একধাক্কায় অনেকটাই কমল EPF-তে সুদের হার! ১০ বছরের সর্বনিম্ন সুদ নিয়ে প্রশ্ন অর্থনীতিবিদদের
আর্থিক বর্ষ ২০২১-২২ শেষ হওয়ার আগে খারাপ খবর মধ্যবিত্তদের জন্য। এদিন ইপিএফও(EPFO) -র তরফে জানানো হয়েছে, চলতি আর্থিক বছরের জন্য সুদের হার (rate of interest) কমানো হচ্ছে। ৮.৫ শতাংশ থেকে সুদের হার কমিয়ে করা হচ্ছে ৮.১ শতা
আর্থিক বর্ষ ২০২১-২২ শেষ হওয়ার আগে খারাপ খবর মধ্যবিত্তদের জন্য। এদিন ইপিএফও(EPFO) -র তরফে জানানো হয়েছে, চলতি আর্থিক বছরের জন্য সুদের হার (rate of interest) কমানো হচ্ছে। ৮.৫ শতাংশ থেকে সুদের হার কমিয়ে করা হচ্ছে ৮.১ শতাংশ। গত ১০ বছরে এই সুদের হার সর্বনিম্ন।

গতবছরে সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ
গতবছরের মার্চে অর্থাৎ ২০২০-২১-এ ইপিএফও-র বোর্ডের তরফে সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮.৫%। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক শ্রমিক কর্মচারীরা ইপিএফ থেকে টাকা তুলে নিয়েছিলেন। গত ৩১ ডিসেম্বর প্রর্যন্ত ৫৬.৭৯ লক্ষ আবেদনপত্রের নিরিখে ১৪৩১০.২১ কোটি টাকা তুলেছিলেন শ্রমিক কর্মচারীরা। সেই পরিস্থিতিতেও গত বছরেও সুদের হার রাখা হয়েছিল ৮.৫%। তার আগের বছরে অর্থাৎ ২০১৯-২০ সুদের হার ছিল ৮.৫%। ২০১৮-১৯ সালে সুদের হার ছিল ৮.৬৫%।

প্রশ্ন তুলেছিল অর্থমন্ত্রক
তবে বছরের পর বছর ধরে ইপিএফও-তে সুদের হার বেশি থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল অর্থমন্ত্রক। বাজার চলতি সুদের হার অর্থাৎ ৮ শতাংশের নিচে করার জন্যও চাপ দিয়েছিল অর্থমন্ত্রক। এখনও পর্যন্ত যে কোনও সঞ্চয় প্রকল্পের মধ্যে ইপিএফওতে সুদের হার সর্বোন্ন। সাধারণভাবে স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে ৭.৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

বিপরীত মুখী প্রবণতা
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সাধারণভাবে মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে সুদের হার বাড়ানো হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। সরকার সাধারণ মানুষকে শেয়ার বাজারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার পুঁজি তুলে দিতে চাইছে বৃহৎ পুঁজিপতিদের হাতে। সেই কারণেই এই অবস্থা।

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির বৈঠকে
এদিন ইপিএফও-র সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির বৈঠকে সুদ কমানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই বোর্ড অফ ট্রাস্টিতে সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তবে এর নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী। এই বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন ব্যবসায়িক সংস্থার প্রতিনিধিরাও। তবে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় অর্থমন্ত্রক।
১৯৫২ সালের ইপিএফ আইন অনুসারে শ্রমিক কর্মচারীদের এটি একটি বাধ্যতামূলক সঞ্চয় প্রকল্প। যেসব প্রতিষ্ঠানে ২০ কিংবা তার বেশি লোক রয়েছে, সেখানে ইপিএফ কার্যকরী। এক্ষেত্রে কর্মীকে যেমন একটি নির্দিষ্ট টাকা দিতে হয়, ঠিক তেমনই দিতে হয় নিয়োগ কর্তাকেও। অবসর গ্রহণের সময় কিংবা চাকরির শেষ সংয়ে কর্মী সুদ-সহ টাকা ফেরত পান।
-
ধসে পড়ল সেনসেক্স! মুহূর্তে উধাও ১২ লক্ষ কোটি, কেন ভাঙল শেয়ারবাজার? জানুন -
ভোটের দামামা বাজতেই ময়দানে মমতা! ভবানীপুর থেকে নির্বাচনী লড়াই শুরু, কবে কোথায় প্রচার করবেন মুখ্যমন্ত্রী? -
সুপার এমার্জেন্সি বিতর্কে তোলপাড় আদালত! কমিশনের ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নে সরব কল্যাণ, পাল্টা আক্রমণে নির্বাচন কমিশন -
চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা, মামলা তুলুন, নয়তো খারিজ, উন্নয়ন আটকে রাখা চলবে না -
ভোটার তালিকায় বড় আপডেট আজই! প্রকাশ হবে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট, জানুন বিস্তারিত -
ভবানীপুরে অদৃশ্য নজরদারি! মমতা ও অভিষেকের কড়া বার্তা, ঢিলেমি নয়, বাড়াতে হবে জয়ের ব্যবধান -
ফের বিতর্কে আরজি কর! শৌচালয়ে যেতে গিয়ে মৃত্যু শ্বাসকষ্টের রোগীর, অব্যবস্থার অভিযোগ পরিবারের, আর কী দাবি? -
সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় বড় কাটছাঁটের আশঙ্কা! নাম বাদ গেলে কী করবেন? কীভাবে আবেদন করবেন? জেনে নিন -
উত্তরে তুষারপাত, দক্ষিণে ঝড় বৃষ্টির দাপট, আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানুন -
নিউ ইয়র্কের বিমানবন্দরে দুর্ঘটনা! রানওয়েতে নামার পর দমকলের ট্রাকে ধাক্কা, একাধিক আহতের আশঙ্কা, দেখুন ভিডিও -
বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা! করোনা মহামারির উদাহরণ টেনে লোকসভায় দেশবাসীকে বার্তা মোদীর, কী বললেন? -
বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে গতি, অর্থমন্ত্রীর টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ দুই বিল












Click it and Unblock the Notifications