Travel: প্রকৃতির কোলে একেবারে অন্যরকম একটি ডেস্টিনেশনে, ঘুরে যান লেপচাদের গ্রাম থেকে
বর্ষা কড়া নাড়ছে। এই শেষবেলার গরমে ঘুরে আসুন পাহাড়ে। সিকিমে হঠাৎ করে গাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। তার জেরে ইচ্ছে থাকলেও পকেটে টান পড়ছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গেরর অফবিট লোকেশনগুলো অপেক্ষা করছে। গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন কালিম্পংয়ের অচেনা গ্রাম কাশয়ং( Kashyong)।
কালিম্পংয়ের এই গ্রামটিতে লেপচা জনজাতির বাস। খুব কম লোকই বাস করেন এখানে। এই গ্রামে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে। তেমনই ২০০ বছরের প্রাচীন একটি লেপচা জনজাতির বাড়ি। একটি পেরেক ব্যবহার না করে কেবল মাত্র কাঠের লগ দিয়েই তৈরি করা হয়েছে বাড়িটি।

এই গ্রামে খুব বেশি হোমস্টে নেই। সেকারণে আগে থেকে বুকিং করে আসাই ভাল। কয়েকদিন আগে কালিম্পংয়ের গরম রীতিমতো খবর হয়েছিল। শোনা যাচ্ছিল কালিম্পং-কার্শিয়ংয়ের তাপমাত্রা এতোটাই বেড়ে গিয়েছিল যে ফ্যান চালাতে হচ্ছিল। আবার আইসক্রিমও খাচ্ছিলেন সকলে। পাহাড়ের গরম কেমন হয় সেটাও উপভোগ করতে পারবেন।
এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার ক্লিয়ার ভিউ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে পাহাড়ের একাধিক গ্রামও দেখা যায়। রাতের সৌন্দর্য অসাধারণ। অন্ধকার নামলেই পাহাড়ে কিছু করার থাকে না বলে অনেকেই বিরক্ত হন। কিন্তু এখান থেকে রাতের বেলায় দূরের পাহাড় এতোটাই সুন্দর লাগে দেখতে যে সেটা না দেখলে বোঝানো যাবে না। অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে ঝিকমিক করে জ্বলে উঠতে থাকে একের পর এক আলো। দূরের পাহাড়কে দেখে মনে হয় কোনও হিরক খচিত নেকলেস।
দিনের বেলায় আশাপাশের এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি গ্রামটাও ঘুরে দেখতে পারেন। লেপচা গ্রাম দেখার অভিজ্ঞতা হবে। অসাধারণ দেখতে এখানকার গ্রাম। চারিদিকে ফুলের সমাহার। প্রতিটি বাড়ির বারান্দা ফুল গাছে সাজানো । এমনকী রাস্তাতেও ফুলের সমাহার দেখতে পাবেন।
এখানে একাধিক রুটে আসতে পারেন। শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং হয়ে পেডং চলে আসুন সেখান থেকে হোমস্টের গাড়ি করে নিলে সুবিধা হবে। আবার রংপো হয়ে আসতে পারেন। এখান থেকে কালিম্পংয়ের দূরত্ব একটু বেশি। সেকারণে ভেঙে ভেঙে আসতে হবে। এখান থেক রংপো-দাঁড়া গাঁও অনায়াসে ঘুরে নিতে পারবেন। এখান থেকে পায়ে হেঁটে ঘুরে নিতে পারবেন মনেস্ট্রি। বৌদ্ধ মনেস্ট্রির শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ অসাধারণ লাগে।












Click it and Unblock the Notifications