BBC-র তথ্যচিত্র প্রদর্শনের আগেই জেএনইউ-তে লোডশেডিং, অন্ধকারে পাথর ছুড়ছে কারা?
সোমবার দিল্লির জেএনইউ'য়ের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল বিতর্কিত বিবিসির তথ্যচিত্র দেখানো যাবে না। কিন্তু এরপরেও ক্যাম্পাসের মধ্যেই চলল সেই তথ্যচিত্র।
নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে বিবিসি-র তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ঠিক আগেই অন্ধকার জেএনইউ। জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটিতে মঙ্গলবার রাত ৯ টায় ওই তথ্যচিত্র দেখানোর কথা ছিল। তার ঠিক আগেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। আর সেই অন্ধকারে কে বা কারা পাথর ছোড়ে বলেও অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। তবে হঠাত করে কারা পাথর ছুঁড়ল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এমনকি এই ঘটনায় কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি বলেও জানা যাচ্ছে।
এদিন ৯ টা বাজার কিছু আগেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের। ক্যাম্পাসের মধ্যেই কেউ মোবাইল হাতে কেউ আবার ল্যাপটপে বিতর্কিত তথ্যচিত্র চালিয়ে দেন বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেই হঠাত করেই কেউ বা কারা একের পর এক পাথর ছুঁড়তে শুরু করে দেয়। যদিও এই ঘটনায় কেউ এখনও পর্যন্ত আহত হয়নি বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে এদিন স্ক্রিনিংয়ের আগেই ক্যাম্পাসে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে ছাত্রসংগঠনের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিছিন্ন করে তো দেওয়াই হয়, এমনকি ক্যাম্পাসের মধ্যে ইন্টারনেট জ্যাম করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। কোনও ইন্টারনেট সেভাবে কাজ করছিল না বলে জানাচ্ছেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তবে পাথর ছোঁড়া নিয়ে ইতিমধ্যে এবিভিপির দিকে আঙুল তুলতে শুরু করেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির ছাত্রসংগঠনের তরফে কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি।
তবে এসএফআইয়ের তরফে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত এই তথ্যচিত্র দেখানোর কথা বলা হয়েছে।
Say No to Censorship.
— SFI (@SFI_CEC) January 24, 2023
✊🏾 pic.twitter.com/lITsxu5NMH
বলে রাখা প্রয়োজন, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (JNUSU)- এর তরফে এই তথ্যচিত্র দেখানোর কথা বলা হয়েছিল। জানানো হয়, ২৪ তারিখ রাত ৯ টার সময় 'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চেন'-এর প্রদর্শন করা হবে জেএনইউয়ের ক্যাম্পাসে। যদিও বিষয়টি নজরে আসতেই ওই তথ্যচিত্রের প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
জেএনইউ কতৃপক্ষের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শান্তি এবং সম্প্রতি নষ্ট করতে পারে। ফলে কখনই এই তথ্যচিত্র দেখানোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। কিন্তু এরপরেও ক্যাম্পাসে বিতর্কিত সেই তথ্যচিত্রটি দেখানো হল। যা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে তৈরি বিবিসির তথ্যচিত্র উসকানিমূলক বলে ইতিমধ্যে ব্যাখ্যা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু তাই নয়, এই তথ্যচিত্র দেখানো হলে দেশের শান্তিতে বিঘ্নিত করতে পারে বলেও দাবি সরকারের। আর এরপরেই তথ্যচিত্রটি রয়েছে ইউ টিউব লিঙ্ক এবং টুইটার লিঙ্ক ব্লক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের। যা নিয়ে ইতিমধ্যে আওতাজ তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। সরকার সত্যি লুকোতে চাইছে! আওয়াজ তুলছে বিরোধীরা।
-
এলপিজি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে আলোচনা মোদীর -
এলপিজি নিয়ে অযথা আতঙ্ক ছড়ালেই কড়া ব্যবস্থা! 'কোভিডের মতোই কাটিয়ে উঠব এই দুঃসময়', বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী -
কোচবিহারে আগুনে পুড়ে নার্সের মৃত্যু, সন্দেহের কেন্দ্রে স্বামী -
বুকিং করেও মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার ? এক ফোনেই অভিযোগের সমাধান, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ হেল্পলাইন নম্বর -
নাবালিকার মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য, শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার -
কালবৈশাখীর আশঙ্কা, দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস, আজকের আবহাওয়ার আপডেট জানুন -
লোকভবনে শপথ নিলেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি -
গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে: ভারতের বৃহত্তম গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ে যা অনুঘটক হয়ে আঞ্চলিক উন্নয়নকে তরান্বিত করছে -
মোদীর সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মমতা, প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস -
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, প্রাথমিক তদন্তে আমেরিকার দিকেই আঙুল -
দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ স্থিতিশীল, সব ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে স্টক মজুত, দাবি সরকারের -
এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত! কুইক-কমার্স থেকে মুহূর্তে উধাও ইন্ডাকশন কুকটপ, কী অবস্থা বাজারের?












Click it and Unblock the Notifications