প্রবল বৃষ্টিতে বাঁকুড়ায় ফুঁসছে নদী, সেতুর উপর দিয়ে বইছে জল
বাঁকুড়া জেলা জুড়ে নিম্নচাপের বৃষ্টি চলছে। ইতিমধ্যেই নদীগুলিতে জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। বিপদসীমার উপর দিয়ে জল বইছে একাধিক নদীতে। হাওয়া অফিস সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রবিবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত জেলায় ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তারপরও অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন জায়গায়।
এই বৃষ্টির জেরে বাঁকুড়া পাওয়ার হাউস সংলগ্ন কংক্রিটের রাস্তার একাংশে ধস নেমেছে। এই রাস্তার পাশ দিয়েই গিয়েছে
দক্ষিণ পূর্ব রেলপথের বাঁকুড়া-আদ্রা রেল লাইন। রাস্তার বেশ কয়েক জায়গায় চওড়া ফাটল লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাস্তা আরও ধসে গেলে রেললাইনের কি ক্ষতি হবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

শরৎ ঋতুতে দুর্যোগের ঘনঘটা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিম্নচাপজনিত বৃষ্টির জেরে বাঁকুড়ার প্রতিটি নদীতেই জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। এই ঘটনার জেরে দক্ষিণ বাঁকুড়ায় শিলাবতী নদীর উপর একের পর এক সেতু জলের তলায়। রবিবার সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম রাজ্য সড়কের উপর সিমলাপালের শিলাবতী নদীর সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে শুরু করেছে। তার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন মানুষ।
অন্য দিকে, একই ছবি খাতড়া - বাঁকুড়া ভায়া বিবড়দা রাস্তার উপর হাড়মাসড়া সংলগ্ন শিলাবতী নদীর ইঁটাপোড়া সেতুতেও। এই সেতুও জলের তলায়। একই ছবি লক্ষ্মীসাগর-বাঁকুড়া ভায়া হাড়মাসড়া রাস্তার উপর। শিলাবতী নদীর জল পাথরডাঙা - ভেলাইডিহা কজওয়ের উপর দিয়ে বয়ে চলেছে। অতি বৃষ্টির কারণে কজওয়ে সম্পূর্ণ ডুবে গিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন। চরম সমস্যায় সিমলাপাল ও তালডাংরা ব্লকের একটা বড় অংশের মানুষ।
এছাড়াও দ্বারকেশ্বর নদীর উপর বাঁকুড়ার মিনাপুরের ভাষাপুল ও গন্ধেশ্বরী নদীর মানকানালী সেতু জলে ডুবে গিয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলির উপর নিম্নচাপ অবস্থান করছে। ফলে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের উপর অবস্থান করবে নিম্নচাপ। ধারাবাহিক বৃষ্টিতে ফের জল বাড়তে পারে৷
পুজোর মুখে কি বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? অতি বৃষ্টির কারণে জলে ভেসে যাবে নদী সংলগ্ন এলাকা? সেই আশঙ্কা করা হচ্ছে৷












Click it and Unblock the Notifications