Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বাংলায় এসআইআর নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বকে বিশেষ পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী মোদীর

পশ্চিমবঙ্গে আগামী বছরের শুরুতেই বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি নিজেদের প্রস্তুতিতে জোরদার গতি এনেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি আগামী ২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে চলমান এসআইআর (Special Electoral Roll Revision) প্রক্রিয়াকে সরল ও স্বচ্ছ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে এসআইআর প্রক্রিয়াকে যেন অযথা জটিল করা না হয় এবং এই বার্তা যেন তৃণমূল স্তর পর্যন্ত পৌঁছয়। তিনি বলেন, "এসআইআর ড্রাইভকে সহজ এবং স্বচ্ছ রাখুন। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হল যোগ্য ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং যারা যোগ্য নন তাদের বাদ দেওয়া।"

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী সাংসদদের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য মনোযোগী ও আত্মবিশ্বাসী থাকতে বলেছেন। সাংসদ প্রতিনিধিদলকে উদ্দেশ্য করে মোদী দলের শক্তিকে কাজে লাগানোর এবং বিগত বছরগুলিতে গড়ে ওঠা গতি ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি দলকে তার সাংগঠনিক শক্তি ও তৃণমূল স্তরের সমর্থনের ওপর আস্থা রাখার কথা বলেন।

তৃণমূল কংগ্রেস অথবা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ না করেই প্রধানমন্ত্রী সাংসদদের বিরোধী দলের প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বিজেপি-র পশ্চিমবঙ্গ অগ্রগতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে ২০১৬ সালের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মোদী জোর দিয়ে বলেন, এই অগ্রগতি অবশ্যই বজায় রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা এই বাংলায় নির্বাচনে জয়ী হব।" তিনি সাংসদদের এই যাবৎকালের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং বর্তমান টিএমসি শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেন। এই বৈঠকে মোদী সাংসদদের কাছে স্থানীয় ইস্যু, বিশেষত সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপর সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চান। তিনি জোর দেন যে দলীয় কর্মীদের অবশ্যই ভোটারদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে এবং মাটির বাস্তবতা বুঝতে হবে; কারণ জনসম্পর্ক এবং কার্যকর নেতৃত্বই নির্বাচনী সাফল্যের চাবিকাঠি।

এই প্রতিনিধিদলে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও সুকান্ত মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সমর্থন জোগাড় করার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। উচ্চ বাজি ধরে এই নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য চতুর্থবারের মতো মসনদে বসার জন্য একটি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করছেন।

বিজেপি ইতিমধ্যেই বড় মাপের সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব এবং ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি রাজ্যে জয়লাভ এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উপস্থিতি শক্তিশালী করার প্রতি দলের অঙ্গীকারকে স্পষ্ট করে। ২০২৬ এর নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর বার্তা ততই স্পষ্ট হচ্ছে—দলের শক্তির ওপর ফোকাস রাখা, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা এবং গতি বাড়াতে থাকা।

বিজেপি তার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং অতীতের নির্বাচনী সাফল্যকে পুঁজি করে টিএমসি-র বিরুদ্ধে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে চাইছে এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য নিজেদের একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ কেন্দ্রে নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ বিজেপির কাছে একটি দীর্ঘস্থায়ী অগ্রাধিকার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+