কেন্দ্র বনাম রাজ্য সংঘাত চরমে! আইপ্যাক মামলায় CBI তদন্ত কী জরুরি? আজ সুপ্রিম কোর্টে শুনানি
আই-প্যাকের কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে হওয়া ইডি-র তল্লাশি ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল তা এবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে পৌঁছেছে। আর এই ঘটনাটিকে ঘিরেই এবার কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আজ শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি রয়েছে। আর এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের কোনও প্রয়োজন আছে কি না, শুনানিতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও উঠতে পারে। সেইসঙ্গে আলোচনায় এসেছে আরও একটি বড় বিতর্ক, আদৌ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না।

ইডি-র অভিযোগ যে, গত ৮ জানুয়ারি আই-প্যাকের দফতরে তল্লাশির সময় তাদের তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা হয়। আর সেই ঘটনার কারণেই সুপ্রিম কোর্টে মমতা ব্যানার্জী এবং রাজ্যের কয়েকজন শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে। বিচারপতি পি কে মিশ্র এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
কেন্দ্রের তরফ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে যে, তল্লাশির সময় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল ডিভাইস এবং নথি সরিয়ে নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে এক ইডি আধিকারিকের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি। অভিযোগ উঠেছে যে, এই কারণে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। ইডি-র দাবি, এটি একমাত্র ঘটনা নয়, বরং রতি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে বাধা সৃষ্টি করার একটি ধারাবাহিক প্রবণতা।
অন্যদিকে আবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বক্তব্য যে, মুখ্যমন্ত্রী কোনওভাবেই ইডি-র কোনও কাজে হস্তক্ষেপ করেননি। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্যেই নাকি তিনি সেখানে গিয়েছিলেন বলে দাবি রাজ্যের। সেইসঙ্গে রাজ্যের অভিযোগ যে, ইডি-র অভিযানটি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
উল্লেখ্য, এই তল্লাশির সূত্র জুড়ে প্রায় ২,৭০০ কোটি টাকার কয়লা পাচার মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, ৮ জানুয়ারি যে ঘটনা ঘটেছিল সেই ঘটনার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications