বর্ষা পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে ঘাটতির আশঙ্কা, লা নিনোকে কাঠগড়ায় তুললেন আবহাওয়াবিদেরা
বর্ষা পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিতে ঘাটতির আশঙ্কা, লা নিনোকে কাঠগড়ায় তুললেন আবহাওয়াবিদেরা
এদিকে বর্ষার ভারী বৃষ্টিতে যখন ভাসছে দেশের একাধিক রাজ্য তখন অনেক জায়গাতেই পর্যাপ্ত বৃষ্টির ঘাটতির কথা শোনা যাচ্ছে। এবার বর্ষা পরবর্তী সময়েও সারা বছর বৃষ্টিতে ঘাটতির কথা শোনাচ্ছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও। যার জন্য এবার লা নিনো কে কাঠগড়ায় তুলেছেন আবহাওয়াবিদেরা।

বর্ষা পরবর্তী সময়েও কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা
এল নিনো এবং লা নিনো উভয়ই দুটি স্প্যানিশ শব্দ। স্প্যানিশে লা নিনো শব্দের অর্থ 'বালিকা' আর এল নিনো শব্দের অর্থ 'বালক'। নাম আর লিঙ্গের মতন এদের স্বভাবও সম্পূর্ণ বিপরীত। এল নিনোর ফলে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় আর লানিনো র ফলে তা হ্রাস পায়। আর তার জেরে একাধিক বড়সড় জলবায়ুগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় বলে জানাচ্ছেন গবেষকেরা।

কি বলছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ?
সম্প্রতি বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা ডব্লিউএমও জানাচ্ছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ৬০% দুর্বল লা নিনো তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ভারতে বর্ষা পরবর্তী মরসুমে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর বা আইএমডি-এর প্রধান এম মহাপাত্র বলেন, "লা নিনো দক্ষিণ-পশ্চিমে বর্ষার পক্ষে ভাল তবে এটি উত্তর-পূর্বের বর্ষা বা বর্ষা পরবর্তী মরসুমে খারাপ প্রভাব ফেলবে। লা নিনো র প্রভাবের বর্ষা পরবর্তী সময়ে আমরা পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে ভুগতে পারি"।

চিন্তা বাড়ছে আবহাওয়াবিদদের
এদিকে উত্তর-পূর্বে বর্ষার কারণে বর্ষা পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে দেশের উপদ্বীপ অঞ্চল গুলিতেও যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয়। এদিকে ইতিমধ্যেই সর্বাধিক উষ্ণতম বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ২০২০। তার উপর বর্ষা পরবর্তী মরসুমে বৃষ্টির অপ্রতুলতা ইতিমধ্যেই চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে আবহাওয়াবিদদের।

এল নিনো ও লা নিনোর আসল পার্থক্য কোথায় ?
আবহাওয়াবিদেরা জানাচ্ছেন একদিকে যেমন এল নিনোর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, এবং লা নিনো তা নিয়ন্ত্রণে আনে। উদাহরণস্বরূপ ভারতে এল নিনো খরা বা দুর্বল বর্ষার সাথে যেমন সম্পর্কিত, সেখানে লা নিনো আবার ভারী বৃষ্টিপাত বা বন্যার সাথে সম্পর্কিত। গত বছর দুর্বল এল নিনোর প্রভাবে জুন মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অত্যন্ত শুষ্ক পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল এবং ওই মাসে মোট বৃষ্টিপাতের ৩৩% ঘাটতি ও দেখা দিয়েছিল। শেষ লা নিনো দেখা দিয়েছিল ২০১৭-১৮ সালে, যা ছিল স্বল্পকালীন। ডাব্লুএমওর তথ্য অনুসারে এটি ছিল দুর্বল থেকে মাঝারি লা নিনো যা নভেম্বর ২০১৭ সালে শুরু হয় এবং ২০১৮ সালের এপ্রিলে শেষ হয়ে যায়।
-
বিশ্বখ্যাত আইটি সংস্থায় একলপ্তে ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই, ভারতে কাজ গেল ১২ হাজার জনের -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ফের ব্যর্থ ইতালি, এই প্রথম কোনও চ্যাম্পিয়ন দল ফুটবলের সেরা আসরে নেই টানা তিনবার -
বাণিজ্যিক গ্যাসে ফের মূল্যবৃদ্ধি, শহর ভেদে বাড়ল সিলিন্ডারের দাম -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিল ব্রাজিল, জয় ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কেউ নাম বাদের ভয়ে ভীত, কেউ চাইছেন এবারের 'গুরুত্বপূর্ণ' ভোটে অবদান রাখতে, নির্বাচনের আগে পরিযায়ী শ্রমিকরা যেকরেই হোক ফিরছেন বাংলায় -
নায়ক কনোলি, গুজরাত টাইটান্সকে হারিয়ে দিল পাঞ্জাব কিংস











Click it and Unblock the Notifications