Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

শেখ হাসিনার সফর ঘিরে একাধিক জল্পনা, ভারত ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রতিকূলতা

শেখ হাসিনার সফর ঘিরে একাধিক জল্পনা, ভারত ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও প্রতিকূলতা

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে একাধিক সমীকরণ। তীব্র আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের আর্থিক সঙ্কট ক্রমেই জোরাল হচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি ক্রমেই জোড়াল হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আর্থিক সঙ্কটে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো

আর্থিক সঙ্কটে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো

এশিয়ার একের পর এক দেশে আর্থিক সঙ্কট দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কা দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার ক্রমেই সংকুচিত হতে শুরু করেছে। একাধিক বিলাসজাত পণ্য আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। চিরস্থায়ী বিদেশি সাহায্যের চক্রে পাকিস্তান আটকে পড়েছে। বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। আইএমএফের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশের নয়া সম্পর্কের ইঙ্গিত

ভারত ও বাংলাদেশের নয়া সম্পর্কের ইঙ্গিত

অন্যদিকে, করোনা মহামারীর প্রকোপ কাটিয়ে ভারতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। অর্থনীতির দিক থেকে ভারত তার একসময়ের উপনিবেশকারী দেশ ব্রিটেনকে পিছনে দিয়েছে। বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভারতের আরও আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ নিজেদের খামতি কাটিয়ে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশ্বের কাছে স্বীকৃতি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থিক উন্নতি নতুন করে একাধিক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নতুন একটা অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাণিজ্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে দক্ষিণ এশিয়া

বাণিজ্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে দক্ষিণ এশিয়া

এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে একটি দেশ ইতিমধ্যে অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। অন্য একটি দেশে অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এশিয়ার এই দুই শক্তির একত্রীকরণের জন্য এখনও বেশ খানিকটা সময়ের প্রয়োজন। দরকার একাধিক বৈঠকের। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দুই শক্তিশালী দেশের একজোটে কাজের সূত্রপাত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাঙ্কের একটি পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, সংযোগ পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরেও বাণিজ্যিক দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়া বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্বের মোট বাণিজ্যের মাত্র ৫ শতাংশ এই অঞ্চলে হয়ে থাকে। ইউরোপের বাণিজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের চারগুন সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে বাধা

ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে বাধা

ভারত বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার পথে একাধিক বাধা রয়েছে। পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ নামের স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের অবদান অস্বীকার করার কোনও জায়গাই নেই। কিন্তু বাংলাদেশে ক্রমাগত ভারত বিরোধী প্রচারের জেরে বাংলাদেশের মানুষের মন বিষাক্ত হয়ে যায়। সেখানে ইন্ধন দেন বাংলাদেশের প্রয়াত সামরিক শাসকের স্ত্রী তথা বিএমনপি প্রধান খালেদা জিয়া। রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি একাধিক প্রচার করেন, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতকে অস্বীকার করে বাংলাদেশ ক্রমাগত পাকিস্তান, চিন ও আমেরিকার ওপর নির্ভর করতে থাকে। তাদের সঙ্গে একাধিক চুক্তি করতে থাকে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হতে থাকে। তবে দুই দেশের একত্রে কাজ করার জন্য আরও বেশ খানিকটা সময়ের প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

জল বণ্টন চুক্তি

জল বণ্টন চুক্তি

দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিরোধীরা প্রায়শই শেখ হাসিনার ব্যর্থতা হিসেবে তিস্তা জল বণ্টন চুক্তিকে উদাহরণ দেন। তবে এই সফরে এই বিষয়ে মীমাংসা হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে হুরি, গোমতী, খোয়াই, দুধকুমার, মনুর জল-বণ্টন চুক্তি নিয়ে ২৫ অগাস্ট নয়াদিল্লিতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছেন। মনে করা হচ্ছে, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই বিষয়ে চুক্তি হতে পারে।

দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা

দুই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা

বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন অনুসারে, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন সড়কের উদ্বোধন করতে চলেছেন। ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই স্বাধীন সড়ক দুই দেশের সংযোগ বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাঁচটি রেল যোগাযোগ, যা অতীতে ব্যবহার করা হতো, তা পুণঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যু

রোহিঙ্গা ইস্যু

রোহিঙ্গা ইস্যু বাংলাদেশের মাথাব্যথার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।২০১৭ সালে বাংলাদেশ মায়ানমার থেকে আসা প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে মায়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে অস্বীকার করছে। অন্যদিকে, ভারত ক্রমেই শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কাছ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা বাংলাদেশ আশা করছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+