Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

তথ্য সুরক্ষা বিল প্রত্যাহার করল কেন্দ্র, আসতে চলেছে নয়া সংশোধিত বিল

ডেটা প্রোটেকশন বিল বা তথ্য সুরক্ষা বিল প্রত্যাহার করল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। এদিন লোকসভায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল ২০১৯-কে আপাতত প্রত্যাহার করা হল এবং সরকার আগামী দিনে একটি সংশোধিত নতুন বিল আনবে যা আইন সম্মত এবং যৌথ সংসদীয় কমিটির সুপারিশ সম্মত।

তথ্য সুরক্ষা বিল প্রত্যাহার করল কেন্দ্র, আসতে চলেছে নয়া সংশোধিত বিল

কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বলেন, যৌথ সংসদীয় কমিটি তরফে বিলটিকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অধ্যয়ন করা হয়েছে এবং বিলটিতে ৮১টি সংশোধনী এবং বারোটি সুপারিশের কথা বলা হয়েছে। তারপরেই কেন্দ্র বিলটি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী দিনে নতুন বিল পেশ হবে যা মানসম্মত এবং সংশোধিত।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদের যৌথ কমিটি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিল নিয়ে ৫৪২ পাতার রিপোর্ট দেয়। যেখানে সবমিলিয়ে ৯৩টি সুপারিশ এবং এই ৮১টি সংশোধনের কথা উল্লেখিত ছিল।

নতুন প্যানেলের মুখ্য আলোচনার বিষয় ছিল, প্রস্তাবিত তথ্য সুরক্ষা বিষয়টি সাংবিধানিক বৈধতা পাবে কিনা এবং রাজ্যগুলির নিজেদের তথ্য সুরক্ষার অধিকার থাকবে কিনা।

এদিন কেন্দ্রের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা বিলটি প্রত্যাহারের পর কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ দাবি করেন, যৌথ সংসদের কমিটির রিপোর্টের পর খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এদিন বিল প্রত্যাহারের খবরে বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি অত্যন্ত আনন্দিত হবে বলে জয়রাম রমেশ মনে করছেন।

এই বিষয়ে বিজেডি নেতা ভাত্রুহরি মহতাব বলেন, এই বিলে অনেক সংশোধনী আনা হয়েছিল। এমনকী সরকারের তরফেও কিছু সংশোধনীর কথা বলা হয়। যার ফলে এত সংশোধনী না এনে নতুন করে একটি বিল তাড়াতাড়ি পেশ করা হবে। কারণ তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে দেরি হওয়া উচিত নয়।

এই বিলের বিষয়টি সামনে আসার পরে সরকারকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কোনও কোনও দিক থেকে এটিকে মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে সমালোচনা করা হয়। আবার অনেকের যুক্তি, এই বিল আইনে পরিণত হলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত মতামতের উপর সরকারি হস্তক্ষেপ নেমে আসবে। এমনকী সরকার নিজের ইচ্ছে মতো যাকে খুশি এই আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে। অনেকে মনে করেছেন এই আইন চালু হলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়েছে বা রাষ্ট্রদ্রোহ করা হয়েছে এই অজুহাতে যে কাউকে আইনের আওতায় এনে ফেলা যেতে পারে। অথবা সরকারের সমালোচনা হলেই সেটিকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলে ডেকে দিয়ে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।

আরও একটি কারণে এই বিল নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে সরকারকে পড়তে হয়েছিল। যা হল, এই বিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা নেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার ব্যাখ্যা। যার ফলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ সহ এই আইন বলবৎ হলে তা নিশ্চিত হবেই অপব্যবহার করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+