• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

চুরি করা গল্পে অপরজিত! আইনি নোটিস অনিক দত্তকে, দাবি ক্ষতিপূরণেরও

Google Oneindia Bengali News

বাংলা সিনেমাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছিলেন দেশের এক অমূল্য 'মানিক' সত্যজিৎ রায়। শুধুমাত্র তাই নয়, এই বাংলা সিনেমা নির্মাণ করেই 'কান' থেকে 'বার্লিন' তাবড় ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে এনেছেন সত্যজিৎ রায়। এবং তাঁর জীবনের এই অসামান্য কীর্তির জন্য সম্মানিত হয়েছেন 'লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট' হিসেবে অস্কার পুরস্কার এবং ফ্রন্সের সর্বশ্রেষ্ঠ নাগরিক 'লজিও দ্য'নর'। আর সিনেমার মহারাজার সেলুলয়েডে প্রবেশ ঘটেছিল 'পথের পাঁচালী' সিনেমা দিয়ে। অপর এক 'বঙ্গরত্ন' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসকে এক অভূতপূর্ব দক্ষতায় বড় পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছিলেন মানিক বাবু। আর তাঁর সেই 'অপুর সঙ্গে আড়াই বছর' দিনলিপির বৃত্তান্ত তুলে ধরা হয়েছে অনিক দত্ত পরিচালিত 'অপরাজিত' সিনেমায়। কিন্তু এবার সেই 'অপরাজিত'ই আইনি জটিলতার মধ্যে পড়ল।

অনিক এবং অপরাজিত

অনিক এবং অপরাজিত

'পথের পাঁচালী' সিনেমা তৈরি করতে গিয়ে কী কী এবং কেমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছিল সত্যজিৎ রায়কে তা তিনি বর্ণনা করেছেন বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে। এবং তা গল্পের আকারে লিপিবদ্ধ করেছেন তাঁর 'একেই বলে শুটিং' বইতে। আর সেই সকল ঘটনা নিয়েই ছবি তৈরি করছেন বিখ্যাত পরিচালক অনিক দত্ত। তবে সেখানে তিনি সত্যজিৎ রায়ের নাম পাল্টে করেছেন অপরাজিত রায়, এবং পথের পাঁচালী পাল্টে রেখেছেন 'পথের পদাবলী'। এছাড়াও কিছু কিছু ক্ষেত্রে নাম বদলে গেলেও যা বদলায়নি তা হল সত্যজিৎ রায়ের অসামান্য ব্যক্তিত্বের স্বাদ, যা সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন অভিনেতা জিতু কমল। কিন্তু এবার এই সিনেমাকে নিয়েই বিপাকে পড়লেন পরিচালক। অপরাজিত'র নির্মাতার বিরুদ্ধে উঠল গল্পচুরির অভিযোগ।

আইনি জটিলতায় 'অপরাজিত'

আইনি জটিলতায় 'অপরাজিত'

ছবির প্লট ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য কাঠগড়ায় উঠেছে অনীক দত্তর 'অপরাজিত'। আর এবার মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়ে পরিচালক অনীক দত্ত এবং প্রযোজকদের আইনি নোটিস পাঠাল প্রযোজনা সংস্থা 'সাধু ব্রাদার্স এন্টারটেনমেন্ট প্রোডাকশন হাউস।' তবে ক্ষতিপূরণের অঙ্কটা খুব একটা কম নয়, বরং ৫০ লাখ টাকা! আর এবার অনিক দত্ত এবং তাঁর ছবি 'অপরাজিত'র বিরুদ্ধে আইনি যুদ্ধও শুরু করেছে সাধু ব্রাদার্স এন্টারটেনমেন্ট। এই প্রযোজনা সংস্থার আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অনীক দত্ত ও তাঁর প্রযোজনা সংস্থাকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। যাতে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিও করা হয়েছে। সেইসঙ্গে অনিক দত্ত এবং অপরাজিতর দুই প্রযোজক ফিরদৌসল হাসান, প্রবাল হালদারকে এই নোটিসের উত্তর দেওয়ার জন্য সাতদিন সময় দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে যে এক সপ্তাহ পর ঠিক করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে।

 'বিষয় পথের পাঁচালী'

'বিষয় পথের পাঁচালী'

ঘটনা যা সামনে এসেছে তা হল, ২০১২ সালে পথের পাঁচালী তৈরি করার গল্প নিয়ে 'বিষয় পথের পাঁচালি' নামে একটি ছবি নথিভুক্ত করেছিলেন রাজ্যের সংস্কৃতিমনস্ক পুলিশকর্মী। যার সিরিয়াল নম্বর ৯০৩৭, এবং নথিভুক্ত করার তারিখ ২০১২ সালের ১৯ ডিসেম্বর। কিন্তু প্রশ্ন এখানেই, যে ২০১২ সালে যে বিষয়টি সিনেমা বানানোর জন্য নথিভুক্ত করা হয়েছে, সেটা কী করে অনিক দত্ত ব্যবহার করে ছবি বানালেন। আর এইজন্য কোথাও 'সাধু ব্রাদার্স' এর নামে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা হয়নি। ফলে লঙ্ঘিত হয়েছে কপিরাইট আইন। প্রসঙ্গত, প্লট চুরি নিয়ে প্রথম সরব হন কুণাল ঘোষ, একটি টুইটে তিনি লেখেন, "অপরাজিত' ছবিটি কি মৌলিক ভাবনা? ২০১২ -তে নথিভুক্ত পথের পাঁচালি তৈরির ছবিটির শুটিং চলছে। নানা কারণে দেরি। এক থিমে ছবি। জেনে নাকি না জেনে? প্রচারের চাপে আসল টিম কোণঠাসা? তাঁদের ছবির কাজ চলছে। সেই ছবিটিও মুক্তি পাবে। টলিউড, থিম কি হাইজ্যাকড হল? তদন্ত হোক।" তবে এই নোটিস সম্পর্কে অনিক দত্ত স্পষ্ট জানিয়েছেন, "আমি উকিল, ডাক্তার, মোক্তার, প্রধানমন্ত্রীর চিঠি নিয়ে যখন যা বলার বলব। আগে ওঁদের থেকে অভিযোগের প্রমাণ চান। সত্যের অনুসন্ধান করুন।" তবে এই ঘটনার জল এখন কোথায় গড়ায় সেটাই এখন দেখার।

বছর ঘুরলেও পাননি বকেয়া টাকা, প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে প্রতরণার অভিযোগ শ্রীজাতর বছর ঘুরলেও পাননি বকেয়া টাকা, প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে প্রতরণার অভিযোগ শ্রীজাতর

English summary
director anik dutta was accused of hijacking the plot of aparajito movie
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X