Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সফটওয়্যারের মাধ্যে নাম বাদ! এসআইআরে ভোট চুরি ধরে ফেলার দাবি অভিষেকের, কমিশনকেও চ্যালেঞ্জ

নির্বাচন কমিশনের দিল্লির অফিসে আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে অনেক কিছু প্রশ্নেরই সদুত্তর মেলেনি। এমনকী কমিশনের 'ভেতরের খবর' সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারই অবগত নন। এমনই দাবি করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর দাবি, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার তদারকিতে থাকা এই সাংবিধানিক সংস্থার মধ্যে কী ঘটছে, তা সিইসি-ই জানেন না!

অভিষেক জানান, "পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কোনও ধারণাই নেই। এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, নির্বাচন সদনের কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তি উচ্চতর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নাম বাদ দিচ্ছেন এবং শুনানির নোটিশ তৈরি করছেন।"

অভিষেকের অভিযোগ, কমিশন পশ্চিমবঙ্গে বাইরের সংস্থা নিয়োগ করেছে কিনা, সেই প্রশ্ন করা হলে জ্ঞানেশ কুমার জানান তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি জানান, হয়তো মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কার্যালয় এই সংস্থা নিয়োগ করেছে। উত্তরে অভিষেক সিইসিকে বলেন, "তাঁর উচিত সিইও-কে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা। আপনার অনুমোদন ও সম্মতি ছাড়া সিইও কীভাবে এমন নির্দেশ ও বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারেন?"

অভিষেক নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় কেন্দ্রীয় নির্বাচন প্যানেল এবং বাংলার শাসক দলের মধ্যে তীব্র বিবাদের আবহেই।
ভোটার তালিকা কারচুপির বিষয়ে অভিষেক দাবি করেন, "নামে ক্লিক করলে চারটি বিকল্প আসে। জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো; শুনানির নোটিশ তৈরি করা; সঠিক পাওয়া গিয়েছে; অযোগ্য পাওয়া গিয়েছে। যখন 'সঠিক পাওয়া গেছে' বক্সে ক্লিক করা হয়, তখনও নোটিশ তৈরি হচ্ছে। যদি কোনও কারচুপি না থাকতো, তাহলে যে ভোটারদের ভোটকর্মীরা সঠিক বলে চিহ্নিত করেছেন, তাঁদের জন্য কেন নোটিশ তৈরি হবে?"

অভিষেকের দাবি, নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকেরা একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্ভাবনা স্বীকার করেছেন। এসআইআর শুনানি কেন্দ্রগুলো থেকে বুথ স্তরের কর্মীদের বাদ দেওয়া এবং কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সবমিলিয়ে অভিষেক আরও দাবি করেন যে, "দু-তিনটি মৌলিক প্রশ্ন ছাড়া জ্ঞানেশ কুমার বেশির ভাগেরই উত্তর দিতে পারেননি।" তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, "আমি মিথ্যা দাবি করছি কিনা, তা প্রমাণ করতে তিনি বৈঠকের ভিডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করতে পারেন। তাঁর উচিত বেছে বেছে তথ্য ফাঁস না করে, আমি সংবাদমাধ্যমকে যা বলেছি, তার পয়েন্ট বাই পয়েন্ট খণ্ডন করার সাহস দেখানো।"

অভিষেক বলেন, "আমরা প্রশ্ন করি, কেন বিএলএদের শুনানি কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না? জবাব আসে, তাঁদের সেখানে থাকা উচিত নয়। আমরা তাঁকে একটি সার্কুলার জারি করতে বলি। তিনি সার্কুলার জারি করতে পারবেন না, কারণ তিনি জানেন, সমস্ত রাজনৈতিক দল এটিকে আদালতে নিয়ে যাবে। এই নির্দেশাবলী হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার কি হোয়াটসঅ্যাপে চলবে?"

অভিষেক বলেন, "আমি তাঁকে (জ্ঞানেশ কুমার) বলেছিলাম, বিজেপি চিরকাল দেশ চালাবে না। কিন্তু সংবিধান থাকবে। আমি তাঁকে আইনের গণ্ডি এবং মানদণ্ডের মধ্যে কাজ করতে বলেছিলাম। যদি তিনি মনে করেন, তাঁর রক্ষাকারীরা চিরকাল থাকবেন, তাহলে তিনি ভুল। ক্ষমতা থেকে সরে গেলে তাঁরা ধরা পড়বেন।"

অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, "মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার মানুষ বিজেপিকে চায়নি। লড়াইটা এখানে (নির্বাচন সদনে), বুথে, সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়, সংবাদমাধ্যমে নয়। ইভিএমে নয়, ভোট চুরি হচ্ছে নির্বাচনী তালিকায়। ইভিএমগুলি পরে পরীক্ষা করা যেতে পারে। কিন্তু ৫৪ লক্ষ ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দিতে তারা কী সফটওয়্যার, কী অ্যালগরিদম ব্যবহার করেছে, তা আপনি কীভাবে জানবেন?" তিনি বিরোধী দলগুলোকে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন সতর্ক থাকতে এবং সক্রিয় হতে আহ্বান জানান।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+