সুন্দরবনে চোরাশিকারিদের সঙ্গে লড়াই! গুলিতে মৃত্যু বনকর্মীর
চোরাশিকারিদের গুলিতে মৃত্যু বনকর্মীর। ঘটনাটি সুন্দরবনের বিদ্যু রেঞ্জ অফিসের নেতাধোপানি ক্যাম্প এলাকায়। শনিবার গভীর রাতের ঘটনা। এদিন সকালে বনকর্মী অমলেন্দু হালদারের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অজানা চোরাশিকারিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতে বোট নিয়ে জঙ্গল সংলগ্ন নদীতে টহল দিচ্ছিলেন বনকর্মী অমলেন্দু হালদার। সঙ্গে তিন বনকর্মী ছাড়াও ছিলেন বোটের দুই কর্মীও। সুন্দরবনের বিদ্যা রেঞ্জ অফিস এলাকার নেতাধোপানিতে টহল দেওয়ার সময় একদল হরিণ শিকারির মুখে পড়েন অমলেন্দু হালদার-সহ অন্যরা।

প্রথমেই হামলা
অমলেন্দু হালদারের সঙ্গে থাকা অন্য বনকর্মীরা জানিয়েছেন, বনকর্মীদের দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে চোরাশিকারিরা। বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান। সেই সময় গুলি লাগে অমলেন্দু হালদারের। অন্য বনকর্মীরা জলে ঝাঁপ দেন। এদিন সকালে অমলেন্দু হালদারের দেহ উদ্ধার হয়। সেই সময় তাঁর মাথায় কুড়ুলের গভীর ক্ষত ছিল।
কী বলছে পুলিশ
বনদফতর ও পুলিশ সূত্রে খবর, বনকর্মী অমলেন্দু হালদারের বাড়ি রায়দিঘিতে। অন্য বনকর্মীরা অমলেন্দু হালদারকে ফেলে পালিয়ে আসার আসার পরে চোরাশিকারিরা তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় কুড়ুলের আঘাত করে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিন সকালে অমলেন্দু হালদারের দেহ উদ্ধারের পরে তা সুন্দরবন কোস্টার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।
চোরাশিকারিরা কি বাংলাদেশের?
শনিবার রাতের ঘটনার পরে একটি মহলের দাবি এই চোরাশিকারিরা বাংলাদেশের। অনেক সময় তারা এদিকে এসে হামলা চালায় এবং অপারেশন করে ফিরে যায়। শনিবার রাতেও সেই ঘটনাই ঘটেছে বলে দাবি ওই সূত্রের। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications