ডিএ বকেয়া পরিশোধে রাজ্যের নতুন রূপরেখা, মার্চ থেকেই মিলবে প্রথম কিস্তি
বহুদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা তথা ডিএ ঘিরে রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগের মাঝেই সামনে এল গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। সময় যত এগোচ্ছে, ততই কর্মীদের একটাই প্রশ্ন, কবে হাতে আসবে সেই প্রতীক্ষিত টাকা? ভোটের আবহে সেই জল্পনার মাঝেই রাজ্যের তরফে এল স্পষ্ট বার্তা।
সম্প্রতি রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকেই ধাপে ধাপে বকেয়া ডিএ প্রদান শুরু হবে। এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী থেকে শুরু করে অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন, অর্থ দপ্তরের জারি করা নির্দেশিকা মেনেই এই অর্থ বিতরণ করা হবে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ দুই দফায় মেটানো হবে মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসে। তবে ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সে বিষয়ে পরবর্তীতে আলাদা নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই ইস্যু ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতেই রাজ্যের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে টাকা পাওয়ার পদ্ধতি নিয়েও রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। গ্রুপ এ, বি ও সি কর্মীদের বকেয়া অর্থ তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। অন্যদিকে গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।
যদিও এই ব্যবস্থাকে ঘিরে কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষও রয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন জিপিএফে জমা হওয়া টাকা যদি নির্দিষ্ট সময়ের আগে তোলা না যায়, তাহলে হাতে পাওয়ার সুবিধা কোথায়?
দীর্ঘদিনের দাবির আংশিক সুরাহা হলেও পুরো বকেয়া মেটাতে এখনও অপেক্ষার প্রহর গুনতে হচ্ছে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কর্মী ও পেনশনভোগীদের।












Click it and Unblock the Notifications