• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    রবিনসন স্ট্রিট কঙ্কাল কাণ্ড : একই বাড়িতে থেকে বাবা-মেয়ে-ছেলে একে অপরকে চিঠি লিখতেন?

    কলকাতা, ১২ জুন : বুধবার শেক্সপিয়র সরণীর বাড়ি থেকে অগ্নিদ্বগ্ধ বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার করতে গিয়ে ৩টি কঙ্কাল উদ্ধার হয়। আর এই নিয়েই চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। তদন্তে নেমে যা যা তথ্য সামনে এসেছে তাতে দিশেহারা পুলিশ।[৬ মাস ধরে দিদির কঙ্কালের সঙ্গে বসবাস ভাইয়ের, খাবারও দিতেন নিয়মিত!]

    রবিনসন স্ট্রিট কঙ্কাল কাণ্ড : একই বাড়িতে থেকে বাবা-মেয়ে-ছেলে একে অপরকে চিঠি লিখতেন?

    তদন্তে নেমে যা যা সামনে এসেছে তা একঝলকে দেখে নেওয়া যাক

    • ১. বাড়ি থেকে বেশ কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিঠি গুলিতে একাধিক ব্যক্তির হাতের লেখা পাওয়া গিয়েছে। কোনও চিঠিতে লেখা আছে, "আমি কী এই জীবনই চেয়েছিলাম। এভাবে আর বাঁচা যায় না।..." তো অন্য একটি চিঠিতে অন্য একজনের হাতের লেখায় লেখা রয়েছে, "ঈশ্বরে ভরসা রাখ সব ঠিক হয়ে যাবে।

      এই চিঠি গুলি কাদের লেখা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে কী একই বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও বাবা অরবিন্দ দে, মেয়ে দেবযানী দে, এবং ছেলে পার্থ দে একে অপরের সঙ্গে সঙ্গে চিঠিতে কথা বলতেন? যদি তাই হয় তাহলে তার কারণই বা কী?

    • ২. প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ১৫ বছর এলাকায় থাকা সত্ত্বেও কখনও দেবযানীকে তাঁরা দেখেননি। দে পরিবারের কেউই পাড়াতে একেবারেই মিশতেন না। কারোর সঙ্গে কথা বলাও পছন্দ করতেন না। তবুও পার্থবাবু ও অরবিন্দ বাবুকে মাঝেমধ্যে দেখা গেলেও দেবযানীকে কেন কেউ কখনও দেখেননি তা নিয়েও রহস্য দানা বাঁধছে।
    • ৩. অরবিন্দ বাবুর ভাই অরুণ দে এই ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছেন। কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে চাইছেন না তিনি। অরবিন্দবাবুর আত্মীয় সূত্রে জানা গিয়েছে অরুণবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ভাল ছিল না দে পরিবারের। কিন্তু চুপ থেকে কী কোনও কিছু চাপা দিতে চাইছেন অরুণ দে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

      এদিকে পুলিশের জেরায় অরুণবাবু ও পার্থবাবুর কথায় অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। একদিকে পার্থবাবু বলছেন, একমাস আগে তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কাকা অরুণ দে কে নিমন্ত্রণ করলেও তাঁকে দরজা থেকেই তিনি তাড়িয়ে দেন। সেখানে অরুণবাবুর বক্তব্য, সেদিন সস্ত্রীক তিনি পার্থবাবুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, তাঁর সামনেই কেক কেটেছিলেন পার্থবাবু।

    • ৪. পুলিশের সংশয় হচ্ছে আরও একটি বিষয় নিয়ে, দেবযানীর এতদিন ধরে কোনও খোঁজ নেই অথচ কোনও আত্মীয়স্বজন তাঁর বিষয়ে জানতেও চাননি ।

      আত্মীয়দের একাংশের কথায়, পার্থ কারোর সঙ্গে না মিশলেও অরবিন্দ বাবু আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে খুবই স্বাভাবিকভাবে মিশতেন। দেবযানীর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন ও যেখানেই আছে ভাল আছে। প্রশ্ন তবে কী অরবিন্দ বাবুও পার্থবাবু মতো মানসিক বিকারগ্রস্ত ছিলেন।?

    • ৫. পার্থবাবুকে আপাতত পাভলভের চিকিৎসার জন্য রাখা হয়েছে। কিন্তু সেখানেও কারোর কোনও কথার উত্তর দিতে চাইছেন না তিনি। হাসপাতাল সূত্রের খবর, বারবার মাদার হাউসে যেতে চাইছেন পার্থবাবু।


      চিকিৎসকদের কথায়, নিজের জগতে রয়েছেন পার্থবাবু। কখনও চা খেতে চাইছেন, চা এনে দেওয়া হলে বলছেন তিনি কখনও চা খান না। দিদির কাছে বারবার যেতে চাইছেন তিনি। ৩ মনোবিদ সহ ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে পার্থবাবুর চিকিৎসার জন্য।

    • ৬. রবিনসন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে যে ৩ টি কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছে তার ময়নাতদন্ত হবে আজই। পরীক্ষা করে দেখা হবে মানুষের কঙ্কালটি আদৌ দেবযানীরই কি না। কঙ্কালটির বয়স কত।
    • ৭. পার্থবাবুর বাড়ি থেকে ২ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ল্যাপটপ পরীক্ষা করে দেখবেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের আশা এই ল্যাপটপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনও ক্লু পাওয়া যেতে পারে।
    English summary
    Being Staying in same house Father-daughter-son wrote letters to each other? Mystery further intensify in Robinson Street skeleton case
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more