Oneindia থেকে ব্রেকিং নিউজের আপডেট পেতে

সারাদিন ধরে চটজলটি নিউজ আপডেট পান

You can manage them any time in browser settings

#ADHM রিভিউ: এই ছবি দেখে সত্য়িই 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'!

  • By: Oneindia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News

অভনিয় : রণবীর কাপুর, অনুষ্কা শর্মা, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, ফওয়াদ খান, আলিয়া ভট, শাহরুখ খান
পরিচালনা : করন জোহর

এই প্রতিবেদনের শিরোনামেই বলে দিয়েছি অ্যায় দিল হ্য়ায় মুশকিল ছবিটা দেখার পর 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'! কুছ কুছ কী বহত কুছ হল..মাথাটা পুরো ঝাঁ ঝাঁ করছে। কি দেখলাম কেন দেখলাম বুঝতে বুঝতেই মাথা থেকে সব বেরিয়ে গেল।

অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল ছবিটি নিয়ে যে বা যারা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে তাদের কাছে করণ জোহরের অন্তত কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। বিতর্কের অজুহাতে কিছুটা হলেও হইচই তৈরি করতে সফল হয়েছেন করন। নয়তো এই ছবিও সেই কাল্পজগতের ভালবাসার কাহানি, অসাধারণ সিনেমাটোগ্রাফি, অতিরিক্ত মেলোড্রামা গোছের ছবির চেয়ে বেশি কিছু না। ['লজ্জা নামের বস্তুটাই নেই'...জয়া বচ্চনের এই প্রতিক্রিয়া কি বউমা ঐশ্বর্যর জন্য? ]

#ADHM রিভিউ: এই ছবি দেখে সত্য়িই 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়'!

এই ছবি আয়ান সায়েঙ্গেরের (রনবীর কাপুর)-এর গল্প নিয়ে। যে বিশাল বড়লোকের ছেলে, অথচ অন্যলোকের ইচ্ছাতেই নিজের জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত। মন থেকে সঙ্গীতশিল্পী হওয়া সত্ত্বেও বাড়ির লোকের কথা শুনে এমবিএ তো করে নিয়েছে, কিন্তু বাবার ব্যবসাকে সামলাতে অপারগ হয়েছে। গার্লফ্রেন্ড লিসাকে (লিসা হেডেন) সে ভালবাসে কারণ লিসা চায় বলে।

এরপরই আগমন হয় আলিজার (অনুষ্কা শর্মা)। যে জানে সে কি চায়, বুদ্ধিদীপ্ত এক মহিলা। নিজের জীবনের কোনটা ঠিক এবং কোনটা ভুল তা সে জানে। কীভাবে নিজের দুর্বলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয় তাও তার জানা। সবচেয়ে বড় কথা জীবনটাকে উপভোগ করতে জানে সে।

আয়ান মানুষটা আসলে কি, তার মন কি চায় সেটাও আলিজাই আয়ানকে উপলব্ধি করায়। যেমন আয়ান নিম্নমানের বলিউড গান শুনতে পছন্দ করে, গান গাইতে ভালবাসে, উন্মাদের মতো নাচতে ভালবাসে। রণবীরকে অনেকদিন বাদে এভাবে পাওয়া গেল, স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত।

মূলত ছবিটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যদি মনে হয় এই ছবি 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়', 'কভি আলভিদা না কহনা' এবং 'কাল হো না হো' এই তিন ছবির ককটেল ছাড়া আর কিছু নয়, তাহলে বুঝবেন আপনার ফিল্ম জ্ঞানে কোনও ভাঁটা পড়েনি। কারণ পরিচালক যতই অস্বীকার করুন না কেন বাস্তবটা আসলে তাই।

আলিজার প্রাক্তন প্রেমিকের চরিত্রে আলি (ফওয়াদ খান) খুব অল্প সময়ের জন্য দেখা দিলেন। ফওয়াদকে আর একটু পেলে ভাল হত। অন্যদিকে রয়েছেন সাবা (ঐশ্বর্য রাই) যিনি একজন ডিভোর্সি কবি। যিনি আয়ানের সঙ্গে দেখা করার পর তার প্রেমে পড়ে যান। শাহরুখ খানকে একটি ছোট্ট চরিত্রে দেখা যায়। ঠিক যেমন লাক বাই চান্স ছবিতে এসে জ্ঞান বিতরণ করেছিলেন এখানেও তাই করলেন।

এই ছবিতে একাধিক তারকা থাকলেও করন অবশ্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছেন রণবীর ও অনুষ্কাকে। দুজনের কেউই করন বা দর্শকদের হতাশ করেননি (যেটুকু হতাশ করেছেন করনই করেছেন)। দুজনের বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি আপনার প্রিয় বন্ধুর কথা মনে করিয়ে দেবে। কিছু কিছু দৃশ্যে রণবীর বারবার প্রমাণ করেছেন বলিউডের সবচেয়ে নামি এবং প্রতিভাবান অভিনেতা পরিবারের সদস্য তিনি। অনুষ্কাও সাবলীল অভিনয় করেছেন।

ঐশ্বর্য রাই অভিনয়ের সেভাবে একটা সুযোগ পাননি এছবিতে তবে যেটুকু সুযোগ পেয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করেছেন।

ছবির চিত্রনাট্য বড়ই একঘেয়ে, করন নিজেই সংলাপ লিখেছেন তাই তা প্রচন্ড রকমের ফিল্মি, মাঝে মাঝে ঘুম পেয়ে যাচ্ছিল। তবে অনুষ্কা-রণবীর এসে জাগিয়ে দিচ্ছিলেন।

বম্বে ভেলভেটের মতো হতাশ না করলেও মন কাড়তে পারেননি করন, রণবীর ও অনুষ্কার কাঁধে ভর দিয়ে এযাত্রা কোনওরকমে উতরে গেল করনের।

English summary
Ae Dil Hai Mushkil review: Ranbir-Anushka’s film is hard to relate to
Please Wait while comments are loading...