Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কার্গিল যুদ্ধের ২৩ বছর পার, শত্রুদের ঘুম উড়িয়ে বীরের সম্মান ভারতীয় বাহিনীর এই যুদ্ধ বিমানগুলোর

কার্গিল যুদ্ধের ২৩ বছর পার, শত্রুদের ঘুম উড়িয়ে বীরের সম্মান ভারতীয় বাহিনীর এই যুদ্ধ বিমানগুলোর

২৩ বছর আগে কার্গিলে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশদের বিরুদ্ধে জয় ঘোষণা করেছিল ভারত। তারপর থেকে প্রতি বছরের মতো এবছরেও ভারত ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস পালন করছে। এই দিনে কার্গিল যুদ্ধের শহিদদের স্মরণ করা হয়। তাঁদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এত উচ্চতায় যুদ্ধ জয় ভারতের সেনাবাহিনীর জন্য নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। এই সাফল্যে ভারতীয় বিমান বাহিনীর 'সফেদ সাগর' নামের এক অপারেশনের বড় ভূমিকা রয়েছে। এই অভিযান ভারতীয় বিমান বাহিনীর ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী ভারতে প্রবেশের জন্য খাড়াই পর্বতের রাস্তা বেছে নিয়েছিল। যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছিল। ভারতীয় বিমান বাহিনী 'সফেদ সাগর' অপারেশনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ব্যাপক সাহায্য করেছিল। যা কার্গিল যুদ্ধে ভারতের জয় নিশ্চিত করে। 'সফেদ সাগর' অপারেশনে যুদ্ধে মিগ-২৯, মিগ-২১, মিগ-২৭, মিরাজ-২০০০ যু্দ্ধ বিমানের সঙ্গে বিমান বাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছিল। কার্গিল যুদ্ধে যে সমস্ত যু্দ্ধবিমানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল, শত্রুদের আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছিল, তাদের সঙ্গে পরিচয় করা যাক।

মিরাজ ২০০০

মিরাজ ২০০০

কার্গিল যুদ্ধে মিরাজ ২০০০কে নায়ক হিসেবে গণ্য করা হয়। লেজার গাইডেড বোমা দিয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনীকে একাধিক শত্রুঘাঁটি ধ্বংস করতে মিরাজ ২০০০ সাহায্য করেছিল। বোমা হামলার জন্য একাধিক যুদ্ধ বিমান বিমানকে ব্যবহার করা হলেও, শত্রু ঘাঁটিতে নির্ভুলভাবে আঘাত করার জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী মিরাজ-২০০০ ওপর নির্ভর করেছিল। এই বিমানটি দিন হোক বা রাত, সব সময় উড়তে পারত। ফরাসি এই যুদ্ধ বিমানে আধুনিক অস্ত্রের সরঞ্জাম ছিল চোখে পড়ার মতো। কার্গিল যুদ্ধের সময় ভারতের সব থেকে উন্নত ও প্রাণঘাতী বিমান হিসেবে বিবেচিত করা হয়েছিল।

মিগ-২৯

মিগ-২৯

আমেরিকার ইউএসএসআর-এর মিকোয়ান ডিজাইন ব্যুরো মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমান তৈরি করেছিল। মূলত আমেরিকার মিগ-১৬ ও মিগ-১৭ বিমানের থেকে এই যুদ্ধবিমানে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল। সাতের দশকে ভারতের বিমান বাহিনীর সদস্য হয় মিগ-২৯। যুদ্ধের সময় কারগিলে মোতায়েন করা ছিল। পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র থেকে ভারকে সুরক্ষিত রাখতে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। মিগ-২৯ মূলত এয়ার সুপিরিওরিটি যুদ্ধ বিমান। মিগ-২৯ বিমানকে শত্রুপক্ষকে আক্রমণের জন্য ব্যবহার করা হয়নি। মূলত আকাশে নজরদারি চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনীর কোনও বিমান যাতে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে মিগ-২৯ বিমানটি ব্যবহার করা হয়েছিল

মিগ-২১

মিগ-২১

ছয়ের দশকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদস্য হয় মিগ-২১। তবে এই বিমানটির সুখ্যাতি ভারতীয় বাহিনীতে ছিল না। কিন্তু ২১ বছর পর যুদ্ধে নেমেও মিগ-২১ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। কার্গিল যুদ্ধের শুরুর দিকে এই যুদ্ধ বিমানের সাহায্যেই শত্রুপক্ষের ওপর ঘাঁটি নির্দিষ্ট করে আঘাত করা হয়। যদিও মিশন শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই মিয়াজ-২০০০ চলে আসে। বাকি দায়িত্ব সে নেয়।

মিগ-২৭

মিগ-২৭

ভারতীয় বিমান বাহিনীতে মিগ-২৭কে আদর করে বাহাদুর বলে ডাকা হতো। কিন্তু কার্গিল যুদ্ধের সব থেকে ভয়ঙ্কর ঘটনা মিগ-২৭য়েই হয়েছে। মাঝ আকাশে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নচিকেতা শহিদ হন। অস্ত্র থেকে নিঃসৃত গ্যাসের জেরে যুদ্ধ বিমানের ইঞ্জিনে আগুন লেগে যায়। যার ফলে যুদ্ধ বিমানটি মাধ আকাশে বিধ্বস্ত হয়ে যায়। ২০১০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলায় ফের একটি মিগ-২৭ মাঝ আকাশে বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এরপরে ২০১৯ সালে ভারতীয় বিমান বাহিনী থেকে মিগ-২৭ অবসর নেয়। সমস্ত যুদ্ধ বিমান বসিয়ে দেওয়া হয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+