Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দেশজুড়ে এবার ডিজিটাল গ্রেফতারির তদন্তে সিবিআই, কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট?

সুপ্রিম কোর্ট সোমবার 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' এর মতো ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)-কে দেশজুড়ে এই সম্পর্কিত সকল মামলার গভীর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' এক ধরনের সাইবার অপরাধ। এতে প্রতারকেরা পুলিশ, আদালতের বা সরকারি প্রতিনিধি সেজে অডিও-ভিডিও কলের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের ভয় দেখায়। মিথ্যা অভিযোগে, অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত থাকার কথা বলে, তাদের কার্যত 'অনলাইন বন্দি' করে রাখে এবং গুরুতর পরিণতির হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করে।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলিকে সিবিআইকে তাদের সীমানার মধ্যে এই মামলার তদন্তে সম্মতি দিতে নির্দেশ দিয়েছে। কয়েকটি বিরোধী-শাসিত রাজ্য অবশ্য সিবিআই তদন্তে সাধারণভাবে সম্মতি প্রত্যাহার করেছে। সেজন্যই এই নির্দেশ।

সর্বোচ্চ আদালতের বেঞ্চ আরবিআই-কেও প্রশ্ন করেছে, সাইবার জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি দ্রুত ফ্রিজ করতে কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিং-এর ব্যবহার হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি নোটিশ জারি হয়েছে।

হরিয়ানার এক বয়স্ক দম্পতির অভিযোগের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছে যে, সাইবার চাঁদাবাজির প্রধান শিকার প্রবীণ নাগরিকরাই।

আদালত সিবিআইকে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে বলেছে, যাতে অফশোর ট্যাক্স হেভেন থেকে পরিচালিত সাইবার অপরাধীদের খুঁজে বের করা যায়।

কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে বেঞ্চ সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে আঞ্চলিক ও রাজ্য-স্তরের সাইবারক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে।

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে স্বরাষ্ট্র, টেলিকম, অর্থ এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সাইবার অপরাধ দমনের বিষয়ে মতামত জানাতে বলা হয়েছে।

আদালত সিবিআইকে ব্যাঙ্ক আধিকারিকদেরও তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। যারা প্রতারকদের সঙ্গে যোগসাজশে 'মূল' অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অপরাধে সহায়তা করতে পারে। সাইবার অপরাধীরা এসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে পরিচয় গোপন করে অবৈধ অর্থগ্রহণ ও হস্তান্তর করে।

একটি 'মূল' অ্যাকাউন্ট হল অন্যের নামে খোলা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যা অবৈধ অর্থ স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়, ফলে প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করা তদন্তকারীদের পক্ষে কঠিন হয়।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট' কেলেঙ্কারির ব্যাপকতা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল। তখন উল্লেখ করা হয়েছিল যে, প্রবীণ নাগরিক সহ ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ প্রতারণা করে আদায় করা হয়েছে। আদালত তখন জোর দিয়ে বলেছিল, এই অপরাধকে 'কঠিন হাতে' দমন করতে হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+