Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মোদী ট্রাম্প কথোপকথনে বাণিজ্য উত্তেজনার মাঝেই সম্পর্ক দৃঢ় করার বার্তা

ভারত ও মার্কিন বাণিজ্য অচলাবস্থার মধ্যেই বৃহস্পতিবার ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই নেতার আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল দুই দেশের 'কমপ্রিহেনসিভ গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ' এর বর্তমান গতি, ও ভবিষ্যতের বাণিজ্য সহযোগিতা আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।

দুই রাষ্ট্রনেতাই স্বীকার করেছেন দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার পরিধি প্রতিনিয়ত বিস্তৃত হচ্ছে। আর সেই ধারাকে বজায় রাখতে বাণিজ্যে নতুন গতি আনার ওপর জোর দেন মোদী ও ট্রাম্প। ঠিক সেই দিনই নয়াদিল্লীতে বসেছিল দুই দেশের আধিকারিকদের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ দুই দিনের বাণিজ্য বৈঠক।

ফোনালাপের পর মোদী এক্স হ্যাণ্ডেলে লিখেছেন, "ট্রাম্পের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ভারত ও মার্কিন সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে।"
মোদী আরও জানান বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

আলোচনায় উঠে এসেছে ২১ শতকের কমপ্যাক্ট কাঠামো যার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, শক্তি, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আঞ্চলিক সংকট, বৈশ্বিক উদ্বেগ সব বিষয়েই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে একসঙ্গে এগোনোর কথা বলেছেন দুই নেতা।

এদিকে মার্কিন সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন কমিটির বৈঠকে মার্কিন ইউএসটিআর জেমিসন গ্রিয়ার ভারতকে "টট নাট টু ক্র্যাক" বলে ব্যাখ্যা করলেও স্বীকার করেছেন মোদী সরকারের সাম্প্রতিক বাজার প্রবেশাধিকারের প্রস্তাব আমেরিকার প্রাপ্ত "সেরা অফার"।

গ্রিয়ারের বক্তব্য, ভারতের কৃষিজ পণ্যের বাজারে আমেরিকান পণ্যের প্রবেশে বাধা থাকলেও দিল্লির সাম্প্রতিক প্রস্তাব অত্যন্ত ইতিবাচক। তাঁর কথায়, "যত অফার ভারত এখন দিচ্ছে, এ ধরনের প্রস্তাব আমরা আগে কখনও পাইনি।"

গ্রিয়ার আরও জানান, এই সপ্তাহেই মার্কিন প্রতিনিধি দল দিল্লীতে এসেছে বাকি অচলাবস্থা কাটাতে বিশেষত আমেরিকান কৃষিজ পণ্য, মাংস ও দুগ্ধজাত দ্রব্য নিয়ে ভারতের আপত্তি দূর করতে।

ওয়াশিংটন এখন ভারতকে "উপযুক্ত বিকল্প বাজার" হিসেবেও দেখছে বিশ্ব বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র যখন নতুন পথ খুঁজছে, তখন ভারতকে সম্ভাবনাময় সঙ্গী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন মনোভাবকে স্বাগত জানিয়ে ভারতের বাণিজ্য শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল বলেছেন যদি ওয়াশিংটন ভারতের অফারে সন্তুষ্ট হয়, তবে দ্রুতই দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করা উচিত।

ডেপুটি ইউএসটিআর রিক সুইৎজারের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই ভারতের মুখ্য আলোচক দর্পন জৈনের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল এই আলোচনার সামগ্রিক তদারকিতে রয়েছেন। বছরের শেষের আগেই বাণিজ্য কাঠামোর প্রথম ধাপ চূড়ান্ত করার লক্ষ্য দুই পক্ষেরই।

ঠিক এমন সময় যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর আরোপ করেছে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও রাশিয়ান তেল কেনা সংক্রান্ত আরও ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত জরিমানা মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক, যা কোনও অংশীদার দেশের ক্ষেত্রে বিরল।

তার ওপর নতুন করে ঝড় তুলেছেন ট্রাম্প নিজেই। হোয়াইট হাউসের এক আলোচনায় এক কৃষক প্রতিনিধি ভারতের চাল রপ্তানির অভিযোগ তুললে ট্রাম্প প্রশ্ন করেন, "ভারত কি ছাড় পায়? তাহলে কেন তারা শুল্ক দেবে না?" ইঙ্গিত মেলে, ভারতীয় চালের ওপর নতুন করে বাড়তি শুল্ক বসতে পারে।

অন্যদিকে, এই সব উত্তেজনার মাঝেই মোদী ট্রাম্পের কথোপকথন দুই দেশের সম্পর্কে নতুন প্রত্যাশা জাগাচ্ছে সমঝোতার পথেই এগোতে চাইছে দিল্লী ও ওয়াশিংটন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+