• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

এবার দিল্লিতে কঙ্কালকাণ্ড : স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বসবাস ৯০ বছরের বৃদ্ধের

  • By Oneindia Bengali Digital Desk
  • |

নয়াদিল্লি, ১২ অক্টোবর : কলকাতার কঙ্কালকাণ্ডের ছায়া এবার সুদূর দিল্লিতেও। স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বসবাস করছিলেন নব্বই বছরের এক বৃদ্ধ। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির কালকাজি এলাকায়। সোমবারই ঘটনাটি সামনে আসে। [হরিণঘাটায়, ৯ মাস মায়ের দেহ আগলে ২ ছেলে]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক প্রতিবেশী পুলিশে খবর দিয়ে জানায়, বৃদ্ধ গোবিন্দ রামের বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। তারপরই পুলিশ এসে গোটা ঘটনা পরিষ্কার হয়। [হাওড়ায় মায়ের মরদেহ আগলে তিন রাত ঘরবন্দি ছেলে]

দিল্লিতে কঙ্কালকাণ্ড : স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বাস নবতিপর বৃদ্ধের

জানা গিয়েছে, নবতিপর গোবিন্দ রাম মানসিকভাবে অসুস্থ। স্ত্রী গোপী মারা গেলেও তিনি নিজেদের এক বেডরুমের ফ্ল্যাটে তাঁকে সঙ্গী করেই বাস করছিলেন। [হাওড়ায় মেয়ের মরদেহ নিয়ে বাস মায়ের]

স্ত্রীর মরদেহ মাটিতে পড়েছিল। গোবিন্দ রামকে খাটে শোওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, বেশ কয়েকদিন আগেই গোপীদেবীর মৃত্যু হয়েছে। [বাড়ির দালানে গৃহবধূর কঙ্কাল উদ্ধার, চাঞ্চল্য কাঁথিতে]

দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়া হলেও প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক কিছু মেলেনি। বৃদ্ধা দম্পতি চূড়ান্ত অবহেলার মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই বৃদ্ধার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃদ্ধ দম্পতির এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়কে খবর দেওয়া হয়েছে গোবিন্দ রামকে নিয়ে গিয়ে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করা হচ্ছে। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, গত কয়েকবছর ধরেই স্ত্রী গোপী অসুস্থ ও শয্যাশায়ী ছিলেন। কয়েকদিন আগে স্ত্রী মাটিতে পড়ে গেলে আর ওঠেননি। অর্থাৎ তখনই গোপীদেবীর মৃত্যু হয়েছে বলে আন্দাজ করছে পুলিশ।

lok-sabha-home
English summary
90-Year-Old Found Living With Wife's Decomposing Body In Delhi
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more