Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দীনেশ ত্রিবেদী

দীনেশ ত্রিবেদী
দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করার আগে শিক্ষাগত দিক থেকে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি আর্জন করেছিলেন তিনি এবং কর্মজীবনেও যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, আশির দশকে তিনি কংগ্রেস দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, আর ৯০-এর দশকে তাঁর আনুগত্য ছিল জনতা দলের প্রতি, আর সবশেষে ৯০ দশকের শেষে তিনি যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি ১৯৭৪ সালে স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ভারতে আসার আগে ২ বছর ডিটেক্স সংস্থার হয়ে চিকাগোয় কাজ করেন। দেশে ফিরে তিনি লজিস্টিক সংস্থা লি এন্ড মুরহেডের হয়ে কাজ শুরু করেন। চাকরি ছেড়ে দিয়ে ১৯৮৪ সালে কলকাতায় নিজের এয়ার ফ্রেইট সংস্থা খোলেন। এছাড়াও তিনি একটি উপভোক্তা সুরক্ষা কেন্দ্রও শুরু করেন। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হল ভারতীয় রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন নিয়ে ভোরা রিপোর্ট তৈরিতে অবদান রাখা, যা তথ্য জানার অধিকার আইন (আরটিআই)আন্দোলনের পথকে সুগম করেছিল। ২০১১ সালে তিনি দেশের রেলমন্ত্রী হন। কিন্তু রেলমন্ত্রী হিসাবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত ছিল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে না বাড়া রেলের ভাড়া বাজেটে বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী, দলনেত্রীর সম্মতি না নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রুষ্ট হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যা, তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হয়। চাতুর্যের সঙ্গে একাধিকবার মোদী সরকারের সমালোচনা করতে দেখা গেছে দীনেশ ত্রিবেদীকে, তাঁর মন্তব্যগুলির মধ্যে সবসময়ই শ্লেষ থাকে, যেমন, "আচ্ছে দিন চোখে দেখা যাচ্ছে না, দয়াকরে আমাদের খারাপ দিন ফিরিয়ে দিন", এই ধরণের কথা অনেকের খারাপ লাগলেও মানতে হবে এর মধ্যে চাতুর্য / রসবোধ রয়েছে।. .
By Briti Roy | Saturday, March 30, 2019, 10:04:15 AM [IST]

দীনেশ ত্রিবেদী জীবনি

দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করার আগে শিক্ষাগত দিক থেকে স্নাতকত্তোর ডিগ্রি আর্জন করেছিলেন তিনি এবং কর্মজীবনেও যথেষ্ট উন্নতি করেছিলেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক আনুগত্য নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, আশির দশকে তিনি কংগ্রেস দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, আর ৯০-এর দশকে তাঁর আনুগত্য ছিল জনতা দলের প্রতি, আর সবশেষে ৯০ দশকের শেষে তিনি যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি ১৯৭৪ সালে স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ভারতে আসার আগে ২ বছর ডিটেক্স সংস্থার হয়ে চিকাগোয় কাজ করেন। দেশে ফিরে তিনি লজিস্টিক সংস্থা লি এন্ড মুরহেডের হয়ে কাজ শুরু করেন। চাকরি ছেড়ে দিয়ে ১৯৮৪ সালে কলকাতায় নিজের এয়ার ফ্রেইট সংস্থা খোলেন। এছাড়াও তিনি একটি উপভোক্তা সুরক্ষা কেন্দ্রও শুরু করেন। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ হল ভারতীয় রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন নিয়ে ভোরা রিপোর্ট তৈরিতে অবদান রাখা, যা তথ্য জানার অধিকার আইন (আরটিআই)আন্দোলনের পথকে সুগম করেছিল। ২০১১ সালে তিনি দেশের রেলমন্ত্রী হন। কিন্তু রেলমন্ত্রী হিসাবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ সংক্ষিপ্ত ছিল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে না বাড়া রেলের ভাড়া বাজেটে বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী, দলনেত্রীর সম্মতি না নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রুষ্ট হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যা, তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হয়। চাতুর্যের সঙ্গে একাধিকবার মোদী সরকারের সমালোচনা করতে দেখা গেছে দীনেশ ত্রিবেদীকে, তাঁর মন্তব্যগুলির মধ্যে সবসময়ই শ্লেষ থাকে, যেমন, "আচ্ছে দিন চোখে দেখা যাচ্ছে না, দয়াকরে আমাদের খারাপ দিন ফিরিয়ে দিন", এই ধরণের কথা অনেকের খারাপ লাগলেও মানতে হবে এর মধ্যে চাতুর্য / রসবোধ রয়েছে।

আরও পড়ুন

দীনেশ ত্রিবেদী ব্যক্তিগত জীবন

পুরো নাম দীনেশ ত্রিবেদী
জন্ম-তারিখ 04 Jun 1950 (বয়স 75)
জন্মস্থান নয়াদিল্লি
রাজনৈতিক দলের নাম All India Trinamool Congress
শিক্ষা Post Graduate
পেশা রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী
পিতৃ পরিচয় প্রয়াত শ্রী হীরালাল ত্রিবেদী
মাতৃ পরিচয় প্রয়াত শ্রীমতী উর্মিলাবেন ত্রিবেদী
জীবনসঙ্গীর নাম ডক্টর মিনাল ত্রিবেদী
সন্তান 1 পুত্র

দীনেশ ত্রিবেদী মোট সম্পদ মূল্য

মোট সম্পদ মূল্য
₹5.03 CRORE
সম্পদ
₹6.62 CRORE
দায়বদ্ধতা
₹1.59 CRORE

দীনেশ ত্রিবেদী সম্পর্কে বিশেষ তথ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সময় পাইলটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, তাঁর স্বপ্ন ছিল ভারতীয় বিমান বাহিনীতে যোগ দেওয়ার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তিনি দেশের রেলমন্ত্রী হন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় দীনেশ ত্রিবেদীকে রেলমন্ত্রী করা হয়েছিল।

দীনেশ ত্রিবেদী রাজনৈতিক টাইমলাইন

  • 2017: অর্থ মন্ত্রকের সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য।
  • 2014: ১৬তম লোকসভা ভোটে ফের একবার ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে নির্বাচিক হন (দ্বিতীয় মেয়াদ), পরাজিত করেন সিপিএম প্রার্থীকে। এবার সিপিএম প্রার্থী সুভাষিণী আলীকে তিনি পরাজিত করেন ২,০৬,৭৭৩ ভোটের ব্যাবধানে।
  • 2012: রেলমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন।
  • 2011: রেলমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
  • 2009: তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ১৫তম লোকসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন, পরাজিত করেন সিপিএম প্রার্থী তড়িৎ বরণ তোপদারকে।
  • 2002: ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত (দ্বিতীয় মেয়াদ)।
  • 1990: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। জাতীয় কংগ্রেসের টিকিটে ১৯৯৬ সালে গুজরাট থেকে লোকসভা নির্বাচনে ভোটে দাঁড়ান। যদিও তিনি এই নির্বাচনে বিপুল ভোটের মার্জিনে পরাজিত হন।

আগের ইতিহাস

  • 1984: লি এন্ড মুরহেডের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি কলকাতায় নিজের একটি এয়ার ফ্রেইট সংস্থা খোলেন।
  • 1974: তিনি শিকাগোতে ডেটেক্স সংস্থার হয়ে দুই বছর কাজ করেন, এর পর ভারতে ফিরে এসে লজিস্টিক সংস্থা লি এন্ড মুরহেডের হয়ে কাজ শুরু করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী এর সাফল্য

তিনি একাধিক বিখ্যাত সংবাদপত্রে প্রবন্ধ লেখেন এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, বেসামরিক বিমান পরিবহন, ইতিহাস সহ নানা বিষয়ে বক্তব্য রেখে থাকেন।

Disclaimer:The information provided on this page is sourced from various publicly available platforms including https://en.wikipedia.org/, https://sansad.in/ls, https://sansad.in/rs, https://pib.gov.in/, https://affidavit.eci.gov.in/ and the official websites of state assemblies respectively. While we make every effort to maintain the accuracy, comprehensiveness and timeliness of the information provided, we cannot guarantee the absolute accuracy or reliability of the content. The data presented here has been compiled without consideration of the objectives or opinions of individuals who may access it.

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+