গায়ে ধুম জ্বর, তাপমাত্রা চড়ছে ১০২, জলপাইগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৫০ শিশু, বাড়ছে নতুন আতঙ্ক
গায়ে ধুম জ্বর, তাপমাত্রা চড়ছে ১০২, জলপাইগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৫০ শিশু, বাড়ছে নতুন আতঙ্ক
করোনা কালে নতুন আতঙ্ক। জলপাইগুড়ি হাসপাতালে প্রবল জ্বর নিয়ে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। সোমবার সেই সংখ্যা প্রায় ১৫০-য় পৌঁছে গিয়েছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগেও একই পরিস্থিতি। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু সোমবার হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারীকের সঙ্গে এই নিয়ে কথাও বলেছেন তিনি।

কারোর ১০২ জ্বর। ঘোরের মতো পড়ে রয়েছে শিশুগুলি। জ্বর ছাড়লেও কিছু সময়ের পর ফের চলে আসছে। চার-পাঁচদিন পরেও ছাড়ছে না জ্বরটা। তার সঙ্গে আবার শুরু হচ্ছে পেট খারাপ। নেতিয়ে পড়ছে শিশুরা। দিশেহারা বাবা-মায়েরা শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসছেন। রবিবার হাসপাতালে প্রায় ১২৬ জন শিশু ভর্তি ছিল। সেই সংখ্যাটা বাড়তে শুরু করেছে। সোমবার সেটা ১৩০ থেকে ১৫০ হয়ে গিয়েছে। অনেকেই আসঙ্কা করছেন করোনার থার্ড ওয়েভ কামড় বসাতে শুরু করেছে। যদিও জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের করোনা হয়েছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা দেখছেন পুরো পরিস্থিতি।
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আগেই এই নিয়ে সতর্ক করেছিলেন গবেষকরা। সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছিল কেন্দ্র। সব রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্র মন্ত্রক এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সব সরকারি হাসপাতালের শিশুবিভাগগুলির উন্নয়ন করার জন্য। রাজ্য সরকারও সব হাসপাতাল গুলির শিশুবিভাগের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত করার দিকে জোর দিয়েছে। কোনও শিশু করোনা আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা যাতে দ্রুত শুরু করা যায় তার জন্য একাধিক নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিশুর চিকিৎসাই মূল দায়িত্ব বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাসপাতালগুলিকে।
জলপাইগুড়ি হাসপাতালের িশশুদের জ্বর নিয়ে আসার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন জেলা শাসকও। তিনি এদিন হাসপাতালে গিয়ে শিশুদের চিিকৎসার গতি প্রকৃতি নিয়ে খোঁজ খবর নেন। সেই সঙ্গে হাসপাতালে কর্মীদেক কাজ করতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা েসদিকেও নজর দেন। জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের উপসর্গ কি তা নিয়েও খোঁজ খবর নেন জেলা শাসক। চিকিৎসকরাও চিন্তায় রয়েছেন এই অজানা জ্বরের কারণ নিয়ে। এই সময়ে করোনা ছাড়াও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থাকে। সেই রকমের কোনও রোগ বাড়ছে কিনা তা নিেয়ও সংশয় রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications