক নীতিগুলি সহজতর হয়।

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+