Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দু'দিন লুকিয়ে থেকেও শেষরক্ষা হল না! পুলিশের জালে কুলতলি কাণ্ডের পাণ্ডা সাদ্দাম সর্দার

শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে সাদ্দাম সর্দার। বুধবার গভীর রাতে এলাকা থেকেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুপড়িঝাড়া পঞ্চায়েত এলাকায় ভেড়ির আলাঘর থেকে পুলিশ তাকে ধরে।

বুধবার গভীর রাতেও পুলিশকে দেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল সাদ্দাম সর্দার। যদিও এবার সে আর সফল হয়নি। বৃহস্পতিবার সাদ্দাম সর্দারকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। পুলিশর সূত্রে খবর, মোবাইল টাওয়ার লোকেশনই সাদ্দামকে ধরতে সাহায্য করেছে।

kultali saddam sardar

তবে বুধবার রাতে সাদ্দা সর্দার পাশাপাশি ওই ভেড়ির মালিক স্থানীয় সিপিআইএম নেতা মান্নান খানকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এনিয়ে পুলিশ কুলতলি কাণ্ডে মোট চারজনকে গ্রেফতার করল। সাদ্দাম সর্দারের বিরুদ্ধে ডাকাতি থেকে শুরু করে নকল সোনার মূর্তি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সাদ্দাম সর্দার সোমবার পুলিশের চোখে ধূলো দিয়ে সিপিআইএম নেতা মান্নান খানের মাছের ভেড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। বুধবার গভীর রাতে পুলিশের বিশাল বাহিনী মান্নান খানের ভেড়ি ঘিরে ফেলে আলাঘর থেকে গ্রেফতার করে সাদ্দাম সর্দারকে।

প্রসঙ্গত কুলতলির জালাবেড়িয়া দুই পঞ্চায়েতের পয়তারহাটের বাসিন্দা সাদ্দাম সর্দারের বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই প্রতারণার অভিযোগ পুলিশের কাছে জমা হচ্ছিল। প্রতারণার অভিযোগে এর আগে পুলিশ তাকে একবার গ্রেফতারও করেছে। তবে গত েসামবার পুলিশ সাদ্দামে পয়তারহাটের বাড়িতে যায়। পুলিশ সাদ্দামকে ধরলে বাড়ির মহিলারা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। সেই সময় সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই সুয়োগে সাদ্দাম পালিয়ে যায়।

সাদ্দামের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি শুরু করতেই শোয়ার ঘরের নিচে একটি সুরঙ্গের হদিশ পায়। যা একটি খালের সঙ্গে যুক্ত। ওই খাল আবার মাতলা নদীকে গিয়ে মিশেছে।

পুলিশের ধারনা ছিল সমাদ্দার বেশি দূর যেতে পারেনি। সেইভাবেই আশপাশের থানা এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাছে সাদ্দাম সর্দারের ছবি পাঠিয়ে সতর্ক করেছিল। তারপর গোপন সূত্রে খবর পেয়েই বুধবার রাতে অভিযান চলে।

গত প্রায় পনেরো বছর ধরে সাদ্দাম সর্দার নকল সোনা বিক্রির ব্যবসা করত। মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনার মূর্তি বিক্রি করত। এক্ষেত্রে তার টার্গেট ছিল ব্যবহসায়ীরা। নকল মূর্তি দিয়ে টাকা নিত। কিংবা নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত সাদ্দাম ও তার সাগরেদরা। ধৃত সাদ্দাম সর্দারের বিরুদ্ধে বারো লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ডাকাতির মামলাও রয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+