'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের
প্রাক্তন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ দিন কয়েক আগে সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। গেরুয়া পতাকা হাতে নেওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সল্টলেকের রাজ্য বিজেপি দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
লিয়েন্ডার জানান, 'আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি অত্যন্ত আন্তরিকভাবে আমার কথা শুনেছেন। আমি তাঁকে বলেছি, আমি বাংলাকে 'বৃদ্ধাশ্রম' বানাতে চাই না, বাংলার যুব সমাজকে গড়ে তুলতে চাই, যাতে ছেলেমেয়েরা অন্য রাজ্য বা দেশে চলে না যায়।'

ক্রীড়া পরিকাঠামোর সমালোচনা করে লিয়েন্ডার বলেন, '১৯০০ সালে নরম্যান প্রিচার্ড কলকাতায় জন্ম নিয়ে অলিম্পিকে অংশ নেন। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ থেকে মাত্র চারজন অলিম্পিক পদক জিতেছেন। আমরা কী করছি নতুন প্রজন্মের জন্য? আমরা অন্য খেলাগুলোর জন্য কী করছি? এখানে একটি স্থায়ী ইনডোর টেনিস কোর্টও নেই। বর্ষা আর গরমে ছয়-সাত মাস খেলাই সম্ভব হয় না।'
লিয়েন্ডার দাবি করেন, 'আমি চাই বাংলায় স্পোর্টস, স্পোর্টস এডুকেশন, ইন্ডাস্ট্রি ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে উঠুক।' প্রধানমন্ত্রীর ক্রীড়া উন্নয়নের রূপরেখাকে সমর্থন করে তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী আমাকে ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের স্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছেন। আমি সেই ভিশনের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একমত এবং দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।'
কলকাতার সমৃদ্ধ ক্রীড়া ঐতিহ্যের উল্লেখ করে লিয়েন্ডার মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিংয়ের মতো ক্লাবগুলোর কথা বলেন। তাঁর কথায়, 'আমার মা-বাবা ভারতের হয়ে খেলেছেন। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল, একদিন দেশের জন্য খেলব। এবার সেই পরিশ্রম আমি যুবদের পিছনেও করতে চাই।'
পদ্ম পতাকা হাতে নিয়ে লিয়েন্ডার তাঁর ৪০ বছরের ক্রীড়া অভিজ্ঞতার কথা বলেন। তিনি জানান, '৪০ বছর দেশের জন্য খেলেছি। এবার নতুন খেলার সুযোগ। দেশসেবার সুযোগ পাব। দেশ ও দেশের যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করব।'












Click it and Unblock the Notifications