Jagadhatri Puja 2023: ১২ কেজি সোনার গয়নায় সেজেছেন কৃষ্ণনগরের বুড়িমা, থাকছে ৫০ কুইন্ট্যাল চালের পোলাও ভোগ
জগতের ধাত্রী তিনি৷ তার পুজোয় বাংলার দুই জায়গা আনন্দে উদ্বেল। চন্দননগরে পুজোর আনন্দ শুরু হয়েছে আগেই। আর কৃষ্ণনগরে মঙ্গলবার থেকে। আর এই কৃষ্ণনগরের জগদ্ধার্থী পুজোর অন্যতম নাম বুড়িমা। বুড়িমার আশিস সাধারণ মানুষের উপর সব সময় থাকে। এমনটাই প্রচলিত আছে।
এবারেও বুড়িমার পুজো অন্যতম আকর্ষণ। সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই প্রতীমাকে গয়না পরানোর কাজ শুরু হয়। মধ্য রাত অবধি মাকে সাজানো হয়। আজ মঙ্গলবার মহানবমী। পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার বুড়িমাকে ১২ কেজি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছে। এছাড়াও আছে রুপোর গয়না।

হাতে, গলায়, কানে সোনার গয়না। মুকুটের অংশ থেকে নাকের নথ। আছে সীতাহার। আছে টিকটি, সোনার টিপ। সোনায় মুড়ে রয়েছেন বুড়িমা। কৃষ্ণনগরের চাষাপাড়ার এই পুজো ও প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন লাখো দর্শণার্থী। সেজন্য নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার দর্শণার্থী আসতে শুরু করেছেন। রাত যত বাড়বে, তত ঢল নামবে মানুষের।
বুড়িমাকে সোনার টিপ দেওয়ার প্রচলন বহু বছরের। এলাকার বাসিন্দারাই বুড়িমাকে সোনার টিপ দেন। সেজন্য কয়েক মাস আগে থেকেই সোনার টিপ বানানোর ধুমও পড়ে সোনার দোকানগুলিতে। বহু মানুষ মানত করেন পুজোর সময়।
বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকেই বুড়িমাকে দেখতে মানুষ আসেন। এমনই মত পুজো উদ্যোক্তাদের৷ এবারের পুজো ২৫১ বছরে পড়ল। কৃষ্ণনগরের প্রাচীন জগদ্ধার্থী পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বুড়িমার পুজো। মানুষ ভক্তিভরে, সৎভাবে কিছু চাইলে বুড়িমা তাকে ফেরান না। এমন কথা লোকমুখেই ফেরে।
কৃষ্ণনগরের চাষাপাড়ায় এই পুজো শুরু হয়েছিল। বরাবর সেখানেই এই পুজো হচ্ছে। দেবীর ভোগ রান্নারও বিশেষত্ব আছে। পোলাও মহাভোট হয় বুড়িমার। ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ এই ভোগ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনই জানা গিয়েছে।
এই মহা পোলাও ভোগে কী কী থাকছে? ৫০ কুইন্ট্যাল চাল, ১৩ কুইন্ট্যাল ঘি, ২ কুইন্ট্যাল এলাচ, কাজু, কিসমিস থাকছে। এছাড়াও বিভিন্ন মশলা ব্যবহার করা হয়। এই মহা পোলাও প্রসাদ পাওয়ার জন্যও উদগ্রীব থাকেন দর্শণার্থীরা।












Click it and Unblock the Notifications