বরিস জনসনের উত্তরসূরী কে? একনজরে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতারা
বরিস জনসনের উত্তরসূরী কে? একনজরে প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতারা
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরিস জনসনের পদত্যাগ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বরিস জনসন ইতিমধ্যে ব্রিটেন কনজারভেটিভ পার্টির নেতার পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত না কনজারভেটিভ পার্টি তাদের নতুন নেতা খুঁজে পাচ্ছে, বরিস জনসন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন বলে জানিয়েছেন।
ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটিশ সংসদে অসন্তোষ চরমে পৌঁছে যাওয়ার পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে পদত্যাগ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন যে দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন, তা অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কনজারভেটিভ দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন ছিল শুধু নিয়মরক্ষার জন্য। তিন বছর পর দুর্নীতির অভিযোগে বরিস জনসনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ একপ্রকার নিশ্চিত। এই মুহূর্তে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। সম্প্রতি পদত্যাগ করা চ্যান্সেলর ঋষি সুনাকের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশমন্ত্রী লিজ ট্রাসের নামও ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসছে।

কনজারভেটিভ দলের অভ্যন্তরে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন
বরিস জনসনের মন্ত্রিসভায় একাধিক ব্যক্তির নাম পরবর্তী ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠে এসেছে। ব্রিটিশ সংসদে মোট ৩৫৮ জন কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ রয়েছেন। তাঁরা প্রথমে ভোট দিয়ে ব্রিটেনের ব্রিটিনের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থীর তালিকাকে দুইয়ে নামিয়ে আনবেন। এরপরে কনজারভেটিভ দলের ১৮০,০০০ বা তার বেশি সদস্য ভোট দিয়ে তাঁদের নেতাকে নির্বাচিত করবেন। সেই কনজারভেটিভ দলের নেতা ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

ডমিনিক রাব
বর্তমানে তিনি ব্রিটেনের উপ প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সেরকম কোনও উচ্ছাসা নেই বলেই ব্রিটেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। তবে এই মুহূর্তে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পদত্যাগ করলে, তিনিই দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন। যদিও বরিস জনসন জানিয়েছেন, কনজারভেটিভ দলের পরবর্তী নেতা নির্বাচিত না হওয়া অবধি তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।

ঋষি সুনক
বরিস জনসনের প্রধানমন্ত্রীকালে ঋষি সুনক ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বরিস জনসনের পর তাঁকেই ব্রিটিশ সংসদে সব থেকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে মনে করা হয়। করোনা মহামারীর সময় তিনি একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের মন জয় করেছিলেন। তাঁকেই বরিসের উত্তরসূরি মনে করা হতো। পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে জনসনের পাশাপাশি তাঁকেও জরিমানার মুখে পড়তে হয়। যার জেরে জনপ্রিয়তা কমতে থাকে।

লিজ ট্রাস
বরিস জনসনের মন্ত্রিসভায় তিনি বিদেশমন্ত্রী ছিলেন। ব্রেক্সিট ইস্যুতে তিনি বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় টোরি হিসেবে পরিচিত।

জেরেমি হান্ট
২০১৯ সালে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে বরিস জনসনকে জোর টক্কর দিয়েছিলেন জেরেমি হান্ট। তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে ফার্স্ট রানার আপ হয়েছিলেন। ব্রিটেন তখন ব্রেক্সিট ইস্যুতে দুই ভাগে বিভক্ত। সেই সময় কোনও ভালো বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে চাইছিল। সেই কারণে ব্রেক্সিটে মধ্যপন্থী হিসেবে পরিচিত জেরেমি হান্ট বিশেষ লাভবান হতে পারেননি। তিনি আগে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিদেশ মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন।

সাজিদ জাভেদ
বরিস জনসনের মন্ত্রিসভা থেকে বুধবার প্রথম সাজিদ জাভেদ পদত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি তিনি সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি তিনি ইঙ্গিত দেন, ২০১৯ সালে হেরে যাওয়ার পরে তিনি ফের একবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।

বেন ওয়ালেস
ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন বেন ওয়ালেস। ইউক্রেনে রুশ অভিযানের সময় ওয়ালসের একাধিক সিদ্ধান্ত কনজারভেটিভ দলের সদস্যদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নেন। ইউক্রেনকে সামরিক অস্ত্র দিয়ে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বেন ওয়ালেসে।

পেনি মর্ডান্ট
বরিস জনসনের মন্ত্রিসভায় পেনি মর্ডান্ট বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। তবে থেরেসা মে-র সময়ে ব্রেক্সিট আলোচনায় তিনি বাস্তবাদী একধিক পরিস্থিতি সামনে তুলে ধরেছিলেন। তিনি ব্রেক্সিটের বাণিজ্য নীতির খসড়াও সেই সময় তিনি তুলে ধরেছিলেন। কনজারভেটিভ দলের জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে তিনি পরিচিত।

নাদিম জাহাবী
ব্রিটেনের একজন ধনী ব্যবসায়ী হিসেবে নাদিম জাহাবী পরিচিত। প্রায় নয় বছর বয়সে সদ্দাম হুসেনের রাজত্বকালে তিনি ইরাক ছেড়ে ব্রিটেনে আশ্রয় নেন। সুনাকের পদত্যাগের পর তিনি চ্যান্সেলর হন। যদিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি পদত্যাগ করেন। দ্রুত দেশে করোনা টিকা করণের জন্য তিনি একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

টম টুগেনধাত
টম টুগেনধাত ব্রিটেনের প্রাক্তন সেনা আধিকারিক ছিলেন। আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাবাহিনী তুলে নেওয়ার ঘোষণার পর তিনি একটি বক্তৃতা দেন। পরে সেই বক্তৃতা বিশ্বে ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি বরিস জনসনের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। বরিস পদত্যাগ করলে তিনি প্রথম নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

সুয়েলা ব্রাভারম্যান
বরিস জনসন সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল সুয়েলা ব্রাভারম্যান। তিনি বুধবার রাতে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়, কনজারভেটিভ পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ব্রাভারম্যান কনজারভেটিভ পার্টির কট্টর ব্রেক্সিট সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications