ফেসমাস্কেই সনাক্ত হবে একের পর এক মারণ ভাইরাস! মোবাইলে জানতে পারবেন পরিধানকারী
ভারত-সহ সারা বিশ্বেই আপাতত স্তিমিত হয়ে পড়েছে মারণ কোভিড ১৯ ভাইরাস। তবে তাকে পুরোপুরি বাগে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীরা এমন একটি মুখোশ তৈরি করেছেন, তা শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসগুলি সনাক্ত
ভারত-সহ সারা বিশ্বেই আপাতত স্তিমিত হয়ে পড়েছে মারণ কোভিড ১৯ ভাইরাস। তবে তাকে পুরোপুরি বাগে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীরা এমন একটি মুখোশ তৈরি করেছেন, তা শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসগুলি সনাক্ত করতে পারে। বাতাসে ভেসে থাকা ভাইরাসের জলবিন্দুর মাধ্যমে ইনফুয়েঞ্জা থেকে কোভিড ১৯, সব কিছুই সনাক্ত করার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষণা চিনে
গবেষণায় এখনও পর্যন্ত ধরে নেওয়া কোভিড ১৯-এর উৎপত্তিস্থল চিনে। সেখানকার সাংহাই টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পদার্থ বিজ্ঞানী বলেছেন, আগের হবেষণায় দেখা গিয়েছিল ফেস মাস্ক পরলে রোগ ছড়ানো এবং সংক্রমিত হেওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে. তাই গবেষকরা একটি মাস্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যা বাতাসে ভাইরাসের উপস্থিতি সনাক্ত করতে পারে এবং যিনি সেটা পরবেন, তাঁকে সতর্ক করতে পারে।

যেভাবে সংক্রমণ ছড়ায়
কোভিড ১৯ কিংবা এইচওয়ান এনওয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সৃষ্টি করে শ্বাসযন্ত্রের প্যাথাজেন। যখন সংক্রমিত ব্যক্তিরা কথা বলে, কাশি কিংবা হাঁচি দেয়, সেই সময় ড্রপলেট এবং অ্যারোসলের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাসযুক্ত অনুগুলি , বিশেষ করে অতিক্ষুদ্র অ্যালোসলগুলি দীর্ঙ সময় ধরে বাতাসে থাকতে পারে।

মাস্ক পরীক্ষা
গবেষকরা নতুন উদ্ভাবিত মাস্কের ট্রেস-লেভেল তরল এবং অ্যারোসল ধারণকারী পৃষ্ঠের ওপরে প্রোটিন স্প্রে করে একটি বদ্ধ চেম্বারে মুখোশটি পরীক্ষা করেন। সেখানে থাকা সেন্সরে এব্যাপারে প্রতিক্রিয়াও ধরা পড়ে।
গবেষকদলটি একটি ছোট সেন্সর ডিজাইন করেছে। যা সিন্থেটিক অনু যা অ্যান্টিবডির মতো প্যাথোজনের প্রোটিনকে সনাক্ত করতে পারে। সেইভাবেই সার্স কভ ২ অর্থাৎ কোভিড ১৯, এইচ ফাইভ এনওয়ান এবং এইচ ওয়ান এনওয়ানের ওপরের প্রোটিনকে সনাক্ত করতে পেরেছে।
সেন্সরে থাকা অ্যাপ্টোমারগুলি বাতাসে খারা প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হেলে তা সেখানে থাকা আয়ন-গেটেড ট্রানজিস্টর সংকেতকে প্রশস্ত করবে এবং তার ফোনের মাধ্যমে পরিধানকারীকে সতর্ক করবে। এই মাস্কটি পরার ১০ মিনিটের মধ্যে তা বাতাসে প্যাথোজেনের মাত্রা সনাক্ত করতে পারে।

ভবিষ্যতের লড়াইয়ের অস্ত্র
গবেষকরা বলছেন, তাদের আবিষ্কৃত মাস্কটি যেসব জায়গায় বাতাসের চলাচল বেশি নেই, সেই সব জায়গায় ভাল করা করছে। বিশেষ করে যেসব জায়গায় সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি সেইসব জায়গায়। যদি ভবিষ্যতে শ্বাসযন্ত্রের নতুন কোনও ভাইরাস বের বয়, তাহলে সেই সময় সেন্সরের নকশাও আপডেট করতে হবে। বিজ্ঞানী বলেছেন, মাস্কে থাকা পলিমার এবং ট্রানজিস্টরগুলির নকসার পরিবর্তন করে এর সংবেদনশীলতাকে আরও বাড়ানো যেতে পারে। (ছবি সৌজন্য এএনআই)












Click it and Unblock the Notifications