• search

আতঙ্কের ১ ঘন্টা দিল্লির আবাসনে, বাবাকে ৩৬ বার কুপিয়ে খুন, প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণ ব্যক্তির

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    নয়াদিল্লি, ৯ জানুয়ারি : রবিবার দুপুরে এক ঘন্টা ধরে চলা ভয়াবহ নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল দিল্লির একটি আবাসন। এই আবাসনের এক ব্যক্তি প্রথমে নিজের বৃদ্ধ বাবাকে ৩৬বার কুপিয়ে খুন করে। শুধু তাই নয়, নিজেকে বাঁচাতে প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটে এলপিজি গ্যাসের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ৯ পুলিশকর্মী আহত হন।

    অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রাহুল মাট্টা। রাহুলকে নৌসেনা থেকে তাড়ানো হয়েছে। ২ বার জেলেও গেছে সে। ঘটনার সূত্রপাত তার ৬০ বছরের বৃদ্ধ বাবা তাকে বাড়িতে রাখতে অস্বীকার করে, এবং বলে, বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে রাহুলকে।

    আতঙ্কের ১ ঘন্টা দিল্লির আবাসনে, বৃদ্ধ বাবাকে ৩৬ বার কুপিয়ে খুন, প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণ ব্যক্তি

    এর একদিন পরেই রাহুল প্রথমে সোসাইটির নিরাপত্তারক্ষীকে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করে। তাঁকে কোপানোর চেষ্টা করে। এর পর বাড়ির ভিতরে বাবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ৩৬ বার ধারালো ছুড়ি দিয়ে কোপ মারে সে। বাবা পালাতে গেলে, রাহুল তাকে ধাওয়া করে। বাবা কোনওমতে নিজেকে মাটিতে ঘষতে ঘষতে, কখনও হামাগুঁড়ি দিয়ে নিচে গার্ডরুমের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। এই গোটা সময় রাহুল তার বাবাকে ছুরি দিয়ে কোপ মারতেই থাকে।

    এরপর উপরে দৌড়ে গিয়ে প্রতিবেশী এক মহিলাকে তাঁর ফ্ল্যাটে ঢুকে ছুরির কোপ মারে। এরপর প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেয়, পুলিশর জালে রাহুল আটকে পড়লে অন্য এক প্রতিবেশীকে বন্দি বানিয়ে তারই ফ্ল্যাটে নিজেকে আটকে ফেলে রাহুল। এরপর এলপিজি গ্যাসের সাহায্যে ফ্ল্যাটটিকে ওড়ানোর চেষ্টা করে। এলপিজি বিস্ফোরণের জেরে বন্দি প্রতিবেশী এবং কমপক্ষে ৯ পুলিশকর্মী আহত হন। পুলিশ রাহুলকে জ্বলন্ত ঘরের মধ্য়ে থেকে উদ্ধার করেছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    English summary
    The man allegedly stabbing his father 36 times inside his flat.then rushed upstairs and allegedly stabbed a woman neighbour in her flat.He take another neighbour hostage and switched on the LPG supply and blew up the flat

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more