Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ফ্রান্সে হিংসায় শতাধিক বিক্ষোভকারী আটক, প্রতিবাদে মেয়রের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

ফ্রান্সে হিংসার ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক বিক্ষোভকারী আটক করেছে পুলিশ। কিন্তু তাতেও বিক্ষোভ কমল না। গ্রেফতারের প্রতিবাদে মেয়রের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। অগ্নিসংযোগও করা হয় মেয়রের বাড়িতে। খোদ মেয়র তা অভিযোগ করেছেন।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের এক শহরতলির মেয়র জানিয়েছেন, রবিবার সকালে তাঁর বাড়িতে আক্রমণ চালায় এক দল। দেশে চলমান অস্থিরতার মধ্যে এই ঘটনা তাঁর পরিবারের উপর হত্যার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন তিনি। মেয়র জানান, রাত দেড়টা পর্যন্ত গত তিন রাতের মতো সিটি হলে ছিলাম, তখন ব্যক্তিরা আমার বাসভবনের উপর হামলা চালায়।

France

বিক্ষোভকারীরা গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দিতে থাকে বাড়িতে। তারপর আমার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনার সময় আমার স্ত্রী এবং আমার দুটি ছোটো শিশু সেখানে ঘুমাচ্ছিল। এর ফলে তাঁদের প্রাণ সংশয়ে পড়েছিল। আমার স্ত্রী এবং সন্তান আহত হয়েছে এই ঘটনায়।

জিনব্রুন বলেন, তাঁর কাছে এই রাতের ভয়াবহতা বর্ণনা করার ভাষা নেই। তাঁদের সাহায্যের জন্য পুলিশ এবং উদ্ধারকারীরা সঠিক সময়ে আসায় আমরা এ যাত্রায় রক্ষা পেয়েছি। এ জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ। প্রসিকিউটর স্টিফেন হারদুইন এই ঘটনাকে হত্যার চেষ্টার ধারায় ফেলেছেন।

France

হার্দুইন বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মেয়র জিনব্রুনের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছিল। বাড়ির বারান্দায় পৌঁছানোর আগেই গাড়িটে থমকে যায় নীচু দেয়ালে ধাক্কা লেগে। মেয়রের স্ত্রী এবং ৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই সন্তানকে নিয়ে পিছনের বাগান দিয়ে পালিয়ে যান।

হারদুইন আরও বলেন, ফরেনসিক তদন্তে পুলিশ কোকের বোতলে ফায়ার অ্যাক্সিলারেন্ট খুঁজে পেয়েছে। অপরাধীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হবে শীঘ্রই। এখানে উল্লেখ্য, আলজেরিয়ান বংশোদ্ভূত ১৭ বছর বয়সী নাহেল মারজাউকের মৃত্যুর পরে ফ্রান্সে বিক্ষোভের ঢেউ আছড়ে পড়ে।

এ সপ্তাহের শুরুতে নান্টেরেতে একজন পুলিশ কর্মীর গুলিতে নিহত হন তিনি। শনিবার তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্যারিসের শহরতলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু তারপর থেকেই ফ্রান্স বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে। পুলিশ বিক্ষোভ থামাতে শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

কিন্তু তাতে হিতে বিপরীত হয়। তাতে ক্ষেভের আগুন আরো ছড়িয়ে পড়ে। যার আঁচ পড়ে মেয়রের বাড়িতেও। মেয়রের স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান কোনোমতে রক্ষা পান সেই আঁচ থেকে। ফ্রান্সজুড়ে মোট ৭০০ জনেরও বেশি লোককে আটক করা হয়েছে। ৪৫ জন পুলিশ অফিসার আহত হয়েছেন, ২৬টি পুলিশ স্টেশন-সহ ৭৪টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৫৭৭টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+