Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর অনুমোদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, সিবিআই তলবে চাঞ্চল্য

দিল্লি আপ সরকারের প্রত্যাহার করা আবগারি নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। এই মামলায় দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নাম না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বারবার তলব করা হচ্ছে।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে অনুমোদন দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। স্নুপিং মামলায় দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে মণীশ সিসোদিয়াকে রবিবার সিবিআই তলব করেছে।

দিল্লি আপ সরকারের প্রত্যাহার করা আবগারি নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে। এই মামলায় দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নাম না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বারবার তলব করা হচ্ছে। তাঁকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এর পাল্টা মণীশ সিসোদিয়া বলেন, কাপুরুষরাই মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসাতে চায়।

মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর অনুমোদন

দিল্লিতে আম আদমি পার্টি সরকার ২০১৫ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বন্দ্ব লেগে রয়েছে। কেন্দ্রশাসিত দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সঙ্গে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারের সংঘাত চরমে ওঠে। বর্তমানে সিবিআইয়ের তদন্তে বারবার দিল্লির সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নাম উঠে এসেছে।

মণীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। তাঁকে জেরার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সিবিআই ও ইডি তো পিছনে লেগে রয়েছে আপ সরকাররে। সিবিআই ছাড়াও ফিডব্যাক নামে এক ইউনিটের মাধ্যমে সরকারের সমস্ত বিভাগে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এক কর্মকর্তার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

স্নুপিংয়ের দাবিগুলি সিবিআই দ্বারা আগেও যাচাই করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে অনুরোধ করেছিল এই বিষয়ে তদন্তের জন্য তারপর লেফটেন্যান্ট গভর্নর বড়সড় পদক্ষেপ নেন। রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমনোদন চান এই বিষয়ে তদন্তের।

সিবিআই অভিযোগ করেছে, মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ২০১৫ সালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি স্থানান্তর করেছিলেন, কিন্তু কোনও অ্যাজেন্ডা প্রচার করা হয়নি। এফবিইউতে নিয়োগের জন্য লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছ থেকে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এরপর ফিডব্যাক ইউনিট এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি অনান্য বিবিধ বিষয় সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করেছে।

এরপর সিবিআই দিল্লি সরকারের ভিজিল্যান্স বিভাগের একটি রেফারেন্সের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে সিবিআই দাবি করে, সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম, নির্দেশিকা এবং সার্কুলার লঙ্ঘন করা হয়েছে। এই ঘটনায় নাম উঠে আসে উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া, সচিব সুকেশ কুমার জৈনের।

২০১৬-র ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ধরনের রিপোর্টগুলির যাচাই করে দেখা যায় এবিইউ কর্মকর্তাদের দ্বারা জমা দেওয়া রিপোর্টগুলিতে জিএনসিটিডি-এর অধীনস্থ কোনো বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে দুর্নীতির বিষয়ে পদক্ষেপযোগ্য কোনো তথ্য নেই। কিন্তু ব্যক্তি, আম আদমি পার্টির কিছু সংযোগ পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে মণীশ সিসোদিয়া জানিয়েছে মিথ্যা মামলা দায়ের করা ভীরু ব্যক্তির লক্ষণ আম আদমি পার্টি উত্তরণে ভয় পেয়ে এসব করা হচ্ছে। পার্টি যত বাড়বে, ততই মামলার সংখ্যাও বাড়াবে কেন্দ্রীয় সরকার। সিবিআই-ইডিকে দিযে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক 'ফিডব্যাক ইউনিট (এফবিইউ) স্নুপিং কেস' সংক্রান্ত দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন তারই উদাহারণ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+