Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Hindenburg Research: আইনি গেরোয় হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ, মামলার প্যাঁচে অ্যান্ডারসনও; ভুরি ভুরি বেনিয়মের প্রমাণ!

Hindenburg Research: সংস্থা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। কিন্তু এখনই বিতর্ক (Controversy) পিছু ছাড়ছে না আমেরিকার শর্ট সেলিং ফার্মের (Short Selling Farm)। আইনি জটিলতায় ফেঁসে গিয়েছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ন্যাথান অ্যান্ডারসন।

কানাডার (Canada) অন্টারিওর আদালতে আইনি লড়াইয়ের গেরোয় হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ ও অ্যান্ডারসন (Nathan Anderson)। সূত্রের খবর, হিন্ডেনবার্গের গোপন আঁতাত (Secret Ties) থেকে বিভিন্ন বেনিয়মের বিরুদ্ধে একে একে যথেষ্ট প্রমাণ উঠে আসছে।

adani

কানাডার অনলাইন তদন্তমূলক সংবাদমাধ্যম মার্কেট ফ্রডের রিপোর্ট বলছে, অ্যান্ডারসন ও অ্যানসন ফান্ডের বিরুদ্ধে একাধিক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ সামনে এসেছে। হিন্ডেনবার্গ ও অ্যানসনের মধ্যে যাবতীয় লেনদেনের বিষয় যখন সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের তদন্তের আওতায় আসবে, সেদিনই অ্যান্ডারসন দোষী সাব্যস্ত হবেন।

আর বিস্ফোরক এই তথ্য সামনে আসতেই হিন্ডেনবার্গের তড়িঘড়ি ঝাঁপ বন্ধ করার কারণও সন্দেহাতীতভাবে আরও স্পষ্ট হয়েছে। রাতারাতি সংস্থা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত অবাক করেছে গোটা বিশ্বকে। বিশেষত মার্কিন মসনদে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করার ঠিক তিন দিন আগে হিন্ডেনবার্গের পাততাড়ি গুটিয়ে ফেলা অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

গত নভেম্বরে হিন্ডেনবার্গ-সহ একাধিক শর্ট সেলিং ফার্মের গোপন আঁতাতের পর্দাফাঁস করেছিল ব্লুমবার্গের ক্র্যাক রিসার্চ টিম। এবিষয়ে সবিস্তারে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল তারা। 'শর্ট সেলিং সিকরেট টকস অ্যান্ড অ্যালায়েন্সেস এমার্জ ইন কোর্ট ব্যাটেল' শীর্ষক ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ ও অ্যানসন ফান্ডের মধ্যে আঁতাতের কথা। কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত মোয়েজ কাসাম পরিচালিত বিনিয়োগকারী সংস্থা অ্যানসন ফান্ড।

যদিও সেই আঁতাতের কথা অস্বীকার করে হিন্ডেনবার্গ। ব্লুমবার্গের কাছে হিন্ডেনবার্গ পাল্টা দাবি করে, প্রতি বছর শয়ে শয়ে এরকম বিনিয়োগকারী সংস্থা নানা সূত্র ধরে তাদের সঙ্গে কাজ করে। পুরোপুরি স্বচ্ছতা বজায় রেখেই তাদের কাজকর্ম পরিচালিত হয় বলে দাবি করে হিন্ডেনবার্গ। রিপোর্টের সত্যতা উড়িয়ে দিয়ে জনসমক্ষে অ্যান্ডারসন দাবি করেন, অ্যানসন বা অন্য কোনও সংস্থার সঙ্গে তাদের আঁতাত নেই।

যদিও ফাঁস হওয়া বিভিন্ন ইমেল আবার অন্য কথা বলছে। ২০১৯ সালে অ্যানসন ফান্ডের সঞ্জীব পুরীর সঙ্গে হিন্ডেনবার্গের মধ্যে চালাচালি হয়েছে এক ডজনেরও বেশি মেল। যা থেকে বোঝা গিয়েছে, হিন্ডেনবার্গের ক্ষমতা সীমিত করে দিয়ে কার্যত সংস্থার যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়ে নিয়েছিল অ্যানসন ফান্ড। তবে দুই তরফে কীরকম আর্থিক বোঝাপড়া হয়েছিল তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।

২০২৩ সালে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম রিপোর্ট প্রকাশ করে হিন্ডেনবার্গ। যার জেরে প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হয় তারা। সূত্রের খবর, তাদের বিরুদ্ধে কারা কলকাঠি নাড়ছে জানতে, বিদেশি গোয়েন্দাদের সঙ্গে যৌথভাবে গত বছরই তদন্ত শুরু করেছে আদানি। তবে হিন্ডেনবার্গের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা দায়ের করেনি আদানি গোষ্ঠী।

যদিও আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে অ্যানসনের কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে বেশকিছু রিপোর্টে দাবি, অ্যানসনের আড়ালে থেকে সংগঠিত অপরাধ করা হয়েছে আদানিদের সঙ্গে। অ্যানসন প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী মরিসা সাইগাল কাসাম ও তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র জেপি মরগ্যানে সহকর্মী ছিলেন। কমপক্ষে ১২ বছর ধরে সেখানে কাজ করেছেন মহুয়া মৈত্র। আর হিন্ডেনবার্গের অভিযোগের পর আদানিদের বিরুদ্ধে লোকসভায় সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছেন মহুয়াই।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+