ভয়াবহ বিশ্ব উষ্ণায়ন সমস্যা, গত চার দশকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে নাইট্রাস অক্সাইড
বিশ্ব উষ্ণায়নের ভয়াবহ সমস্যায় ভুগছে গোটা পৃথিবী। পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া আটকানো যাচ্ছে না। গ্রিনহাউস গ্যাসের ক্ষতিকারক প্রভাব আরও সামনে আসছে। তার মধ্যেই আরও একটি বিষয় সামনে তুলে ধরেছেন বিজ্ঞানীরা। যা দুশ্চিন্তার ভাজ কপালে আরও বাড়িয়ে দিতেই পারে৷
নাইট্রাস অক্সাইড এবারের দুশ্চিন্তার কারণ। কার্বন ডাই অক্সাইড বা মিথেনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী এই গ্রিনহাউস গ্যাস। ১৯৮০ থেকে ২০২০ সাল, এই ৪০ বছরের মধ্যে ৪০ শতাংশ বেড়েছে এই গ্যাসের পরিমাণ।

কিন্তু কীভাবে এই গ্যাস উৎপন্ন হয়? ফসলের জমিতে রাসায়নিক সার এবং পশুর বর্জ্যের ব্যবহার। এই দুইয়ের কারণে নাইট্রাস অক্সাইড তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা বুধবার এই বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন।
১৫ টি দেশের ৫৫ টি সংস্থার ৫৮ জন গবেষক এই বিষয়ে কাজ করছেন। গ্লোবাল কার্বন প্রকল্পের কাজ চলছে। নতুন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে চিন, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ ১০ টি দেশ এই গ্যাস তৈরির তালিকায় উপরের দিকে। ব্রাজিল, রাশিয়া, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক এবং কানাডারও উল্লেখ আছে।
বোস্টন কলেজের গবেষকদের প্রতিবেদনে ভয় ও হুঁশিয়ারি দুটোই রয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে কৃষিকাজের জন্য এই গ্যাস নির্গমন আট মিলিয়ন মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। ১৯৮০ সালে এই গ্যাস উৎপাদন হয়েছিল ৪.৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অর্থাৎ এই ৪০ বছরে ৬৭ শতাংশ বেড়েছে নাইট্রাস অক্সাইড।
আর্থ সিস্টেম সায়েন্স ডেটা জার্নালে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২০ ও ২১ সালে নাইট্রাস অক্সাইড ইতিহাসের অন্য যে কোনও সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবাহিত হয়েছিল। বিশ্ব উষ্ণায়নে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাব ফেলেছে এই গ্যাস।
বিশ্ব উষ্ণায়ন বৃদ্ধিকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। নাইট্রাস অক্সাইড নির্গমন কমানোর জন্য বার্তা দেওয়া হয়। প্যারিস চুক্তির সময় প্রধান লেখক হানকিন তিয়ান, বোস্টন কলেজের অধ্যাপক এই বার্তা দিয়েছেন। নাইট্রাস অক্সাইড যাদের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়, সেগুলির ব্যবহার কমাতে হবে। এটাই একমাত্র সমাধান। কারণ, এই গ্যাসকে বায়ুমণ্ডল থেকে শোষণ করে নেওয়ক যায়৷ এমন কোনও প্রযুক্তি এখনও নেই৷ এই মারাত্মক কথাও জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নাইট্রাস অক্সাইডের বায়ুমণ্ডলীয় ঘনত্ব ২০২২ সালে প্রতি বিলিয়নে ৩৩৬ অংশে পৌঁছেছে। যা প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগের।
১৯৮০ সালে সারা বিশ্বে কৃষকরা ৬০ মিলিয়ন মেট্রিক টন বাণিজ্যিক নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করেছিল। ২০২০ সেই সারের ব্যবহার বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এছাড়াও পশু সারের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ১০১ মিলিয়ন মেট্রিক টন। অর্থাৎ মোট ২০৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করা হয়েছে।
গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব কার্বন ডাই অক্সাইডের ৩০০ গুণ বেশি। এর ফলে মারাত্মকভাবে বিশ্ব উষ্ণায়ন বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। পৃথিবীর মারাত্মক পরিণতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
-
কালবৈশাখীর আশঙ্কা, দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়ার আপডেট জানুন -
লোকভবনে শপথ নিলেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি -
গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে: ভারতের বৃহত্তম গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ে যা অনুঘটক হয়ে আঞ্চলিক উন্নয়নকে তরান্বিত করছে -
মোদীর সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মমতা, প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস -
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, প্রাথমিক তদন্তে আমেরিকার দিকেই আঙুল -
দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ স্থিতিশীল, সব ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে স্টক মজুত, দাবি সরকারের -
এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত! কুইক-কমার্স থেকে মুহূর্তে উধাও ইন্ডাকশন কুকটপ, কী অবস্থা বাজারের? -
লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পাচ্ছেন দ্রাবিড়, বিসিসিআইয়ের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি শুভমানকে -
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে ২ দফায়, খবর কমিশন সূত্রে -
ইরান সংঘাতে বিপুল ব্যয়, ছয় দিনেই আমেরিকার খরচ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি -
এলপিজির কালোবাজারি রুখতে কঠোর অভিযান শুরু কলকাতা পুলিশের, চলছে নজরদারি -
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে পদক্ষেপ! ইমপিচমেন্টের চিঠিতে ইতিমধ্যে সই ১৯৩ জন সাংসদের












Click it and Unblock the Notifications