• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মহারাষ্ট্রে পাহাড়ি পথে লাইনচ্যুত ট্রেন, নিহত ১৫

  • By Ananya Pratim
  • |
ট্রেন
মুম্বই, ৪ মে: ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ১৫ জন। জখম কমপক্ষে ৮৭জন। রবিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কোঙ্কন রেলপথের অন্তর্গত রোহা ও নগোঠাণে স্টেশনের মধ্যবর্তী জায়গায়। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।

রেলওয়ে সূত্র উদ্ধৃত করে পিটিআই জানাচ্ছে, এদিন সকাল সাড়ে ন'টা নাগাদ লাইনচ্যুত হয় দিবা-সাওয়ন্তবাড়ি প্যাসেঞ্জার। ইঞ্জিন এবং তার পরের চারটি কামরা লাইনে থেকে ছিটকে গিয়ে উল্টে পড়ে। ট্রেনটি তখন একটি পাহাড়ি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে ধীর গতিতে চলছিল। নইলে আরও বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে যেখানে ট্রেনটি দুর্ঘটনায় পড়েছে, সেটি পাহাড়ি এলাকা। অরণ্যসঙ্কুল। তাই উদ্ধারকারীদের পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়। পার্শ্ববর্তী নিধি গ্রামের মানুষই এসে প্রথম উদ্ধার কাজ শুরু করেন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান অরুণেন্দ্র কুমার, রেলওয়ে নিরাপত্তা কমিশনার চেতন বক্সি প্রমুখ। রেলমন্ত্রী মল্লিকার্জুন খারগে বলেছেন, মৃতদের নিকটাত্মীয়দের দু'লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। গুরুতর জখমদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে এবং অল্প জখমদের দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা করে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রেল মন্ত্রক।

সেন্ট্রাল রেলওয়ের জনসংযোগ আধিকারিক এ কে সিং জানান, প্রথমে মনে করা হয়েছিল, ট্রেনটির পিছন দিকের কয়েকটি কামরা সুড়ঙ্গের ভিতরে ফেঁসে গিয়েছে। পরে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা যায়, তেমন কিছু ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর কোঙ্কন রেলপথ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, দাদার, থানে, পানবেল, রত্নগিরি এবং বেলাপুরে খোলা হয়েছে হেল্পলাইন।

প্রসঙ্গত, কোঙ্কন রেলপথ হল দেশের অন্যতম দুর্গম রেলপথ। ট্রেনটি সুড়ঙ্গ পার হওয়ার সময় গতি কমিয়ে আনায় প্রাণহানি তবুও কম ঘটল। নইলে আরও বড় বিপর্যয় ঘটতে পারত বলে মনে করছেন রেলওয়ে বিশেষজ্ঞরা। এখন অবশ্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ওই পথে পরিষেবা চালু করাই রেলের লক্ষ্য।

English summary
15 killed as train derailed in Maharashtra
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more