Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

প্রেমের টানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ! প্রেমিক-সহ গ্রেপ্তার বধূ, প্রশ্ন সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে

প্রেমের টানে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকেও শেষরক্ষা হলো না। মেখলিগঞ্জের কুচলিবাড়ি এলাকার ঘটনা। স্থানীয় মানুষজনের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরাই পুলিশের হাতে এই দুজনকে তুলে দেন। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব বিজেপি। তৃণমূলের পাল্টা দাবি, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্বে তো বিএসএফ। তারই মধ্যে মেখলিগঞ্জের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল দালালচক্র কতটা সক্রিয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সাপাহার থানার বাসিন্দা শিল্পী খাতুনের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে আলাপ হয় মালদহের কালিয়াচকের বিবাহিত ব্যক্তি ইব্রাহিম মিয়াঁর। সেখান থেকেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। রবিবার গভীর রাতে দালালের মাধ্যমে কুচলিবাড়ির অমর ক্যাম্প সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন শিল্পী। তাঁকে ঢুকিয়েই ভারতীয় দালাল চম্পট দেয়।

এরপর পথ হারিয়ে গ্রামাঞ্চলে ঘোরাঘুরি করার সময় গ্রামবাসীরা তাঁকে আটক করেন। প্রথমে শিল্পী নিজেকে মালদহের বাসিন্দা বলে দাবি করেন এবং জানান তাঁর স্বামী তাঁকে নিতে এসেছেন। এরপর স্থানীয় গ্রামবাসীরা খোঁজখবর চালিয়ে ইব্রাহিমকেও আটক করে পুলিশে খবর দেন।

পরে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। শিল্পীর কাছ থেকে বাংলাদেশি পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়। সোমবার ধৃতদের মেখলিগঞ্জ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। শিল্পীর বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশ এবং ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে এই অনুপ্রবেশে সহযোগিতার মামলা রুজু করা হয়েছে।

শিল্পীর অভিযোগ, আমাদের সম্পর্কের কথা জানার পর আমার স্বামী আমাকে তালাক দিয়ে তিন সন্তানকে কেড়ে নেন। একা হয়ে পড়ার পর মা আমাকে জোর করে এক বয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি চাইনি। তখন ইব্রাহিম আমাকে আশ্বাস দেন ভারতে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করার। ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালে একবার অবৈধভাবে বাংলাদেশে গিয়ে ইব্রাহিম আমাকে ভারতে নিয়ে আসেন। কয়েক মাস পর আবার বাংলাদেশে ফিরে যাই। এরপর থেকে সুযোগ খুঁজছিলাম ভারতে আসার। অবশেষে দালালদের সাহায্যে এসেছি। দুই দেশের দালালরা মিলিয়ে ৪২ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু ভারতীয় দালাল রাতে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় আমি রাজি হইনি। তাই আমাকে মাঝপথে ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ইব্রাহিমের দাবি, কোনও অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা একে অপরকে ভালোবাসি। আমার প্রথম স্ত্রীর কাছে তা অজানা নয়। আপত্তিও নেই। তাই শিল্পীকে নিয়ে আসতে গিয়েছিলাম।

এই ঘটনায় প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন গড়াই বলেন, ধৃত দুজনকে আদালতে তোলা হয়েছে এবং চারদিনের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুধু প্রেমের সম্পর্কের টানেই এই ঘটনা, নাকি এর আড়ালে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+