• search

স্থানীয় মহিলাদের বিয়ে করে বাংলায় স্থায়ী ঘাঁটি বানানো ছক ছিল জেএমবি-র

  • By Oneindia Staff Writer
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    স্থানীয় মহিলাদের বিয়ে করে বাংলায় স্থায়ী ঘাঁটি বানানো ছক ছিল জেএমবি-র
    কলকাতা, ৪ নভেম্বর : তদন্তে নেমে আর একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পারে এনআইএ-র তদন্তকাকারী আধিকারিকরা। পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ একটি নয়া পন্থা নিয়েছিল জেএমবি। দলের মুফাজ্জল ও অন্যান্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এনআইএ আধিকারিকদের সন্দেহ আরও তীব্র হয় যে, পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী ডেরা বানানোর জন্য স্থানীয় মহিলা বা পুরুষদের সঙ্গে বিবাহের পরিকল্পনা ছিল জেএমবি সদস্যদের।

    ২০০৬ সালে বাংলাদেশ থেকে উৎখাত হওয়ার আগে সেখানে জেএমবি ঠিক যেভাবে মডিউল গড়ে তুলেছিল ঠিক একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেও মডিউল গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর ছিল তারা। কোনও একটি ঘটনা বা নাশকতার ছকের জন্য এই ঘাঁটি খুঁজছিল না জেএমবি বরং পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি গেড়ে সেখান থেকে একের পর এক ঘটনার ব্লু প্রিন্ট বানানোর পরিকল্পনা ছিল জেএমবি-র। ভারতে বসে বাংলাদেশ সহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলিতে আক্রমণ চালালেও সেই আক্রমণের দায় ভারতের উপরই আসবে, এই ছিল জেএমবি-র মূল উদ্দেশ্য।

    জেএমবি চেয়েছিল বাংলাদেশের উপর আক্রমণের পুরো দায় ভারতের মাথায় আসলে, শুধু যে তদন্তে বিভ্রান্তি ছড়াবে তাই নয়, বরং ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীর সম্পর্ক শত্রুতায় বদলে যাবে। এই তথ্য দিয়ে এনআইএ। এই পরিকল্পনার প্রাথমিক ধাপ হিসাবে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় মডিউল গঠন করেছিল। কয়েক বছররে মধ্যে এই জাল রাজ্যের অন্য়ান্য জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

    যদিও এই পরিকল্পনা দীর্ঘকালীন ছিল। তাই জেএমবি চাইছিল যেন গোটা বিষয়টা একটা পারিবারিক বিষয় বলে প্রতিষ্ঠা করা যায়। পরিবারের টান থাকলে বিষয়টি পাঁচকান হবে না, এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তথ্যও পরিবারের বাইরে বেরবে না। এছাড়াও স্থানীয় নারী বা পুরুষকে বিয়ে করার ফলে এলাকায় স্বাভাবির জীবনযাপন করাটাও যেমন সহজ হবে তেমনই সদস্য সংখ্যাও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে অনুমান ছিল জেএমবির।

    English summary
    JMB planning on getting married to local men and women in a bid to settle down in West Bengal

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more