Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Mysterious Moon: চাঁদের ‘কলঙ্ক’কে ভয় পান নভোচারীরা, আজও উন্মোচিত হয়নি চন্দ্রপৃষ্ঠের সেই রহস্য

চাঁদেও কলঙ্ক আছে। সেই কলঙ্কই যেমন চাঁদকে স্বপ্নসুন্দর করেছে, আবার ভয়ের কারণও হয়েছে মহাকাশচারীদের। মহাকাশচারীর চাঁদের 'কলঙ্ক'কে রীতিমতো ভয় পান। জানেন, চাঁদের ওই কলঙ্ক আসলে কী? আসলে তা হল চন্দ্রপৃষ্ঠের গর্ত। সেই গর্ত আজও রহস্যের, সেই কিনারা হয়নি, তাই ওই গর্তেই যত ভয়!

চাঁদের মাটিতে পা দিতে নভোচারীরা ভয় পান গর্তের কারণেই। আর চাঁদে মহাকাশযান নামাতেও ভীতির কারণ হয়ে ওঠে ওই গর্ত। চাঁদের গর্তে প্রবেশ করেন না সূর্যের আলো। ফলে পৃথিবী থেকে আমরা যখন চাঁদ দেখি, চাঁদের গায়ে আমরা কালো রেখা লক্ষ্য করি। তাকেই বলে চাঁদের কলঙ্ক।

Mysterious Moon

যতবার চাঁদে পা রেখেছেন নভোচারীরা, ততবার চাঁদে নতুন নতুন গর্ত আবিষ্কার করেছেন তাঁরা। চাঁদের ওই গর্ত কী কারণে তা আজও অজানা। পৃথিবী ও চাঁদের পথ চলা শুরু হয়েছিল একইসঙ্গে। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে সৃষ্টির সময় বহু উল্কা ও গ্রহাণু চাঁদের মাটিতে পড়েই ওই গর্ত তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

চাঁদে বায়ুর প্রভাব নেই সে অর্থেষ ফলে মহাশূন্য থেকে উল্কাপিণ্ড বা মহাজাগতিক পাথর বা গ্রহাণু অবাধে আছড়ে পড়ে। এ ধরনের উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর দিকেও আসে। কিন্ত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এতটাই বেশি যে, ছোটো উল্কাগুলি পৃথিবীর মাটি পর্যন্ত আসতে পারে না। তার আগেই বায়ুর সঙ্গে সংঘর্ষে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

চাঁদের মতো না হলেও পৃথিবীতেও রয়েছে এমন ধরনের প্রাকৃতিক গর্ত। এখন পর্যন্ত ১৮০টিরও বেশি গর্ত আবিষ্কার হয়েছে। তা কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে অনুসন্ধানে নেমে বিজ্ঞানীরা মনে করেন উল্কাপিণ্ড বা মহাজাগতিক পাথর পতিত হয়েই গর্তগুলি তৈরি হয়েছে।

আর চাঁদে এমন ধরনের গর্ত রয়েছে ১৪ লক্ষ। চাঁদে গর্তের সংখ্যাটা অনেক বেশি। তার কারণ চাঁদের বায়ুমণ্ডল অতি হালকা। চাঁদে সংখ্যাটা একতটাই বেশি যে নভোশ্চররা চাঁদে গেলেই তার সন্ধা পান। যখন যেখানে নামেন, সেখানেই মেলে রহস্যজনক গর্তের।

চাঁদে এমন কিছু গর্ত রয়েছে, যেগুলি নিয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। অনেকবার চেষ্টা করেও তারা গর্তে কী রয়েছে, তা জানতে পারেননিষ। তার কারণ গর্তগুলি ঘুটঘুটে অন্ধকার। সূর্যের আলো সেখানে প্রবেশ করে না। বিজ্ঞানীরা সেই স্থানে পা রেখেও ব্যর্থ মনোরথ হয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা ৯১৩৭টি গর্ত চিহ্নিত করেও গবেষণা চালাতে পারেননি। কীভাবে এই গর্তগুলির উৎপত্তি, তাদের বয়স কত, সেসব এখনও অজানা রয়ে গিয়েছে। অন্ধকারে লুকিয়ে রয়েছে চাঁদের কলঙ্কের সত্য। সেই সত্য অনুসন্ধানে এখনও কোনও সুনিশ্চিত তথ্য পাননি বিজ্ঞানীরা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+