Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সাংস্কৃতিক ফ্যাসিজম করছে ইউনূস সরকার! বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঢাকায়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, মহম্মদ ইউনূসের প্রশাসন, সমালোচনার মুখে পড়েছে। ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন।

ইসলামপন্থী সংগঠন হেফাজতে ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই পদগুলিকে "অ-ইসলামিক" আখ্যা দিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, যদি শিল্পকলার শিক্ষকদের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করা না হয়, তাহলে তারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবে। এরপরই ইউনূস প্রশাসন সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।

সমালোচকরা ইউনূস প্রশাসনের এই ইউ-টার্নকে "সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ" বলে অভিহিত করেছেন এবং বাতিল করা পদগুলি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।

প্রাথমিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ, ধর্ম, সঙ্গীত এবং শারীরিক শিক্ষার জন্য চারটি সহকারী শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তিকে সামগ্রিক শিক্ষার জন্য একটি প্রগতিশীল পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছিল।

তবে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রক পরে নিয়ম সংশোধন করে এবং নীরবে সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষার পদগুলি বাদ দেয়। ইউনূস প্রশাসনের মুখপাত্র মাসুদ আখতার খান এই পরিবর্তনকে হালকাভাবে উপস্থাপন করে বলেন, অল্প সংখ্যক পদ "কার্যকর ফলাফল দেবে না"।

তবে, সমালোচকরা এটিকে ইসলামপন্থী লবিংয়ের কাছে স্পষ্ট আত্মসমর্পণ হিসেবে দেখছেন। এদিন বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সোচ্চার প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত, নাটক ও নৃত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা অপরাজেয় বাংলার সামনে একত্রিত হয়ে স্লোগান দেন, গান গেয়ে পদগুলি পুনর্বহালের দাবি জানান।

ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে মিছিল করার সময় ভাস্কর্য স্কোয়ারে মানববন্ধনে প্রতিবাদী গান পরিবেশন করে। জনপ্রিয় গায়ক সায়ান এই আন্দোলনে যোগ দিয়ে ধর্ম ও সঙ্গীতের মধ্যে বিরোধ তৈরি করার এই আখ্যানকে প্রতিরোধ করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রতিবাদকারীরা যুক্তি দেন যে এই সিদ্ধান্ত শিশুদের সার্বিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত শিক্ষক আজিজুর রহমান তুহিন বলেন, "সভ্যতা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ওপর টিকে থাকে। সঙ্গীত বাদ দিলে মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।"

শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদরা এই নীতি পরিবর্তনকে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যা দিয়েছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ এই সিদ্ধান্তকে "সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ" বলে উল্লেখ করেছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+