বিদ্যুৎ উৎপাদনে যুগোপযোগী পরিকল্পনা করে এগিয়ে চলেছে মোদী সরকার
ভারতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহার ও উৎপাদন অনেকটাই বাড়ানো গিয়েছে। এই নিয়ে সচেতনতাও অনেকটাই বেড়েছে। দেশের প্রান্তিক অঞ্চলেও পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে তার সাহায্যে আলো জ্বলছে।
পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতি অবলম্বন করে সকলের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার যে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেখেছেন তা পূরণ করার সবরকম চেষ্টা করে চলেছে কেন্দ্র সরকার। এই প্রকল্প সফল হলে ভারতের প্রতিটি ঘরে ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুতের সুবিধা থাকবে।
পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহার ও উৎপাদন অনেকটাই বাড়ানো গিয়েছে। এই নিয়ে সচেতনতাও অনেকটাই বেড়েছে। দেশের প্রান্তিক অঞ্চলেও পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে তার সাহায্যে আলো জ্বলছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, এই ধরনের শক্তি ব্যবহারের খরচও আগের চেয়ে হুহু করে কমছে।
এর ফলে বিদ্যুতের খরচও আগের চেয়ে কমছে। যেমন চণ্ডীগড়ে বিদ্যুতের দাম ১৮ শতাংশ কমেছে। বাড়িতে ব্যবহারের জন্য দেওয়া ও শিল্পে ব্যবহৃত দুই ধরনের যোগান দেওয়া বিদ্যুতের দামেই ঘাটতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এর পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশ, গুজরাত, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, রাজস্থানে এই অর্থবর্ষে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি।

অভূতপূর্ব উন্নতি
গত তিন বছরে গ্রাহকদের বিদ্যুতের বিল কমাতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়ে চলেছে। দীর্ঘমেয়াদি নানা পরিকল্পনা করা হয়েছে। কয়লার ব্লক বণ্টনে এই সরকার সম্পূর্ণ স্বচ্ছ্বতা নিয়ে এসেছে। ফলে ক্ষতির বদলে লাভের মুখ দেখা সম্ভব হয়েছে। আগে যেখানে কয়লার খামতি লক্ষ্য করা যেত সেখানে এখন সেই সমস্যা আর হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ তৈরিতে কোনও সমস্যা নেই।

শক্তি প্রকল্প
কেন্দ্র সরকার শক্তি প্রকল্প (স্কিম ফর হারনেসিং অ্যান্ড অ্যালোকেটিং কয়লা ট্রান্সপারেন্টলি ইন ইন্ডিয়া) চালু হয়েছে। কয়লা ব্লক বণ্টন, কয়লার সহজ ব্যবহার ইত্যাদি আরও সহজ হয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে যেখানে ১ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ তৈরিতে ০.৬৯ কেজি কয়লা লাগত সেখানে ২০১৬-১৭ সালে তা কমে ০.৬৩ কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন
গত তিনবছরে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত হচ্ছে। মোদী সরকারের আমলে ৬০ গিগাওয়াট বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। তবে এখন পাওয়ার গ্রিডের বিশেষ সমস্যা নেই। যার ফলে এখন কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে।

পরিবেশের সুরক্ষা
চিরাচরিত শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি উৎপাদনেও ভারত অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে ইউনিট প্রতি দাম হয়েছে ২.৪৪ টাকা। সরকার যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দিয়েছে, তেমনই পরিবেশের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় সেটাও লক্ষ্য রাখছে। ফলে কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে।

কৃষকদের সাহায্য
'ন্যাশনাল এনার্জি এফিশিয়েন্ট এগ্রিকালচার পাম্পস প্রোগ্রাম' চালু করে কৃষকদের সাহায্য করার কথা ভাবা হয়েছে। কৃষকদের হাতে উন্নতমানের পাম্প তুলে দেওয়া হচ্ছে যাতে বিদ্যুতের খরচ কম হয়। এর ফলে কৃষকদের যেমন লাভ হচ্ছে, তেমনই কম বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে, পরিবেশের ক্ষতি কম হচ্ছে।
-
সূর্যকুমারের নয়া রেকর্ড, এক খাতায় ধোনি-রোহিতের সঙ্গে নাম তুললেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক হয়ে -
ইরানি যুদ্ধজাহাজ ঘিরে নতুন জল্পনা, শ্রীলঙ্কা উপকূল থেকে ৯ নটিক্যাল মাইল দূরে রণতরী -
যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি চাপ, রান্নার গ্যাস সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার কেন্দ্রের -
টানা দ্বিতীয়বার টি-২০ বিশ্বকাপ জিতল মেন ইন ব্লু! মোটা অঙ্কের পুরস্কার পেল ভারত, কোন দল কত টাকা পেল? জানুন -
ভোটের প্রতিশ্রুতি পূরণে নতুন উদ্যোগ, বাংলাদেশে ইমাম, পুরোহিত ও যাজকদের জন্য মাসিক ভাতা চালুর ঘোষণা -
ভোট ঘিরে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক! SIR ইস্যুতে ক্ষোভ বামেদের, কী কী অভিযোগ ও দাবি তুলল বিরোধীরা? -
'সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন যখন…'! জ্ঞানেশের মন্তব্যে ক্ষোভ, পাল্টা জবাব দিলেন চন্দ্রিমা, কী বললেন? -
'আমাকে বলছেন ডোন্ট শাউট'! জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর কী বললেন তৃণমূলের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য? -
শেয়ার বাজারে বড় ধস! এক ধাক্কায় বেড়ে গেল তেলের দাম, কত? চাপে বিনিয়োগকারীরা -
বিশ্বকাপের সেরা সঞ্জু পারফরম্যান্সের জন্য কৃতিত্ব দিলেন 'ক্রিকেট ঈশ্বর'কে, সচিনকে নিয়ে কী বললেন স্যামসন -
ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর কী বললেন সচিন-কোহলি? -
'ভুল করলে কাউকে ছাড়া হবে না'! প্রশাসনিক বৈঠকে ডিজি বিনীত গোয়েল-সহ আধিকারিকদের সতর্ক করলেন জ্ঞানেশ










Click it and Unblock the Notifications