রানিগঞ্জে খোলামুখ খনি ধসে তিন তাজা প্রাণ শেষ, শুরু রাজনৈতিক তরজা
ফের ইসিএলের খোলামুখ খনি উঠে এল খবরে। তিন জন মানুষের দেহ মিলল ভিতর থেকে৷ আরও কয়েকজন আটকে আছে বলেও আশঙ্কা৷ বৃহস্পতিবার আসানসোলের রানিগঞ্জ নারায়ণকুড়ি কয়লাখনি নিয়ে শুরু রাজনৈতিক তরজাও।
পরিত্যক্ত ওই খোলামুখ খনিতে নেমেছিলেন কয়েকজন। মাটি কেটে কয়লা তোলার কাজ শুরু করতেই বিপত্তি। উপর থেকে ধস নেমে চাপা পড়ে কয়েকজন। বুধবার রাতে এই ঘটনা শোনা যায়। কিন্তু তার সত্যতা তখনও পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার রাতেই বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল অকুস্থলে গিয়েছিলেন।

বুধবার রাত থেকেই ওই কোলিয়ারি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল৷ এলাকারই কয়েকজন ওই খোলামুখ খনিতে নেমেছিল বলে খবর ছড়িয়ে যায়। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলাকার বাসিন্দারা সেই খোলামুখ খনির কাছে আসে। চাপা উত্তেজনাও তৈরি হয়। এরপর পুলিশ গেলে খোলামুখ খনির ভিতরে ঢোকা হয়৷
ধস সরাতে শুরু করলে দেখা যায় কয়েক জন চাপা পড়ে আছে। তিনজনকে এই খবর লেখা পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের কারোর শরীরেই প্রাণ নেই বলে খবর। আরও কেউ কি খনির ভিতরে আটকে আছে? কতজন নেমেছিল ওই রাতে? একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
রানিগঞ্জের কুনুস্তরিয়ার নারায়ণকুড়ি এলাকায় ইসিএলের খোলামুখ খনি রয়েছে। যদিও সেখান থেকে কয়লা উত্তোলনের দায়িত্বে ছিল এক বেসরকারি সংস্থা। এমনই জানা গিয়েছে। সেখান থেকে কয়লা তোলা হত। কখনও তা বন্ধ থাকত। অন্যান্য সময় এলাকার বাসিন্দারা সেখানে ঢুকে কয়লা 'সংগ্রহ' করে বলে খবর। কেন এভাবে বাসিন্দারা অবৈধভাবে পাথর কেটে কয়লা তোলে? পেটের টান? না কী চুরির চক্র? তাই নিয়েও প্রশ্ন আছে।
বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল খোলামুখ খনির কাছে রাতে ধরনা দিয়েছিলেন। দুর্গতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। বিধায়কের কথায়, "দীর্ঘদিন ধরে কয়লা চুরি চলছিল। সেই কথা কী জানত না ইসিএল, পুলিশ? কাউকে ছেড়ে কথা বলব না আমরা।"
সিপিএমের প্রাক্তন সাংসদ বংশগোপাল চৌধুরী বলেন, "এভাবে বহু খোলমুখ খনি পড়ে রয়েছে। যেখানে চুরি করতে গিয়ে বহু মানুষ চাপা পড়ে মারা যাচ্ছে।" ঠিক কতজন ভিতরে আটকে রয়েছে? সেই নিয়ে চাপানউতোড় আছে।












Click it and Unblock the Notifications