বাংলা-বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে গঠিত হতে চলেছে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল! ভাইরাল পোস্ট নিয়ে কোন সত্য সামনে এল?
কেন্দ্রীয় সরকার একটি 'ভুয়ো’ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে অসত্য বলে খারিজ করেছে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল যে, শিলিগুড়ি করিডোরের কাছে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা নিয়ে একটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (ইউটি) তৈরি করা হচ্ছে।
প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) তাদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই দাবিকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে ঘোষণা করেছে। পিআইবি স্পষ্ট জানিয়েছে, এমন নতুন ইউটি গঠনের পরিকল্পনা ভিত্তিহীন এবং ভারত সরকারের কোনও প্রস্তাব বর্তমানে বিবেচনাধীন নেই। তাই তথ্য যাচাই করে শেয়ার করার জন্য তারা ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ভাইরাল হওয়া পোস্টগুলিতে বিহারের পূর্ণিয়া, আরারিয়া, কিষাণগঞ্জ, কাটিহার এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও দিনাজপুর জেলাগুলিকে সম্ভাব্য ইউটি-এর অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিছু পোস্ট এটাও দাবি করে যে, বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ৯ থেকে ১১ মার্চের জন্য তাদের সকল সাংসদকে একটি হুইপ জারি করেছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়।
এই ভুয়ো বার্তাগুলির সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিন দিনের বিহারের সীমাঞ্চল সফরকে জুড়ে দেওয়া হয়, যাতে দাবি করা হয় যে এই বিষয়েই আলোচনা তীব্র হয়েছে। যদিও শাহের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। তিনি বামপন্থী উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষ করে ওই অঞ্চল ও সমগ্র দেশকে 'নকশাল-মুক্ত’ করার ওপর জোর দিতে যান।
ভারতের 'চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডোর হল ২২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার চওড়া একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড। এটি উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এই ধরনের কৌশলগত এলাকার কাছাকাছি নতুন ইউটি গঠনের দাবি স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
এর আগেও কেন্দ্রীয় সরকার একই ধরনের ভুয়ো দাবি বাতিল করেছে। উদাহরণস্বরূপ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে প্রতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা ফেরত পাওয়ার প্রতিশ্রুতিসহ একটি বিনিয়োগ প্রকল্প প্রচার করছেন—এমন ভুয়ো বিজ্ঞাপনকেও পিআইবি পরবর্তীতে খারিজ করেছিল।












Click it and Unblock the Notifications