• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আপনার সন্তান কি ফেসবুকে-মোবাইলে আসক্ত! জুকারবার্গের পরিবারের জীবনধারণ কিন্তু অন্য

বিশ্বের তাবড় ড্রাগ ব্যবসায়ী। নিজেদের পরিবার কিন্তু সেই ড্রাগ থেকে অনেকটাই দূরে। একই রীতি প্রযোজ্য সিলিকনভ্যালির ক্ষেত্রেও। একটি টুইটারের জেরে এই তত্ত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, টেকনোলজি কোম্পানির সিইও কিংবা সিলিকনভ্যালির পদস্থরা, কখনই চান না তাঁদের সন্তানরা তাদের প্রোডাক্ট নিয়ে নাড়াচাড়া করুক। যদি তারা এই সব প্রোডাক্ট বিক্রি করছেন সারা পৃথিবীর কাছে।

আপনার সন্তান কি ফেসবুকে-মোবাইলে আসক্ত! জুকারবার্গের পরিবারের জীবনধারণ কিন্তু অন্য

এখানে যুক্তরাজ্যে থাকা নিউজিল্যান্ডে জন্মানো এক শিক্ষক ক্যারিন বিরবলসিং-এর কথা বলা যাতে পারে। যিনি লন্ডনে স্কুল তৈরি করেছেন। তিনি এক সাংবাদিকের টুইট নিয়ে কথা বলছিলেন। সেখানে বলা হয়েছে, স্কুলের অভিভাবকদের কাছে যিনি কথাগুলি বলেছিলেন। টেকনোলজিস্টরা কোটি কোটি টাকা উপার্জন করছেন তাদের উদ্ভাবিত পণ্য আপনার শিশুর কাছে বিক্রি করে। কিন্তু নিজেদের ঘর ভর্তি বই-এ।

এই অভিযোগ উঠছে বিল গেটস এবং মার্ক জুকারবার্গের ক্ষেত্রেও। তাঁরা নাকি কখনই চান না তাদের সন্তানরা কম্পিউটার কিংবা ফেসবুকে আসক্ত হয়ে পড়ুক।

বিদেশি সাংবাদিকের লেখায় উঠে এসেছে বিল গেটসের ঘরের কথাও। কী ভাবে বিল গেটসের ঘরে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করা হয়। বিল গেটসের সন্তানের নিজের কোনও স্মার্টফোন নেই। বাড়িতে রান্না ঘরে শুধুমাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিল গেটসের মেয়ে ভিডিও গেমসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ায়, তার ওপরে নিষেধাজ্ঞা বলবত করা হয়েছিল। তাঁর সন্তানদের ১৪ বছর পর্যন্ত ফোন ব্যবহারে অনুমতি ছিল না। যেখানে উন্নত দেশে ১০ বছর বয়সেই হাতে এসে যায় মোবাইল ফোন।

এরপরেই চলে আসছে ফেসবুকের উদ্ভাবক মার্ক জুকারবার্গের কথা। তিনি বিশ্বাস করেন ফেসবুক মানষকে কাছাকাছি আনে। তিনি চান, সারা পৃথিবীই যেন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। কিন্তু নিজেই ঘরেই প্রযুক্তিকে অন্যভাবে ব্যবহার করা হয়। জুকারবার্গ চান তাঁর দুই কন্যা ম্যাক্সিমা এবং অগাস্ট ডক্টর সাস-এর বই পড়ুক এবং বাইরে খেলুক। এক্ষেত্রে তিনি ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার কিডস ব্যবহার তিনি পছন্দ করেন না বলেই জানা গিয়েছে।

স্টিভ জোবসের ক্ষেত্রেই একই তথ্য প্রযোজ্য। বাড়িতে সন্তানদের প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

[আরও পড়ুন:এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে মদ্যপ যাত্রীর অভব্যতার শিকার হলেন এক প্রৌঢ়া বাঙালি সহযাত্রী ]

তাই প্রশ্ন উঠছেই, যখন জুকারবার্গ বিশ্বব্যাপী শিশুদের জন্য যা ছড়িয়ে দিতে চাইছেন, কেন তা তার ঘরের পক্ষে উপযুক্ত নয়। কেননা এই ধরনের সিইও-রা জানেন এই প্রযুক্তি কতটা সংহতিনাশক হতে পারে। কেননা উদ্ভাবকই জানেন, এর ডিজাইন এমনভাবে তৈরি যাতে শিশুই হোক কিংবা বয়স্ক, সবাই আসক্ত হয়ে পড়েন। শিশুদের পক্ষে এই জিনিসটি যে একেবারেই ভাল নয়, তা নিজেরা ভাল করেই জানেন।

যেমন স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে, এটা নিদ্রাহীনতা তৈরি করে। অবসাদকে বাড়িয়ে দেয়। যা শিশু কিংবা কিশোরদের ক্ষতি করে।

[আরও পড়ুন: অর্ধনগ্ন, বিধ্বস্ত, হাতে ভাঙা হাতকড়া - গভীর রাতে কোন রহস্যময়ী বাজালেন ঘন্টা]

বিহেভিয়ারাল সায়েন্সের এক রিসার্চার মেরিয়ান উলফ বলেছেন, স্মার্টফোন শিশুদের মস্তিস্কে প্রভূত ক্ষতি করে। বিদেশের পত্রিকাতেও এই রিসার্চের মান্যতা দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে আরও রিসার্চের প্রয়োজনের কথা জানিয়েও তিনি বলেছেন, বিল গেটস বা মার্ক জুকারবার্গ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেন, তাই যেন অবলম্বন করা হয়। অর্থাৎ তাদের জন্মদিনে স্মার্টফোন কিংবা আইপ্যাড নয়, বই কিংবা সাইকেল তুলে দেওয়াটাই বাঞ্চনীয়।

[আরও পড়ুন:ফের ক্ষমতায় এনডিএই ! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এমন ভবিষ্যদ্বাণীও 'চিন্তা'য় রাখবে বিজেপিকে] lok-sabha-home
English summary
Bill Gates, Mark Zuckerberg ban technology for their children
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more