Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

করোনা পরিস্থিতির মাঝে কতটা ভয়াবহ নিপা ভাইরাসের হানা! কিছু তথ্য একনজরে

এক ১২ বছরের বালকের অকাল মৃত্যুতে কার্যত ত্রস্ত গোটা কেরল। নেপথ্যে নিপা হানার কারণ! যে কেরলে গত কয়েকদিন দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের ঘরে ছিল, সেখানে নতুন করে নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক গ্রাস করতেই উদ্বেগ শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালে একবার নিপা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয় কেরলে। তারপর ২০২০ তে করোনা । ততদিনে কেরল জানত কীভাবে ভাইরাস ঘটিত রোগের সঙ্গে লড়তে হয়। তবে পরবর্তীকালে অজানা করোনা ভয়াবহ হতেই বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে কেরল। এরপর ২০২১ সালে করোনার ভয়াবহতার মধ্যেই নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক। দেখে নেওয়া যাক দুই ভাইরাস ঘটিত রোগের মধ্যে প্রভেদ বা মিল কোথায়।

নিপার আক্রমণের ঘরানা

নিপার আক্রমণের ঘরানা

মূলত, জুনোটিক ভাইরাস হল নিপা। অর্থাৎ প্রাণী থেকে প্রাণীতে সংক্রমিত হতে পারে এমনই এক ভাইরাস হল নিপা। একটি প্রজাতি থেকে প্রাণীর অন্য প্রজাতিতে সংক্রমিত হতে পারে নিপা ভাইরাস। ১৯৯৯ সালে এই ভাইরাসকে প্রথমবার চিহ্নিত করা হয়। মালয়েশিয়ায় সুনাই নিপা থেকে আসে নিপা ভাইরাস। যেকোনও একটি প্রাণী থেকে অন্য প্রাণীতে চটজলদি সংক্রমিত হয়ে যেতে পারে নিপা ভাইরাস। বাদুড়, কুকুর, বেড়াল, শুকর, ঘোড়ার মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে। একদিকে যেমন নিপার উৎস খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, তেমনই আবার করোনার উৎস নিয়ে বহুজনই সন্দিহান। অনেকেই বলছেন করোনা ল্যাবজাত একটি ভাইরাস। ফলে ভয়াবহতার দিক থেকে দুই ভাইরাসই সমান আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।

 কেন নিপা বা করোনা দুই সমান ভয়ঙ্কর

কেন নিপা বা করোনা দুই সমান ভয়ঙ্কর

প্রসঙ্গত, বিজ্ঞান বলছে, নিপা ভাইরাসের রোগ সারিয়ে ওঠার জন্য সেভাবে নির্দিষ্ট কোনও সুশ্রুষা নেই। সেভাবে দেখতে গেলে নিপা ভাইরাস সারিয়ে তোলা নিয়ে কোনও চিকিৎসার কথা বলা হয়নি। আরাতত এনআইভির আওতায় যে চিকিৎসা করা হয়, তাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ সার্পোটিভ কেয়ার, হাইড্রেশন সহ উপসর্গ হলে তার প্রাথমিক চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে। তবে নিপা দমনে ইমিউনো থেরাপিউটিক চিকিৎসার একটি উদ্ভাসিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে নিপার দমনে কোনও ভ্যাকসিন এখনও নেই। অন্যদিকে কোভিড দমনে ভ্যাকসিনই শেষ কথা কি না, সেবিষয়ে নিশ্চিত নন কেউই। যেভাবে কোভিডের পর পর ভ্যারিয়েন্টের মিউটেশন হচ্ছে, তাতে আতঙ্কিত সমস্ত মহল।

 সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কতটা উদ্বেগের

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কতটা উদ্বেগের

নিপা ভাইরাস সংক্রমণের বিচারে অনেকটাই কম জোরালো। অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় নিপা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ততটা ভয়ানক নয়। সেখানে করোনার ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বেশ ভয়ানক। হু হু করে করোনা সংক্রমণ বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তেব নিপা নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গা ছাড়া ছড়াতে পারে না। ফলে এর ভয়াবহতা অনেকটাই কম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার দিক থেকে। তবে নিপার দংশনে ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ মারা যেতে পারেন। এমনই দাবি করছে গবেষণা। কেরলে এর আগে , ১৯ জন নিপা আক্রান্তের মধ্যে ১৭ জন মারা গিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে সেবার কেরলে নিপার প্রবল হানা দেখা যায়। এদিকে, কোবিডের ক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই কম। নিপা যেখানে আক্রমণে ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ রোগীকে মৃত্যুর কোলে ফেলে দিতে পারে, সেখানে করোনা ১ শতাংশ রোগীকে হত্যা করতে পারে।

 নিপার উপসর্গ

নিপার উপসর্গ

মূলত, চিকিৎসকরা বলছেন প্রথম ১৪ দিনের মাথায় সেভাবে বড় উপসর্গ নাও দেখা যেতে পারে নিপার জেরে। তবে অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ হিসাবে শ্বাসকষ্ট, এনসেফালাইটিসের মতো সমস্যা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গহীন থেকে যান অনেকে, আবার অনেক ক্ষেত্রে আবার ভাইরাস আক্রমণের ৪ থেকে ১৪ দিনের মাথায় উপসর্গ দেখা যায়। ১৪ দিন ধরে থেকে যায় জ্বর।


খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+